ভিয়েনা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন স্টেডিয়ামে নারী খেলোয়াড়দের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, ঝালকাঠিতে যুবক আটক লালমোহনে কৃতী ২০০ শিক্ষার্থী পেল সংবর্ধনা ইরান যুদ্ধে বিপুল গোলাবারুদ খরচ, সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সিলেটে শাহজালাল-শাহপরানের মাজার জিয়ারত রাষ্ট্রপতির জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড পে স্কেলের গেজেট ১৭, ২১ নাকি ২২ সেপ্টেম্বর? গোলা বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা ভারতে নতুন দেওয়ানি আইন, উদ্বেগে মুসলিমরা গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে সমাজ অগ্রগতির পথে এগোতে পারে: শফিকুর রহমান

চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৫ সময় দেখুন

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাশন : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান ও কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মনগড়া ও মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান শিক্ষকরা। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খোরশেদ আলম। এ সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা ও সিনিয়র শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, বাহারুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও ফিরোজ নান্টুসহ অন্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষকরা দাবি করেন, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘কমিশন বাণিজ্য’ এবং ফাইল আটকে শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলো ষড়যন্ত্রমূলক ও কাল্পনিক।

শিক্ষকদের অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং শিক্ষা অফিস থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান চরফ্যাশনে যোগদানের পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করা এবং নিয়মিত বিদ্যালয় মনিটরিং করে আসছেন। এতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন শিক্ষকরা।

বরাদ্দ ও হয়রানির অভিযোগও ভিত্তিহীন দাবি

শিক্ষকরা দাবি করেন, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দে অনিয়ম এবং শিক্ষকদের হয়রানি নিয়ে যে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোও সত্য নয়। শিক্ষক সমাজের কেউ শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করেননি বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, চলমান পদোন্নতি ও বদলির কাজে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে একটি মহল শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এসব কার্যক্রম কোনো ধরনের অর্থ ছাড়াই পরিচালনা করছে বলে দাবি করেন তারা।

এ ছাড়া শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে চাঁদাবাজির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। শিক্ষকরা দাবি করেন, ২০২২ সালেও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তৎকালীন শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৮৫ নম্বর মধ্য উত্তর মাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই, ৬৯ নম্বর মধ্য উত্তর ফ্যাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই এবং ৫৩ নম্বর গফুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) শফিকুল ইসলাম বাবুলের নাম উল্লেখ করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে পদোন্নতির সময় ভালো বিদ্যালয়ে পদায়নের কথা বলে অর্থ আদায়, বদলির নামে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া, ‘স্লিপ’ ও ‘নিড বেইজ’-এর কথা বলে অর্থ আদায়, ইউআরসি প্রশিক্ষণে প্রতি ব্যাচে টাকা নেওয়া, ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের নামে অর্থ আদায় এবং বিভিন্ন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে তদন্তের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সবার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ৬৯ নম্বর মধ্য উত্তর ফ্যাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) আবদুল হাই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, ‘ওনাদের সঙ্গে আমার কমিটি নিয়ে বিরোধ আছে। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

সংবাদ প্রত্যাহারের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সংবাদ প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে এসব সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ সময় ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান শিক্ষকরা। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময় ১২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাশন : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান ও কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মনগড়া ও মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান শিক্ষকরা। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খোরশেদ আলম। এ সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা ও সিনিয়র শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, বাহারুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও ফিরোজ নান্টুসহ অন্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষকরা দাবি করেন, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘কমিশন বাণিজ্য’ এবং ফাইল আটকে শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলো ষড়যন্ত্রমূলক ও কাল্পনিক।

শিক্ষকদের অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং শিক্ষা অফিস থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান চরফ্যাশনে যোগদানের পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করা এবং নিয়মিত বিদ্যালয় মনিটরিং করে আসছেন। এতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন শিক্ষকরা।

বরাদ্দ ও হয়রানির অভিযোগও ভিত্তিহীন দাবি

শিক্ষকরা দাবি করেন, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দে অনিয়ম এবং শিক্ষকদের হয়রানি নিয়ে যে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোও সত্য নয়। শিক্ষক সমাজের কেউ শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করেননি বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, চলমান পদোন্নতি ও বদলির কাজে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে একটি মহল শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এসব কার্যক্রম কোনো ধরনের অর্থ ছাড়াই পরিচালনা করছে বলে দাবি করেন তারা।

এ ছাড়া শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে চাঁদাবাজির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। শিক্ষকরা দাবি করেন, ২০২২ সালেও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তৎকালীন শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৮৫ নম্বর মধ্য উত্তর মাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই, ৬৯ নম্বর মধ্য উত্তর ফ্যাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই এবং ৫৩ নম্বর গফুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) শফিকুল ইসলাম বাবুলের নাম উল্লেখ করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে পদোন্নতির সময় ভালো বিদ্যালয়ে পদায়নের কথা বলে অর্থ আদায়, বদলির নামে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া, ‘স্লিপ’ ও ‘নিড বেইজ’-এর কথা বলে অর্থ আদায়, ইউআরসি প্রশিক্ষণে প্রতি ব্যাচে টাকা নেওয়া, ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের নামে অর্থ আদায় এবং বিভিন্ন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে তদন্তের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সবার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ৬৯ নম্বর মধ্য উত্তর ফ্যাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) আবদুল হাই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, ‘ওনাদের সঙ্গে আমার কমিটি নিয়ে বিরোধ আছে। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

সংবাদ প্রত্যাহারের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সংবাদ প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে এসব সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ সময় ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান শিক্ষকরা। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস