শেখ ইমন, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে নামের আংশিক মিল থাকায় এক কলেজছাত্র ও ব্যবসায়ীকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল খালেক।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ভাতিজা রাকিব হাসান বন্ধন একজন কলেজছাত্র ও ব্যবসায়ী। সম্প্রতি ইউনিয়নভিত্তিক সার ডিলার নিয়োগের জন্য তিনি আবেদন করেছেন। তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের একটি ছাত্রলীগের কমিটিতে তার সদস্যপদ রয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
আব্দুল খালেক দাবি করেন, ওই কমিটিতে ‘বন্ধন মিয়া’ নামে এক ব্যক্তির নাম রয়েছে। তবে তার ভাতিজার পূর্ণ নাম রাকিব হাসান বন্ধন। নামের আংশিক মিলের কারণে ওই ব্যক্তিকে তার ভাতিজা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিব হাসান বন্ধন মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন এবং পুলিশের গুলিতে আহত হন। এর স্বপক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কিছু ছবি ও ভিডিও উপস্থাপন করা হয়।
এ সময় তিনি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রাকিব হাসান বন্ধন, পাগলা কানাই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইমান মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গনজের আলী খাঁ এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ২০২৩ সালের কমিটির বিষয়ে সদর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি অনু মুঠোফোনে বলেন, ২০২৩ সালে তারা একটি আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছিলেন। ওই কমিটিতে ‘বন্ধন মিয়া’ নামে একজনের নাম রয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি রাকিব হাসান বন্ধন নন এবং রাকিব হাসান বন্ধনের সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন তিনি।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস




















