ভিয়েনা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে রেলক্রসিংয়ে আটকে গেল বালুবাহী ট্রাক, লাল পতাকা উড়িয়ে থামানো হলো ট্রেন চরফ্যাশনে দুর্গন্ধময় ময়লার ভাগাড়ে গড়ে উঠছে দৃষ্টিনন্দন গ্রিন জোন লালমোহন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ গ্রেপ্তার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভাঙা ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি, আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা গৃহবন্দি থাকার শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা, ৪৯২ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ৮ সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত

লালমোহনে ১৫ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ: সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০০ সময় দেখুন

লালমোহনে ১৫ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ

ইবিটাইমস ডেস্ক : ভোলার লালমোহনে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির ১৫টি প্রকল্পে কাজ না করে এবং আংশিক কাজ করে ৩৫ লাখ ৩ হাজার ৩৩৩ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বরিশাল (ভোলা) সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় মোট ৩৫৬টি প্রকল্প নেওয়া হয়।

এর মধ্যে ১১টি প্রকল্পে কোনো কাজ না করেই ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৩ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া লালমোহনের চারটি প্রকল্পে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম কাজ করে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী, লালমোহনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ ঘোষ, তজুমদ্দিনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সেলিম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সভাপতিরা। সব মিলিয়ে আসামির সংখ্যা ১৮ জন।

দুদকের তদন্তে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। এর ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

তবে চার্জশিটে অভিযোগ আনা হয়েছে; আদালতে বিচার শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে রেলক্রসিংয়ে আটকে গেল বালুবাহী ট্রাক, লাল পতাকা উড়িয়ে থামানো হলো ট্রেন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে ১৫ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ: সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেটের সময় ০৩:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : ভোলার লালমোহনে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির ১৫টি প্রকল্পে কাজ না করে এবং আংশিক কাজ করে ৩৫ লাখ ৩ হাজার ৩৩৩ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বরিশাল (ভোলা) সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় মোট ৩৫৬টি প্রকল্প নেওয়া হয়।

এর মধ্যে ১১টি প্রকল্পে কোনো কাজ না করেই ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৩ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া লালমোহনের চারটি প্রকল্পে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম কাজ করে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী, লালমোহনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ ঘোষ, তজুমদ্দিনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সেলিম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সভাপতিরা। সব মিলিয়ে আসামির সংখ্যা ১৮ জন।

দুদকের তদন্তে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। এর ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

তবে চার্জশিটে অভিযোগ আনা হয়েছে; আদালতে বিচার শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ঢাকা/এসএস