ভিয়েনা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সেতুতে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি, টাঙ্গাইলে প্রকৌশলী-ঠিকাদারকে শোকজ ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে চরফ্যাশন ব্যবসায়ী সমিতির সংবাদ সম্মেলন ২৪.২ মেগাপিক্সেলের নতুন ক্যামেরা আনল ক্যানন, ওজন মাত্র ৫৪৬ গ্রাম স্পিকারের সাথে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে ‘জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সোমবার নিউইয়র্কে মাখোঁর সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক

আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৮ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : হুথিদের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সহিংসতার মধ্যে শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাইছে রিয়াদ। এই যুদ্ধ আশপাশের কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর দিয়ে নৌযান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইরান এই যুদ্ধ ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুথিদের আরও সক্রিয় করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবেও হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন ক্রমেই কম নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে।

চুক্তিতে তিন দেশ ‘সমষ্টিগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং অঞ্চল ও এর বাইরেও শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়’ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর লক্ষ্য হলো ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা’।

তবে, পরে তুরস্ক জানায়, চুক্তিটি ‘কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়’। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের যোগাযোগ পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান।

তুরস্ক সরকারের অপতথ্যবিরোধী সংস্থাও এক্সে দেওয়া পৃথক এক পোস্টে বলেছে, ‘ন্যাটোর মূল অঙ্গীকারসহ তুরস্কের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জোটগুলোর প্রতি দায়িত্বের সঙ্গে এই চুক্তি সাংঘর্ষিক নয়।’

রিয়াদও স্পষ্ট করে বলেছে, ‘এই চুক্তি কোনো সামরিক জোট বা সাম্প্রদায়িক বলয় গঠনের উদ্যোগ নয়।’

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি এক্সে বলেন, ‘এটি কোনো পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা অস্ত্র প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত নয়; বরং টেকসই সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি এই অঞ্চলের কোনো দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।’
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

সেতুতে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি, টাঙ্গাইলে প্রকৌশলী-ঠিকাদারকে শোকজ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই

আপডেটের সময় ১০:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : হুথিদের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সহিংসতার মধ্যে শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাইছে রিয়াদ। এই যুদ্ধ আশপাশের কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর দিয়ে নৌযান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইরান এই যুদ্ধ ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুথিদের আরও সক্রিয় করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবেও হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন ক্রমেই কম নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে।

চুক্তিতে তিন দেশ ‘সমষ্টিগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং অঞ্চল ও এর বাইরেও শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়’ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর লক্ষ্য হলো ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা’।

তবে, পরে তুরস্ক জানায়, চুক্তিটি ‘কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়’। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের যোগাযোগ পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান।

তুরস্ক সরকারের অপতথ্যবিরোধী সংস্থাও এক্সে দেওয়া পৃথক এক পোস্টে বলেছে, ‘ন্যাটোর মূল অঙ্গীকারসহ তুরস্কের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জোটগুলোর প্রতি দায়িত্বের সঙ্গে এই চুক্তি সাংঘর্ষিক নয়।’

রিয়াদও স্পষ্ট করে বলেছে, ‘এই চুক্তি কোনো সামরিক জোট বা সাম্প্রদায়িক বলয় গঠনের উদ্যোগ নয়।’

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি এক্সে বলেন, ‘এটি কোনো পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা অস্ত্র প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত নয়; বরং টেকসই সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি এই অঞ্চলের কোনো দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।’
ঢাকা/এসএস