ভিয়েনা ১২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ কালিহাতীতে পানি প্রবাহহীন ডোবার ওপর ১৫ কোটি টাকার সেতু, অপচয়ের আশঙ্কা লালমোহনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার আ.লীগ নেতার প্রাডো গাড়িতে লংড্রাইভ করেছেন পাটওয়ারী: রাশেদ খাঁন মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে ইরানে পেট্রোলের দাম বাড়ল লালমোহনে মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবহিতকরণ সভা যুদ্ধ শীতকাল পর্যন্ত গড়াতে পারে : জেলেনস্কি ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী ভাতা দিচ্ছে সরকার উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ

ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

১৩ বছরেও বিচার হয়নি ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার শেষ হয়নি। দীর্ঘসূত্রতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভা করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্য, দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংঘ’ ও পশ্চিম টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, নিহত ফারুকের ভাই ও দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়াসহ পরিবারের সদস্য এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছরেও ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আদালত চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড

রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতর্ভ্রমণে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। প্রথমে সদর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত শুরু করলেও পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় দ্রুত বিচার সম্পন্ন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্বজনরা।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ

আপডেটের সময় ১২:০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার শেষ হয়নি। দীর্ঘসূত্রতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভা করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্য, দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংঘ’ ও পশ্চিম টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, নিহত ফারুকের ভাই ও দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়াসহ পরিবারের সদস্য এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছরেও ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আদালত চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড

রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতর্ভ্রমণে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। প্রথমে সদর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত শুরু করলেও পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় দ্রুত বিচার সম্পন্ন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্বজনরা।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস