ভিয়েনা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানে তরুণীর মৃত্যুদণ্ড ! ২৯ অক্টোবর এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানি ! দেবী মহিষাসুরমর্দিনীর রূপে পর্দায় ফিরছেন ইন্দ্রানী দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পতিত সরকারের দোসরদের বিরুদ্ধে: রিজভী শৈলকুপায় বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে শিশুদের বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষা অভিযানে ২৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ জব্দ ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু সোয়া ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দলে নেই আলজারি জোসেফ, বিশ্রামে শাই হোপ

বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ সময় দেখুন

বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা

ইবিটাইমস ডেস্ক : বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চলমান আলোচনা এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া আগামী কয়েক মাস ধরে চলতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকায়ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি, কর্মসূচি এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সমঝোতা রয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের গৃহীত নীতির সঙ্গেও সংস্থাটি একমত।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্যে ছিল। আগের সময়ের বিভিন্ন দায়দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব বিষয় বিশ্বব্যাংক উপলব্ধি করছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের পাশে থাকতে বিশ্বব্যাংক আগ্রহী। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সরকার যে অর্থনৈতিক কর্মসূচি ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করেছে, তার সঙ্গে সংস্থাটির পূর্ণ সমঝোতা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশও নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে।

এদিকে, মূল্যস্ফীতি ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পূর্বাভাস সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্য কোনো সংস্থার পূর্বাভাসকে বিতর্কিত করতে চায় না। সংস্থাগুলো নিজস্ব হিসাব ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব প্রক্ষেপণ করেছে।

তিনি বলেন, সরকার বাজেটে নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। বাজেটে দেওয়া প্রক্ষেপণগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

ইরানে তরুণীর মৃত্যুদণ্ড !

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা

আপডেটের সময় ১১:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চলমান আলোচনা এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া আগামী কয়েক মাস ধরে চলতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকায়ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি, কর্মসূচি এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সমঝোতা রয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের গৃহীত নীতির সঙ্গেও সংস্থাটি একমত।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্যে ছিল। আগের সময়ের বিভিন্ন দায়দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব বিষয় বিশ্বব্যাংক উপলব্ধি করছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের পাশে থাকতে বিশ্বব্যাংক আগ্রহী। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সরকার যে অর্থনৈতিক কর্মসূচি ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করেছে, তার সঙ্গে সংস্থাটির পূর্ণ সমঝোতা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশও নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে।

এদিকে, মূল্যস্ফীতি ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পূর্বাভাস সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্য কোনো সংস্থার পূর্বাভাসকে বিতর্কিত করতে চায় না। সংস্থাগুলো নিজস্ব হিসাব ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব প্রক্ষেপণ করেছে।

তিনি বলেন, সরকার বাজেটে নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। বাজেটে দেওয়া প্রক্ষেপণগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

ঢাকা/এসএস