ভিয়েনা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে ‘জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সোমবার নিউইয়র্কে মাখোঁর সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক যুদ্ধের ধাক্কায় ইরানের অর্থনীতি সংকুচিত ১০ শতাংশের বেশি সোমবার নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি চীনা নাগরিকের কাছ থেকে বিমানবন্দরে আড়াই কেজি স্বর্ণ উদ্ধার এমপি হোস্টেলে গাজী নজরুলের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র লাশ উদ্ধার আব্দুস সালাম পিন্টুর হস্তক্ষেপে টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্নদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ফুলেল শ্রদ্ধা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১
  • ১৩১ সময় দেখুন

সাভার প্রতিনিধি : রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির ৮ বছর পূর্তিতে নিহত ও আহত শ্রমিকদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং তাদের আত্মীয় স্বজন।

শনিবার সকাল থেকেই সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন রানা প্লাজার সামনে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ – প্রতিরোধ অস্থায়ী বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্বজনরা বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় জড়িতদের বিচারকার্য দ্রুত শেষ করতে হবে। নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, ও তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।

গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, দীর্ঘ আট বছরেও ন্যায় বিচার পাইনি আমরা।  এ দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিক ও নিহতদের আত্মীয় স্বজন মানবেতর জীবন যাপন করছে। নামেমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে শ্রমিকদেরকে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় জড়িত রানা সহ প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এই নেত্রী।

রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির ৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল থেকেই ধ্বংসস্তূপ রানা প্লাজার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অস্থায়ী বেদীতে অল্প সময় অবস্থান করতে দেওয়া হচ্ছে শ্রদ্ধা জানাতে আসা শ্রমিক ও স্বজনদের।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন নয় তলা বিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবন  ধ্বসে পড়ে। ভবনটির ৩য় তলা থেকে ৯ম তলা পর্যন্ত পাঁচটি কারখানায় কাজ করতো প্রায় চার হাজার পোশাক শ্রমিক। এ দুর্ঘটনার এক হাজার ১৩৬ জন নিহত হয়। আর আহত হয় অসংখ্য শ্রমিক। যাদের অনেকেই এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির পরের দিনই সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়ের করার পাঁচদিন পর যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে রানাকে গ্রেফতার করা হয়।  তারপর থেকেই কারাগারে রয়েছে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা।

মোঃ জীবন হাওলাদার/ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ফুলেল শ্রদ্ধা

আপডেটের সময় ০৯:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

সাভার প্রতিনিধি : রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির ৮ বছর পূর্তিতে নিহত ও আহত শ্রমিকদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং তাদের আত্মীয় স্বজন।

শনিবার সকাল থেকেই সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন রানা প্লাজার সামনে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ – প্রতিরোধ অস্থায়ী বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্বজনরা বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় জড়িতদের বিচারকার্য দ্রুত শেষ করতে হবে। নিহত ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, ও তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।

গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, দীর্ঘ আট বছরেও ন্যায় বিচার পাইনি আমরা।  এ দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিক ও নিহতদের আত্মীয় স্বজন মানবেতর জীবন যাপন করছে। নামেমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে শ্রমিকদেরকে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় জড়িত রানা সহ প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এই নেত্রী।

রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির ৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল থেকেই ধ্বংসস্তূপ রানা প্লাজার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অস্থায়ী বেদীতে অল্প সময় অবস্থান করতে দেওয়া হচ্ছে শ্রদ্ধা জানাতে আসা শ্রমিক ও স্বজনদের।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন নয় তলা বিশিষ্ট রানা প্লাজা ভবন  ধ্বসে পড়ে। ভবনটির ৩য় তলা থেকে ৯ম তলা পর্যন্ত পাঁচটি কারখানায় কাজ করতো প্রায় চার হাজার পোশাক শ্রমিক। এ দুর্ঘটনার এক হাজার ১৩৬ জন নিহত হয়। আর আহত হয় অসংখ্য শ্রমিক। যাদের অনেকেই এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

রানা প্লাজা ট্র‍্যাজিডির পরের দিনই সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়ের করার পাঁচদিন পর যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে রানাকে গ্রেফতার করা হয়।  তারপর থেকেই কারাগারে রয়েছে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা।

মোঃ জীবন হাওলাদার/ইবি টাইমস