ভিয়েনা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানে তরুণীর মৃত্যুদণ্ড ! ২৯ অক্টোবর এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানি ! দেবী মহিষাসুরমর্দিনীর রূপে পর্দায় ফিরছেন ইন্দ্রানী দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পতিত সরকারের দোসরদের বিরুদ্ধে: রিজভী শৈলকুপায় বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে শিশুদের বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষা অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু সোয়া ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দলে নেই আলজারি জোসেফ, বিশ্রামে শাই হোপ

তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭২ সময় দেখুন

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম

ইবিটাইমস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে আছে সফরকারী বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে টাইগাররা।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে ৪২৬ রান করে বাংলাদেশ। এতে ২২৮ রানের লিড পায় টাইগাররা। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের ব্যাটে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করে টাইগাররা।

তৃতীয় দিনের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন হাসান মাহমুদ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। ৯২ বল খেলে ১৪ রান করেন হাসান। সপ্তম উইকেটে মিরাজের সঙ্গে ১৭০ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়েন তিনি।

এরপর নয় নম্বরে নেমে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তাইজুল ইসলাম। একটি করে চার ও ছক্কা হাঁকালেও হ্যাজেলউডের বলে গালিতে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৩ বলে ১৭ রান করেন তাইজুল।

দলীয় ৩৭২ রানে তাইজুল ফেরার পর বাংলাদেশের রান ৪০০ পার করেন মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। এ সময় টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬৫ রান করেন তিনি।

দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই হ্যাজেলউডের বলে উইকেটের পেছনে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মিরাজ। তার সঙ্গে তাসকিনের ৪৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে বড় লিড এনে দেয়।

মিরাজকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের পঞ্চম এবং টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০০তম উইকেট পূর্ণ করেন হ্যাজেলউড। নবম বোলার হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

শেষ ব্যাটার এবাদত হোসেনকেও শিকার করেন হ্যাজেলউড। ফলে ৪২৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করা ৪২৭ রান এখনো সর্বোচ্চ।

এবাদত ৭ রানে আউট হলেও ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন আহমেদ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যাজেলউড ৮৯ রানে ৬ উইকেট নেন।

২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেই আবারও হাসান মাহমুদের তোপের মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় রান খোলার আগেই ওপেনার জ্যাক ওয়েদারাল্ডকে বোল্ড করেন হাসান।
এরপর আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকেও ফেরান এই পেসার। ৩ চারে ১৭ রান করা হেডকে বোল্ড করেন হাসান।

৩৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভেন স্মিথ। ৩৬ রান যোগ হওয়ার পর সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৩১ রানে লাবুশেনকে বোল্ড করেন তিনি।

দলীয় ৭৩ রানে লাবুশেন ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার রান ১০০ পার করেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন। তবে ৮৮ বল খেলে উইকেটে সেট হয়ে যাওয়া স্মিথকে ফিরতি ক্যাচে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪৪ রান করেন স্মিথ।

১২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া অস্ট্রেলিয়াকে দিনের শেষভাগে আর কোনো বিপদে পড়তে দেননি গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। পঞ্চম উইকেটে ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন তারা। গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ২টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচে ৬৭ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিনে নামবে বাংলাদেশ।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

ইরানে তরুণীর মৃত্যুদণ্ড !

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

আপডেটের সময় ০১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে আছে সফরকারী বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে টাইগাররা।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে ৪২৬ রান করে বাংলাদেশ। এতে ২২৮ রানের লিড পায় টাইগাররা। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের ব্যাটে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করে টাইগাররা।

তৃতীয় দিনের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন হাসান মাহমুদ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। ৯২ বল খেলে ১৪ রান করেন হাসান। সপ্তম উইকেটে মিরাজের সঙ্গে ১৭০ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়েন তিনি।

এরপর নয় নম্বরে নেমে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তাইজুল ইসলাম। একটি করে চার ও ছক্কা হাঁকালেও হ্যাজেলউডের বলে গালিতে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৩ বলে ১৭ রান করেন তাইজুল।

দলীয় ৩৭২ রানে তাইজুল ফেরার পর বাংলাদেশের রান ৪০০ পার করেন মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। এ সময় টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬৫ রান করেন তিনি।

দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই হ্যাজেলউডের বলে উইকেটের পেছনে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মিরাজ। তার সঙ্গে তাসকিনের ৪৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে বড় লিড এনে দেয়।

মিরাজকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের পঞ্চম এবং টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০০তম উইকেট পূর্ণ করেন হ্যাজেলউড। নবম বোলার হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

শেষ ব্যাটার এবাদত হোসেনকেও শিকার করেন হ্যাজেলউড। ফলে ৪২৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টের প্রথম ইনিংসে করা ৪২৭ রান এখনো সর্বোচ্চ।

এবাদত ৭ রানে আউট হলেও ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন আহমেদ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যাজেলউড ৮৯ রানে ৬ উইকেট নেন।

২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেই আবারও হাসান মাহমুদের তোপের মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় রান খোলার আগেই ওপেনার জ্যাক ওয়েদারাল্ডকে বোল্ড করেন হাসান।
এরপর আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকেও ফেরান এই পেসার। ৩ চারে ১৭ রান করা হেডকে বোল্ড করেন হাসান।

৩৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভেন স্মিথ। ৩৬ রান যোগ হওয়ার পর সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৩১ রানে লাবুশেনকে বোল্ড করেন তিনি।

দলীয় ৭৩ রানে লাবুশেন ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার রান ১০০ পার করেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন। তবে ৮৮ বল খেলে উইকেটে সেট হয়ে যাওয়া স্মিথকে ফিরতি ক্যাচে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪৪ রান করেন স্মিথ।

১২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া অস্ট্রেলিয়াকে দিনের শেষভাগে আর কোনো বিপদে পড়তে দেননি গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। পঞ্চম উইকেটে ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন তারা। গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ২টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচে ৬৭ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিনে নামবে বাংলাদেশ।
ঢাকা/এসএস