ভিয়েনা ০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে দুস্থ পরিবার, রোগী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ ধলেশ্বরী নদী থেকে বালু উত্তোলন, হুমকিতে সেতু রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রেমের বিয়ের তিন মাস পর নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে স্বৈরাচারের দোসররা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও গণ মিছিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের আয়োজনে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেল স্ত্রী

অস্ট্রিয়ায় লকডাউন বাড়লো ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী !

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:১০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১
  • ১৪৫ সময় দেখুন

২৫ জানুয়ারী থেকে গণপরিবহন ও সুপারমার্কেটে FFP2 মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

ইউরোপ ডেস্কঃ আজ রবিবার ১৭ জানুয়ারী অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান চ্যান্সেলর(প্রধানমন্ত্রী) সেবাস্তিয়ান কুর্জ চলমান লকডাউনটি আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বর্ধিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান দেশের সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ,সামাজিক অংশীদার(বিভিন্ন সংস্থা) এবং ৯ টি রাজ্যের গভর্নরদের সাথে বৈঠকের পর সকলের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আমরা অনেকটাই স্বাভাবিকতায় ফিরে এসেছিলাম কিন্ত বর্তমানে বৃটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মিউটেশন ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনরায় হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন বর্ধিত ও বিধিনিষেধ কঠোর করা ছাড়া আমাদের হাতে আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। তিনি আরও জানান,গত ৭ দিনে অস্ট্রিয়ায় প্রতি ১,০০,০০০ লাখ জনপদে করোনার গড় সংক্রমণ ৫০ জনের উপরে এবং প্রতিদিনের গড় সংক্রমণ ৭০০ এর উপরে। আমরা যদি এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন না করি তাহলে আগামী মার্চ মাসে তা ভয়ঙ্কর রূপে আত্মপ্রকাশ করবে। তিনি সকলকেই পরিস্থিতি বিবেচনায় সতর্কতা অবলম্বন ও সরকারের বিধিনিষেধ যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ করেন।

এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুডল্ফ আনস্কোবার বলেন,বৃটেনের পরিবর্তিত মিউটেশন ভাইরাসে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০ জনের উপরে ছাড়িয়ে গেছে। ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বর্ধিত লকডাউনে আরও কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে,সে সম্পর্কে নিম্নে কিছুটা আলোচনা করা হ’ল।বর্তমানে সামাজিক দূরত্ব ১ মিটারের পরিবর্তে এখন ২ মিটার দূরত্ব মেনে চলতে হবে। ২৫ জানুয়ারী থেকে সমগ্র অস্ট্রিয়ায় FFP2 মাস্ক পড়া নিম্নলিখিত স্থানে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যেমন,গণপরিবহন, সুপারমার্কেট,বাজার ডাকঘর, ফার্মেসী বা ওষুধের দোকানে। সরকার এই FFP2 মাস্কের মূল্য বাজারে কমিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন যাতে সকলের জন্য সহজলভ্য হয়।

অস্ট্রিয়ার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনরায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সেমিস্টারের ছুটির পর অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধুমাত্র ভিয়েনা এবং Niederösterreich রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে এবং অন্যান্য রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে। এই সময়ের মধ্যে Distance Learning বা অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অস্ট্রিয়ার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যেখানেই সম্ভব দ্রুত হোম অফিস প্রবর্তন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য,হেয়ার ড্রেসার শপিংমল ইত্যাদি দোকান-পাট খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে। তবে গ্যাস্ট্রনোমি এবং পর্যটন শিল্প পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে মার্চ মাসে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পূর্বের মতোই রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার ডেলিভারী নেওয়া যাবে এবং অনলাইন রেস্টুরেন্ট ও ফাস্ট ফুডের সার্ভিস অব্যাহত থাকবে।

কবির আহমেদ /ইউবি টাইমস

Tag :

টাঙ্গাইলে দুস্থ পরিবার, রোগী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অস্ট্রিয়ায় লকডাউন বাড়লো ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী !

আপডেটের সময় ০২:১০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

২৫ জানুয়ারী থেকে গণপরিবহন ও সুপারমার্কেটে FFP2 মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

ইউরোপ ডেস্কঃ আজ রবিবার ১৭ জানুয়ারী অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান চ্যান্সেলর(প্রধানমন্ত্রী) সেবাস্তিয়ান কুর্জ চলমান লকডাউনটি আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বর্ধিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান দেশের সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ,সামাজিক অংশীদার(বিভিন্ন সংস্থা) এবং ৯ টি রাজ্যের গভর্নরদের সাথে বৈঠকের পর সকলের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আমরা অনেকটাই স্বাভাবিকতায় ফিরে এসেছিলাম কিন্ত বর্তমানে বৃটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মিউটেশন ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনরায় হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন বর্ধিত ও বিধিনিষেধ কঠোর করা ছাড়া আমাদের হাতে আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। তিনি আরও জানান,গত ৭ দিনে অস্ট্রিয়ায় প্রতি ১,০০,০০০ লাখ জনপদে করোনার গড় সংক্রমণ ৫০ জনের উপরে এবং প্রতিদিনের গড় সংক্রমণ ৭০০ এর উপরে। আমরা যদি এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন না করি তাহলে আগামী মার্চ মাসে তা ভয়ঙ্কর রূপে আত্মপ্রকাশ করবে। তিনি সকলকেই পরিস্থিতি বিবেচনায় সতর্কতা অবলম্বন ও সরকারের বিধিনিষেধ যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ করেন।

এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুডল্ফ আনস্কোবার বলেন,বৃটেনের পরিবর্তিত মিউটেশন ভাইরাসে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০ জনের উপরে ছাড়িয়ে গেছে। ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বর্ধিত লকডাউনে আরও কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে,সে সম্পর্কে নিম্নে কিছুটা আলোচনা করা হ’ল।বর্তমানে সামাজিক দূরত্ব ১ মিটারের পরিবর্তে এখন ২ মিটার দূরত্ব মেনে চলতে হবে। ২৫ জানুয়ারী থেকে সমগ্র অস্ট্রিয়ায় FFP2 মাস্ক পড়া নিম্নলিখিত স্থানে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যেমন,গণপরিবহন, সুপারমার্কেট,বাজার ডাকঘর, ফার্মেসী বা ওষুধের দোকানে। সরকার এই FFP2 মাস্কের মূল্য বাজারে কমিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন যাতে সকলের জন্য সহজলভ্য হয়।

অস্ট্রিয়ার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনরায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সেমিস্টারের ছুটির পর অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধুমাত্র ভিয়েনা এবং Niederösterreich রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে এবং অন্যান্য রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে। এই সময়ের মধ্যে Distance Learning বা অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অস্ট্রিয়ার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যেখানেই সম্ভব দ্রুত হোম অফিস প্রবর্তন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য,হেয়ার ড্রেসার শপিংমল ইত্যাদি দোকান-পাট খুলবে ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে। তবে গ্যাস্ট্রনোমি এবং পর্যটন শিল্প পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে মার্চ মাসে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পূর্বের মতোই রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার ডেলিভারী নেওয়া যাবে এবং অনলাইন রেস্টুরেন্ট ও ফাস্ট ফুডের সার্ভিস অব্যাহত থাকবে।

কবির আহমেদ /ইউবি টাইমস