ভিয়েনা ১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, স্বামীও আহত নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে উঠবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, চরফ্যাশনের তামিম বেকারিকে জরিমানা আদালতের রায়ের পরও জমি দখলের অভিযোগ, প্রতিকার চান আনোয়ার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে কালিহাতীতে সুজন সাহা গ্রেপ্তার ব্যক্তির উদ্যোগে বদলে গেল টাঙ্গাইলের ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা

ইরানের ইউরেনিয়াম ‘যুক্তরাষ্ট্রে’ আনা হবে: ট্রাম্প

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬১ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি হলে উভয় দেশ মিলে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে দেশটির পরমাণু কেন্দ্রগুলো থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শুক্রবার অ্যারিজোনার এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। অথচ এর আগেই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অন্য কোথাও পাঠানো হবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আমরা এই পরমাণু ধূলিকণা (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) কীভাবে সংগ্রহ করব? আমরা ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রচুর খননযন্ত্র নিয়ে সেখানে যাব এবং তা তুলে আনব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর জন্য আপনার কল্পনার চাইতেও বড় বড় খননযন্ত্রের প্রয়োজন হবে। তবে আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথেই সেখানে যাব। আমরা তা সংগ্রহ করে খুব দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে। তবে সেই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি। শুক্রবারের বক্তব্যে তিনি সেই দাবির পক্ষেই আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন।

ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ইউরেনিয়াম মজুত করছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দেশটির এই ইউরেনিয়াম মজুতকে ট্রাম্প প্রায়ই ‘পরমাণু ধূলিকণা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে কখনো কখনো গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ বোঝাতেও তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পকে শুক্রবার বেশ আশাবাদী মনে হয়েছে। তিনি এএফপি’কে জানান, চুক্তির পথে বড় কোনো ‘বাধা’ নেই এবং একটি চুক্তি হওয়ার সময় ‘খুবই ঘনিয়ে এসেছে’।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইরানের ইউরেনিয়াম ‘যুক্তরাষ্ট্রে’ আনা হবে: ট্রাম্প

আপডেটের সময় ১১:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি হলে উভয় দেশ মিলে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে দেশটির পরমাণু কেন্দ্রগুলো থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শুক্রবার অ্যারিজোনার এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। অথচ এর আগেই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অন্য কোথাও পাঠানো হবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আমরা এই পরমাণু ধূলিকণা (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) কীভাবে সংগ্রহ করব? আমরা ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রচুর খননযন্ত্র নিয়ে সেখানে যাব এবং তা তুলে আনব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর জন্য আপনার কল্পনার চাইতেও বড় বড় খননযন্ত্রের প্রয়োজন হবে। তবে আমরা ইরানের সঙ্গে একসাথেই সেখানে যাব। আমরা তা সংগ্রহ করে খুব দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে। তবে সেই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি। শুক্রবারের বক্তব্যে তিনি সেই দাবির পক্ষেই আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন।

ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ইউরেনিয়াম মজুত করছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দেশটির এই ইউরেনিয়াম মজুতকে ট্রাম্প প্রায়ই ‘পরমাণু ধূলিকণা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে কখনো কখনো গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ বোঝাতেও তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পকে শুক্রবার বেশ আশাবাদী মনে হয়েছে। তিনি এএফপি’কে জানান, চুক্তির পথে বড় কোনো ‘বাধা’ নেই এবং একটি চুক্তি হওয়ার সময় ‘খুবই ঘনিয়ে এসেছে’।
ঢাকা/এসএস