ভিয়েনা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রেমের বিয়ের তিন মাস পর নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে স্বৈরাচারের দোসররা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও গণ মিছিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের আয়োজনে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেল স্ত্রী সরকার মানবপাচার রোধে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭২ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : জাপানের উত্তরাঞ্চলের বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার শত শত দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
দেশটির কর্তৃপক্ষ ৩ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইওয়াতে অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় তিন দিন আগে শুরু হওয়া দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ হেক্টর (১,৭৩০ একর) বনভূমি পুড়ে গেছে।

ওৎসুচি শহরের কাছে উপত্যকার ওপর দিয়ে ঘন ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা গেছে, ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও যার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
আগুন নেভাতে হেলিকপ্টার থেকে দাবানলে পানি ছিটানো হচ্ছে।

এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো বসতবাড়ির কাছাকাছি বনাঞ্চলে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

শনিবার আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১২টি হেলিকপ্টার, ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি দমকল কর্মী ও জাপান আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি ভবন পুড়ে গেছে, তবে সব বাসিন্দাকে আগেই নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আগুন নেভানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং পরে আরও তথ্য জানানো হবে।’

ওৎসুচির এক বাসিন্দা জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে-কে বলেন, ‘আমি আশা করছি, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হবে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে শুষ্কতা বাড়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে।

গত বছর ইওয়াতে অঞ্চলের ওফুনাতো শহরের আগুন ছিল অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন খরা আরও দীর্ঘ ও তীব্র করে তুলছে, যা দাবানলের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।

রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

আপডেটের সময় ১০:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : জাপানের উত্তরাঞ্চলের বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার শত শত দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
দেশটির কর্তৃপক্ষ ৩ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইওয়াতে অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় তিন দিন আগে শুরু হওয়া দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ হেক্টর (১,৭৩০ একর) বনভূমি পুড়ে গেছে।

ওৎসুচি শহরের কাছে উপত্যকার ওপর দিয়ে ঘন ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা গেছে, ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও যার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
আগুন নেভাতে হেলিকপ্টার থেকে দাবানলে পানি ছিটানো হচ্ছে।

এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো বসতবাড়ির কাছাকাছি বনাঞ্চলে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

শনিবার আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১২টি হেলিকপ্টার, ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি দমকল কর্মী ও জাপান আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি ভবন পুড়ে গেছে, তবে সব বাসিন্দাকে আগেই নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আগুন নেভানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং পরে আরও তথ্য জানানো হবে।’

ওৎসুচির এক বাসিন্দা জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে-কে বলেন, ‘আমি আশা করছি, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হবে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে শুষ্কতা বাড়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে।

গত বছর ইওয়াতে অঞ্চলের ওফুনাতো শহরের আগুন ছিল অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন খরা আরও দীর্ঘ ও তীব্র করে তুলছে, যা দাবানলের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।