ভিয়েনা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুকে হটাতে বিরোধী জোটের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়াল আরব দলগুলো লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যু, ঘাতক যান অজ্ঞাত শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: শিক্ষামন্ত্রী দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, তবু যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো? চোটে মুশফিক ছিটকে গেলেন, মিরপুর টেস্টে খেলছেন হৃদয় বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান লালমোহনে টেন্ডার ছাড়াই অর্ধ কোটি টাকার গাছ কর্তন! ইউএনও’র নীরব ভূমিকা ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষার অভিযানে হামলা, আহত ৭ চরফ্যাশনে কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৭০ সময় দেখুন

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে (৯) অপহরণ করে হত্যা করার দায়ে সাব্বির মিয়া (২১) নামের এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে বিভিন্ন ধারায় আরও কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সাব্বির মিয়া সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে সাব্বির তাকে অপহরণ করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে সামিয়া পালানোর চেষ্টা করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের ধানক্ষেতের ড্রেনে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখে আসামি।
এরপর নিজের পরিচয় গোপন করে একটি ইমু আইডি থেকে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সাব্বির। এ ঘটনায় ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দীপু জানান, বিচার শেষে আদালত হত্যার দায়ে সাব্বির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটকে রাখার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুমের চেষ্টা ও আলামত নষ্টের দায়ে আরও ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুকে হটাতে বিরোধী জোটের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়াল আরব দলগুলো

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময় ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে (৯) অপহরণ করে হত্যা করার দায়ে সাব্বির মিয়া (২১) নামের এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে বিভিন্ন ধারায় আরও কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সাব্বির মিয়া সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে সাব্বির তাকে অপহরণ করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে সামিয়া পালানোর চেষ্টা করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের ধানক্ষেতের ড্রেনে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখে আসামি।
এরপর নিজের পরিচয় গোপন করে একটি ইমু আইডি থেকে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সাব্বির। এ ঘটনায় ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দীপু জানান, বিচার শেষে আদালত হত্যার দায়ে সাব্বির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটকে রাখার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুমের চেষ্টা ও আলামত নষ্টের দায়ে আরও ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস