ভিয়েনা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহন উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পলিথিন-প্লাস্টিক বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ লালমোহনে পুলিশের পৃথক অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ দুর্বৃত্তদের হামলায় সাময়িক বরখাস্ত আনসার সদস্য নিহত ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ কালিহাতীতে পানি প্রবাহহীন ডোবার ওপর ১৫ কোটি টাকার সেতু, অপচয়ের আশঙ্কা লালমোহনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

তেলোপোকা কী পারবে মোদীর গদি নাড়াতে?

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : ভারতের ইতিহাসে তরুণদের এমন অভাবনীয় বিক্ষোভ দেখা যায়নি বললেই চলে! মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়েছে এক অভূতপূর্ব ছাত্র আন্দোলন। ক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলেছে সরকার ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, এই বিশাল আন্দোলনের নেতৃত্বে কোনো ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল নেই, রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ।

হঠাৎ করে গড়ে ওঠা এই ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন কি ভারতের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদী সরকারের আসন টালমাটাল করে দিয়েছে? কীভাবে একটি রসিকতা থেকে জন্ম নেওয়া দল পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিল?

ককরোচ জনতা পার্টি মূলত ভারতের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের দ্বারা গঠিত একটি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন, যা পরে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিবাদের রূপ নেয়।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৬ সালের মে মাসে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক মামলার শুনানিকালে বেকার তরুণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাক্টিভিস্টদের কটাক্ষ করে ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) এবং ‘সমাজের পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেন। এই আপত্তিকর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয় দেশটির তরুণ সমাজ। অপমানকে হাতিয়ার করে ব্যঙ্গাত্মকভাবে নাম দেওয়া হয় “ককরোচ জনতা পার্টি”, যার মূল স্লোগান রাখা হয় “অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর” ।

এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছেন ৩০ বছর বয়সী তরুণ অভিজিৎ দীপক। তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট এবং আম আদমি পার্টির সাবেক সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের প্রতিবাদে ১৬ মে ২০২৬ সালে তিনি প্রথম একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট ও পেজ তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তীতে দেশে চাকরির সংকট এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকায়, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরে এসে রাজপথে নামেন।

প্রথমদিকে এটি সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক প্রতিবাদ হলেও খুব দ্রুত তা ভয়াবহ রাজপথের আন্দোলনে রূপ নেয়।
আন্দোলনের প্রধান দাবিগুলো হলো: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: মেডিকেল ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং দুর্নীতিতে ব্যর্থতার দায়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ। শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার: দুর্নীতিগ্রস্ত এনটিএ পুনর্গঠন এবং স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতি নিশ্চিত করা। বেকারত্ব দূরীকরণ: যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা।

আন্দোলনকারীরা ভারতের সংসদ ভবনের দিকে ‘সংসদ চলো’ অভিযানের ডাক দেয়। এতে অংশ নেয় ৫০,০০০-এরও বেশি তরুণ! পুলিশ সংসদ ভবনের কাছাকাছি ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বেপরোয়া টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১৮০ জন আহত হয়।

সরকারি দমন-পীড়ন সত্ত্বেও আন্দোলন থামেনি। নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার তরুণ এখনো অবস্থান ধরে রেখেছে। তাদের স্পষ্ট ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

প্রখ্যাত পরিবেশবিদ ও লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক নিজেকে একজন “অনারারি ককরোচ” হিসেবে ঘোষণা করে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন এবং অনশন পালন করছেন। এ ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শিক্ষার্থীদের এই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে।

সরকারের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত কঠোর। আন্দোলনের গতি থামাতে পুলিশি শক্তি ব্যবহার করা হয়, গণগ্রেফতার চালানো হয় এবং ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িক ব্যাহত করার খবর পাওয়া যায়। তবে বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।

বিজেপির মূল সমর্থন কাঠামোর একটি বড় অংশ হলো শহুরে মধ্যবিত্ত যুবসমাজ। সেই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানেরাই এখন রাজপথে নামে মোদী সরকারের নীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও নেপালে সম্প্রতি যেভাবে এবহ-ত তরুণদের আন্দোলনে সরকার পতনের ঘটনা ঘটেছে, ভারতের ক্ষেত্রেও এই জেন-জি ক্ষোভ মোদী সরকারের জন্য বড় একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাতারাতি মোদী সরকার হয়তো পড়ে যাবে না, কিন্তু পরপর দু’বার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে জোড়াতালি দিয়ে সরকার চালানো বিজেপির ওপর এটি এক নজিরবিহীন মনস্তাি ত্ত্বক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

একটি তুচ্ছ কটূক্তি থেকে জন্ম নেওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রমাণ করে দিল, সংগঠিত তরুণ সমাজকে অবহেলা করা কোনো শাসকের জন্যই নিরাপদ নয়। মোদী সরকার কি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ মেনে নিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করবে, নাকি এই আন্দোলন আরও বড় দাবানলে রূপ নেবে তা দেখার বিষয়।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

লালমোহন উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

তেলোপোকা কী পারবে মোদীর গদি নাড়াতে?

আপডেটের সময় ০৩:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : ভারতের ইতিহাসে তরুণদের এমন অভাবনীয় বিক্ষোভ দেখা যায়নি বললেই চলে! মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়েছে এক অভূতপূর্ব ছাত্র আন্দোলন। ক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলেছে সরকার ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, এই বিশাল আন্দোলনের নেতৃত্বে কোনো ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল নেই, রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ।

হঠাৎ করে গড়ে ওঠা এই ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন কি ভারতের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদী সরকারের আসন টালমাটাল করে দিয়েছে? কীভাবে একটি রসিকতা থেকে জন্ম নেওয়া দল পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিল?

ককরোচ জনতা পার্টি মূলত ভারতের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের দ্বারা গঠিত একটি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন, যা পরে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিবাদের রূপ নেয়।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৬ সালের মে মাসে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক মামলার শুনানিকালে বেকার তরুণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাক্টিভিস্টদের কটাক্ষ করে ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) এবং ‘সমাজের পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেন। এই আপত্তিকর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয় দেশটির তরুণ সমাজ। অপমানকে হাতিয়ার করে ব্যঙ্গাত্মকভাবে নাম দেওয়া হয় “ককরোচ জনতা পার্টি”, যার মূল স্লোগান রাখা হয় “অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর” ।

এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছেন ৩০ বছর বয়সী তরুণ অভিজিৎ দীপক। তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট এবং আম আদমি পার্টির সাবেক সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের প্রতিবাদে ১৬ মে ২০২৬ সালে তিনি প্রথম একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট ও পেজ তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তীতে দেশে চাকরির সংকট এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকায়, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরে এসে রাজপথে নামেন।

প্রথমদিকে এটি সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক প্রতিবাদ হলেও খুব দ্রুত তা ভয়াবহ রাজপথের আন্দোলনে রূপ নেয়।
আন্দোলনের প্রধান দাবিগুলো হলো: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ: মেডিকেল ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং দুর্নীতিতে ব্যর্থতার দায়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ। শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার: দুর্নীতিগ্রস্ত এনটিএ পুনর্গঠন এবং স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতি নিশ্চিত করা। বেকারত্ব দূরীকরণ: যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা।

আন্দোলনকারীরা ভারতের সংসদ ভবনের দিকে ‘সংসদ চলো’ অভিযানের ডাক দেয়। এতে অংশ নেয় ৫০,০০০-এরও বেশি তরুণ! পুলিশ সংসদ ভবনের কাছাকাছি ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বেপরোয়া টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১৮০ জন আহত হয়।

সরকারি দমন-পীড়ন সত্ত্বেও আন্দোলন থামেনি। নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার তরুণ এখনো অবস্থান ধরে রেখেছে। তাদের স্পষ্ট ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

প্রখ্যাত পরিবেশবিদ ও লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক নিজেকে একজন “অনারারি ককরোচ” হিসেবে ঘোষণা করে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন এবং অনশন পালন করছেন। এ ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শিক্ষার্থীদের এই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে।

সরকারের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত কঠোর। আন্দোলনের গতি থামাতে পুলিশি শক্তি ব্যবহার করা হয়, গণগ্রেফতার চালানো হয় এবং ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িক ব্যাহত করার খবর পাওয়া যায়। তবে বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।

বিজেপির মূল সমর্থন কাঠামোর একটি বড় অংশ হলো শহুরে মধ্যবিত্ত যুবসমাজ। সেই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানেরাই এখন রাজপথে নামে মোদী সরকারের নীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও নেপালে সম্প্রতি যেভাবে এবহ-ত তরুণদের আন্দোলনে সরকার পতনের ঘটনা ঘটেছে, ভারতের ক্ষেত্রেও এই জেন-জি ক্ষোভ মোদী সরকারের জন্য বড় একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাতারাতি মোদী সরকার হয়তো পড়ে যাবে না, কিন্তু পরপর দু’বার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে জোড়াতালি দিয়ে সরকার চালানো বিজেপির ওপর এটি এক নজিরবিহীন মনস্তাি ত্ত্বক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

একটি তুচ্ছ কটূক্তি থেকে জন্ম নেওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রমাণ করে দিল, সংগঠিত তরুণ সমাজকে অবহেলা করা কোনো শাসকের জন্যই নিরাপদ নয়। মোদী সরকার কি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ মেনে নিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করবে, নাকি এই আন্দোলন আরও বড় দাবানলে রূপ নেবে তা দেখার বিষয়।
ঢাকা/এসএস