ভিয়েনা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও চলবে ডিজিটাল যোগাযোগ, মাভাবিপ্রবির শিক্ষক আরিফুলের উদ্ভাবন নাগরপুর সদর বাজারে ভয়াবহ আগুন চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন স্টেডিয়ামে নারী খেলোয়াড়দের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, ঝালকাঠিতে যুবক আটক লালমোহনে কৃতী ২০০ শিক্ষার্থী পেল সংবর্ধনা ইরান যুদ্ধে বিপুল গোলাবারুদ খরচ, সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সিলেটে শাহজালাল-শাহপরানের মাজার জিয়ারত রাষ্ট্রপতির জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

অভিবাসী উদ্ধারকারী জাহাজ হিউম্যানিটি-১ ইতালিতে আটক

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৪২ সময় দেখুন

নাবিকরা লিবিয়ার কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অস্বীকৃতি জানানোর দায়ে জাহাজটিকে ২০ দিনের জন্য আটক করেছে ইতালি

ইউরোপ ডেস্ক                   শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এতথ্য জানিয়েছে। চলমান সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে এই আটকাদেশ দেয় ইতালি সরকার।

জাহাজটি বর্তমানে ইতালির অর্তোনা বন্দরে নোঙ্গর করা অবস্থায় আছে। একইসঙ্গে জাহাজটিকে ১০ হাজার ইউরো আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে।

হিউম্যানিটি-১ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারা লিবিয়ার কোস্টগার্ডের সঙ্গে কথা বলতে চাননি, কারণ তারা তাদেরকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চান না। তারা আরো বলেছে, লিবিয়ার কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের সমতুল্য।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘‘তাদের সঙ্গে সমন্বয় করার অর্থ হলো সুরক্ষা খুঁজতে থাকা মানুষদের এবং আমাদের উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রুদের বিপদের মুখে ফেলা।”

ইউরোপমুখী অভিবাসীদের কাছে লিবিয়া মূলত একটি ট্রানজিট দেশ। তাই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা দেশটিতে এসে ভিড় করেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) জানিয়েছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার পাঁচশোরও বেশি অভিবাসী লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালিতে পৌঁছেছে।

ইউরোপে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে লিবিয়ার কোস্টগার্ডকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইতালি। এই চুক্তি এখন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

অনেক মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিবিয়া অভিবাসীদের জন্য মোটেও নিরাপদ কোনো দেশ নয়। কারণ পাচারকারী নেটওয়ার্কের হাতে অপহরণ, নির্যাতন, শোষণের পাশাপাশি জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য হচ্ছেন অভিবাসীরা। হত্যাকাণ্ডসহ অভিবাসীদের গণকবরের খোঁজও মিলেছে লিবিয়ায়।

কবির আহমেদইবিটাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অভিবাসী উদ্ধারকারী জাহাজ হিউম্যানিটি-১ ইতালিতে আটক

আপডেটের সময় ০৫:৩৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

নাবিকরা লিবিয়ার কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অস্বীকৃতি জানানোর দায়ে জাহাজটিকে ২০ দিনের জন্য আটক করেছে ইতালি

ইউরোপ ডেস্ক                   শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এতথ্য জানিয়েছে। চলমান সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে এই আটকাদেশ দেয় ইতালি সরকার।

জাহাজটি বর্তমানে ইতালির অর্তোনা বন্দরে নোঙ্গর করা অবস্থায় আছে। একইসঙ্গে জাহাজটিকে ১০ হাজার ইউরো আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে।

হিউম্যানিটি-১ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারা লিবিয়ার কোস্টগার্ডের সঙ্গে কথা বলতে চাননি, কারণ তারা তাদেরকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চান না। তারা আরো বলেছে, লিবিয়ার কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের সমতুল্য।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘‘তাদের সঙ্গে সমন্বয় করার অর্থ হলো সুরক্ষা খুঁজতে থাকা মানুষদের এবং আমাদের উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রুদের বিপদের মুখে ফেলা।”

ইউরোপমুখী অভিবাসীদের কাছে লিবিয়া মূলত একটি ট্রানজিট দেশ। তাই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা দেশটিতে এসে ভিড় করেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) জানিয়েছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার পাঁচশোরও বেশি অভিবাসী লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালিতে পৌঁছেছে।

ইউরোপে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে লিবিয়ার কোস্টগার্ডকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইতালি। এই চুক্তি এখন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

অনেক মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিবিয়া অভিবাসীদের জন্য মোটেও নিরাপদ কোনো দেশ নয়। কারণ পাচারকারী নেটওয়ার্কের হাতে অপহরণ, নির্যাতন, শোষণের পাশাপাশি জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য হচ্ছেন অভিবাসীরা। হত্যাকাণ্ডসহ অভিবাসীদের গণকবরের খোঁজও মিলেছে লিবিয়ায়।

কবির আহমেদইবিটাইমস