ভিয়েনা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, স্বামীও আহত নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে উঠবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, চরফ্যাশনের তামিম বেকারিকে জরিমানা আদালতের রায়ের পরও জমি দখলের অভিযোগ, প্রতিকার চান আনোয়ার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে কালিহাতীতে সুজন সাহা গ্রেপ্তার ব্যক্তির উদ্যোগে বদলে গেল টাঙ্গাইলের ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা ‘আমেরিকানরা যুদ্ধের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন’: ইরানের প্রধান আলোচক

চিকিৎসাধীন তিনজনের মৃত্যু, কোটা আন্দোলনে নিহত বেড়ে ২০৬

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪
  • ১১৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ এবং পরে সংঘাতে আহত আরও তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তারা হলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ (২০), মাইন উদ্দিন (২৫) ও দোকানকর্মী মো. ইয়াছিন (১৭)।

ইমতিয়াজ গতকাল শুক্রবার ভোরে ও ইয়াছিন বেলা ১১টার দিকে এবং মাইন উদ্দিন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে মারা যান। এ নিয়ে কোটা আন্দোলন ঘিরে সংঘাতে ২০৬ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেল। বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র ও নিহতদের স্বজনের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ঢামেক হাসপাতালে মারা গেছেন দু’জন। হাসপাতাল সূত্র ও স্বজনদের তথ্যমতে, ইমতিয়াজ গত ১৯ জুলাই রামপুরা এলাকায় সংঘাতের সময় গুলিবিদ্ধ হন। এর পর ঢামেক হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তাঁর গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায়। বাবার নাম নওশের আলী। তেজগাঁও এলাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইমতিয়াজ বনশ্রী এলাকার একটি মেসে থাকতেন। বাবা নওশের আলী জানান, দুই ভাইবোনের মধ্যে ইমতিয়াজ ছিলেন বড়।

নিহত মাইন উদ্দিনের মা মাহফুজা বেগম জানান, তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে। তবে তারা থাকতেন রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায়। মাইন প্রাইভেট পড়াতেন। ২১ জুলাই রায়েরবাগে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দোকানের কর্মচারী ইয়াছিন মারা যান। ২১ জুলাই শনির আখড়ায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এর পর মুগদা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য গতকাল দুপুরে তাঁর লাশ ঢামেক মর্গে পাঠায় পুলিশ। তাঁর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে।

মর্গ সূত্র জানায়, গতকাল ঢামেক মর্গে তিন লাশেরই ময়নাতদন্ত করা হয়।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চিকিৎসাধীন তিনজনের মৃত্যু, কোটা আন্দোলনে নিহত বেড়ে ২০৬

আপডেটের সময় ০৯:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ এবং পরে সংঘাতে আহত আরও তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তারা হলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ (২০), মাইন উদ্দিন (২৫) ও দোকানকর্মী মো. ইয়াছিন (১৭)।

ইমতিয়াজ গতকাল শুক্রবার ভোরে ও ইয়াছিন বেলা ১১টার দিকে এবং মাইন উদ্দিন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে মারা যান। এ নিয়ে কোটা আন্দোলন ঘিরে সংঘাতে ২০৬ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেল। বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র ও নিহতদের স্বজনের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ঢামেক হাসপাতালে মারা গেছেন দু’জন। হাসপাতাল সূত্র ও স্বজনদের তথ্যমতে, ইমতিয়াজ গত ১৯ জুলাই রামপুরা এলাকায় সংঘাতের সময় গুলিবিদ্ধ হন। এর পর ঢামেক হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তাঁর গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায়। বাবার নাম নওশের আলী। তেজগাঁও এলাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইমতিয়াজ বনশ্রী এলাকার একটি মেসে থাকতেন। বাবা নওশের আলী জানান, দুই ভাইবোনের মধ্যে ইমতিয়াজ ছিলেন বড়।

নিহত মাইন উদ্দিনের মা মাহফুজা বেগম জানান, তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে। তবে তারা থাকতেন রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায়। মাইন প্রাইভেট পড়াতেন। ২১ জুলাই রায়েরবাগে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দোকানের কর্মচারী ইয়াছিন মারা যান। ২১ জুলাই শনির আখড়ায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এর পর মুগদা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য গতকাল দুপুরে তাঁর লাশ ঢামেক মর্গে পাঠায় পুলিশ। তাঁর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে।

মর্গ সূত্র জানায়, গতকাল ঢামেক মর্গে তিন লাশেরই ময়নাতদন্ত করা হয়।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন