ভিয়েনা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে টেন্ডার ছাড়াই অর্ধ কোটি টাকার গাছ কর্তন! ইউএনও’র নীরব ভূমিকা ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঝালকাঠিতে ইলিশ রক্ষার অভিযানে হামলা, আহত ৭ চরফ্যাশনে কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শিক্ষাজীবন শেষ করেই চাকরি পাবে শিক্ষার্থীরা, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক লালমোহনে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চরফ্যাশনে কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন টেস্টে ৭ হাজার রানের মাইলফলকের সামনে মুশফিক, প্রয়োজন আর ৪৩ রান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন দিন ৩১ অক্টোবর

লালমোহনে গণভোটের হ্যাঁ-না’কে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৬ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় গণভোটে হ্যাঁ ও না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ টহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাজিরহাট বাজারের উত্তর মাথায় ব্রিজের সাথে ৬নং ওয়ার্ড সম্ভুপর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের কর্মী মো. ভুট্রু জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখে আলোচনা করছিলাম। এমন সময় বিএনপির কর্মী ইলিয়াস হাওলাদার এসে কেন হ্যাঁ ও না ভোট নিয়ে আলোচনা করছি এ বিষয়ে আমার সাথে তর্কাতর্কি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইলিয়াস ও তার ছেলে সিহাব এসে আমাকে মারধর করেন। আমার ডাক চিৎকারে বাজারের লোকজন চলে আসে। একপর্যায়ে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপির কর্মী ইলিয়াসের ছেলে সিহাব বলেন, ভুট্রু আগে আওয়ামীলীগ করেছে। ২০১০ সালের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজের স্টেজ ভেঙে নৃত্য করেছিল। ৫ আগস্টের পর সে জামায়াতে যোগ দিয়ে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আমার বাবা হাজির হাট বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। ভুট্রু বাজারে অস্থিতিশীল তৈরি করে বাজার লুটপাটের পাঁয়তারা করার চেষ্টা করছিল। এই বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে তার তর্কাতর্কি শুরু হয়। ভুট্টোর ছেলে এসে আমার বাবার গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে আমি সেখানে গেলে দুই‘পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাজারের লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলার লোকজন আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ব্যাপারে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা হাজির হাট বাজারের ঘটনা জানতে পারি। এরপর দ্রুত থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কাউকে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর টিম আমাদের সাথে যোগ দেয় এবং লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

লালমোহনে টেন্ডার ছাড়াই অর্ধ কোটি টাকার গাছ কর্তন! ইউএনও’র নীরব ভূমিকা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে গণভোটের হ্যাঁ-না’কে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি

আপডেটের সময় ১১:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় গণভোটে হ্যাঁ ও না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ টহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাজিরহাট বাজারের উত্তর মাথায় ব্রিজের সাথে ৬নং ওয়ার্ড সম্ভুপর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের কর্মী মো. ভুট্রু জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখে আলোচনা করছিলাম। এমন সময় বিএনপির কর্মী ইলিয়াস হাওলাদার এসে কেন হ্যাঁ ও না ভোট নিয়ে আলোচনা করছি এ বিষয়ে আমার সাথে তর্কাতর্কি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইলিয়াস ও তার ছেলে সিহাব এসে আমাকে মারধর করেন। আমার ডাক চিৎকারে বাজারের লোকজন চলে আসে। একপর্যায়ে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপির কর্মী ইলিয়াসের ছেলে সিহাব বলেন, ভুট্রু আগে আওয়ামীলীগ করেছে। ২০১০ সালের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজের স্টেজ ভেঙে নৃত্য করেছিল। ৫ আগস্টের পর সে জামায়াতে যোগ দিয়ে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আমার বাবা হাজির হাট বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। ভুট্রু বাজারে অস্থিতিশীল তৈরি করে বাজার লুটপাটের পাঁয়তারা করার চেষ্টা করছিল। এই বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে তার তর্কাতর্কি শুরু হয়। ভুট্টোর ছেলে এসে আমার বাবার গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে আমি সেখানে গেলে দুই‘পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাজারের লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলার লোকজন আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ব্যাপারে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা হাজির হাট বাজারের ঘটনা জানতে পারি। এরপর দ্রুত থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কাউকে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর টিম আমাদের সাথে যোগ দেয় এবং লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস