ভিয়েনা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের নতুন ঘোষণা, আবেদন যেভাবে কৃষি অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালককে ‘থাপ্পড়ের হুমকি’, টেন্ডার নিয়ে বিরোধ লালমোহনে নানা আয়োজনে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উদযাপন লালমোহনে শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, অংশ নিল ২০০ শিক্ষার্থী ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, সুযোগ পাবেন ৮০ জন রাজাপুরে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কাঁঠালিয়ায় সাংবাদিক আমির খসরুর স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল দায়িত্বের বাইরে গিয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর, কাল থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, শিশুসহ নিহত ৬

ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষা অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:০২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ সময় দেখুন

বাঁধন রায়, ঝালকাঠি : ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে অভিযান চালিয়ে ২৬ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এসব অভিযানে জব্দ করা কারেন্ট জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঝালকাঠি জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর, কাঠালিয়া ও নলছিটি উপজেলার প্রায় ৮৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নদীতে জাল ফেলে জেলেরা পালিয়ে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

রাত থেকে সকাল পর্যন্ত মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসন পুলিশের সহযোগিতায় চারটি মোবাইল টিমের মাধ্যমে তিনটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দের পাশাপাশি ইলিশ সংরক্ষণে নদীতে নজরদারি জোরদার করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এ মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ সময়ে নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ এবং ইলিশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নজরদারি করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জেলেদের আইন মেনে চলার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের নতুন ঘোষণা, আবেদন যেভাবে

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষা অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ

আপডেটের সময় ০২:০২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাঁধন রায়, ঝালকাঠি : ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে অভিযান চালিয়ে ২৬ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এসব অভিযানে জব্দ করা কারেন্ট জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঝালকাঠি জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর, কাঠালিয়া ও নলছিটি উপজেলার প্রায় ৮৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নদীতে জাল ফেলে জেলেরা পালিয়ে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

রাত থেকে সকাল পর্যন্ত মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসন পুলিশের সহযোগিতায় চারটি মোবাইল টিমের মাধ্যমে তিনটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দের পাশাপাশি ইলিশ সংরক্ষণে নদীতে নজরদারি জোরদার করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এ মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ সময়ে নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ এবং ইলিশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নজরদারি করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জেলেদের আইন মেনে চলার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা/এসএস