ভিয়েনা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাভাবিপ্রবিতে গবেষণা থেকে Q1 জার্নালে প্রকাশনা নিয়ে সেমিনার

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ সময় দেখুন

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : গবেষণার ধারণা থেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন Q1 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের কৌশল ও সম্ভাবনা নিয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘From Research Idea to Q1 Journal Publication’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। আইসিটি বিভাগের Sub-project PIN: C-53, ICSETEP-এর উদ্যোগে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।

গবেষণার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মো. আসলাম হোসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাভাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্বে থাকা প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. আসলাম হোসাইন বলেন, সিএসই ও আইসিটি বিভাগের গবেষকদের গবেষণায় প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণার সুফল যেন দেশের প্রান্তিক কৃষকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের অগ্রযাত্রায় তরুণ গবেষকদের আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।

গবেষণা প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। সেই জ্ঞান সমাজ ও বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কার্যকর মাধ্যম হলো মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা।

তার মতে, গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হলে তা বৃহত্তর একাডেমিক সমাজ, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাত ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান আরও গবেষণা, উদ্ভাবন ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।

গবেষণার প্রতিটি ধাপে মান নিশ্চিতের আহ্বান

প্রফেসর ড. আসলাম হোসাইন বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনা একে অপরের পরিপূরক। গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি হয় এবং প্রকাশনার মাধ্যমে সেই জ্ঞান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে, যাচাই হয় ও স্বীকৃতি লাভ করে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হলে তা শুধু একজন গবেষকের অর্জন নয়, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতারও প্রতিফলন ঘটায়। নিয়মিত উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমানতা ও একাডেমিক মর্যাদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, শুধু গবেষণা করলেই হবে না; গবেষণার বিষয় নির্বাচন, গবেষণা পদ্ধতি, ফলাফল বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশ—প্রতিটি ধাপেই গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। Q1 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য নতুন ও সময়োপযোগী গবেষণা ধারণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রকাশনার মানদণ্ড সম্পর্কেও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

‘জ্ঞানের মাস্তান সবচেয়ে বড় মাস্তান’

সভাপতির বক্তব্যে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান বলেন, নতুন কথা বলতে পারার মানুষের সংখ্যা খুবই কম। গবেষণার জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানের মূল ভিত্তি ও নৈতিকতার জায়গা শক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জ্ঞানের মাস্তান সবচেয়ে বড় মাস্তান।’

দেশকে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি বড় ঐতিহাসিক বা ভূতাত্ত্বিক ঘটনার চেয়েও একটি নতুন ধারণা পৃথিবীকে বেশি পরিবর্তন করতে পারে। নতুন চিন্তা, জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘মাভাবিপ্রবিকে একটি গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।’

Q1 জার্নাল নিয়ে দিকনির্দেশনা

সেমিনারে গবেষণার উপযোগী ধারণা নির্বাচন, গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের প্রস্তুতি, Q1 জার্নাল নির্বাচন, গবেষণাপত্রের কাঠামো এবং প্রকাশনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান, আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মনির মোর্শেদ, আইসিটি বিভাগের প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসাইন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. আবদুল খালেক। তিনি রুয়েটের রিসার্চ সেলের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ICSETEP-এর Sub-project PIN: C-53-এর Co-PI প্রফেসর ড. মোছা. নার্গিস আক্তার সেমিনারের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেন। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন একই প্রকল্পের Principal Investigator (PI) ড. নজরুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও গবেষণাপত্র প্রকাশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণার দৃশ্যমানতা এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে অবস্থান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী-গবেষকদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

মাভাবিপ্রবিতে গবেষণা থেকে Q1 জার্নালে প্রকাশনা নিয়ে সেমিনার

আপডেটের সময় ০২:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : গবেষণার ধারণা থেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন Q1 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের কৌশল ও সম্ভাবনা নিয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘From Research Idea to Q1 Journal Publication’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। আইসিটি বিভাগের Sub-project PIN: C-53, ICSETEP-এর উদ্যোগে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।

গবেষণার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মো. আসলাম হোসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাভাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্বে থাকা প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. আসলাম হোসাইন বলেন, সিএসই ও আইসিটি বিভাগের গবেষকদের গবেষণায় প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণার সুফল যেন দেশের প্রান্তিক কৃষকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের অগ্রযাত্রায় তরুণ গবেষকদের আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।

গবেষণা প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। সেই জ্ঞান সমাজ ও বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কার্যকর মাধ্যম হলো মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা।

তার মতে, গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হলে তা বৃহত্তর একাডেমিক সমাজ, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাত ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান আরও গবেষণা, উদ্ভাবন ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।

গবেষণার প্রতিটি ধাপে মান নিশ্চিতের আহ্বান

প্রফেসর ড. আসলাম হোসাইন বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনা একে অপরের পরিপূরক। গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি হয় এবং প্রকাশনার মাধ্যমে সেই জ্ঞান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে, যাচাই হয় ও স্বীকৃতি লাভ করে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হলে তা শুধু একজন গবেষকের অর্জন নয়, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতারও প্রতিফলন ঘটায়। নিয়মিত উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমানতা ও একাডেমিক মর্যাদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, শুধু গবেষণা করলেই হবে না; গবেষণার বিষয় নির্বাচন, গবেষণা পদ্ধতি, ফলাফল বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশ—প্রতিটি ধাপেই গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। Q1 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য নতুন ও সময়োপযোগী গবেষণা ধারণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রকাশনার মানদণ্ড সম্পর্কেও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

‘জ্ঞানের মাস্তান সবচেয়ে বড় মাস্তান’

সভাপতির বক্তব্যে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান বলেন, নতুন কথা বলতে পারার মানুষের সংখ্যা খুবই কম। গবেষণার জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানের মূল ভিত্তি ও নৈতিকতার জায়গা শক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জ্ঞানের মাস্তান সবচেয়ে বড় মাস্তান।’

দেশকে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি বড় ঐতিহাসিক বা ভূতাত্ত্বিক ঘটনার চেয়েও একটি নতুন ধারণা পৃথিবীকে বেশি পরিবর্তন করতে পারে। নতুন চিন্তা, জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘মাভাবিপ্রবিকে একটি গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।’

Q1 জার্নাল নিয়ে দিকনির্দেশনা

সেমিনারে গবেষণার উপযোগী ধারণা নির্বাচন, গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের প্রস্তুতি, Q1 জার্নাল নির্বাচন, গবেষণাপত্রের কাঠামো এবং প্রকাশনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান, আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মনির মোর্শেদ, আইসিটি বিভাগের প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসাইন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. আবদুল খালেক। তিনি রুয়েটের রিসার্চ সেলের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ICSETEP-এর Sub-project PIN: C-53-এর Co-PI প্রফেসর ড. মোছা. নার্গিস আক্তার সেমিনারের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেন। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন একই প্রকল্পের Principal Investigator (PI) ড. নজরুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও গবেষণাপত্র প্রকাশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণার দৃশ্যমানতা এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে অবস্থান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী-গবেষকদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস