ভিয়েনা ০১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ-গ্যাসের মাফিয়া চক্রকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: মঞ্জু প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের টাঙ্গাইলে গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারসহ তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে তীব্র গ্যাস সংকট, ব্যাহত চালকদের কর্মঘণ্টা ও আয়-রোজগার বাংলাদেশকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় কলকারখানা ও তাঁতশিল্পে ধস, টাঙ্গাইলে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন লালমোহনে অটোরিকশার চাপায় শিশু নিহত তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

লালমোহনে গণভোটের হ্যাঁ-না’কে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৩ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় গণভোটে হ্যাঁ ও না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ টহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাজিরহাট বাজারের উত্তর মাথায় ব্রিজের সাথে ৬নং ওয়ার্ড সম্ভুপর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের কর্মী মো. ভুট্রু জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখে আলোচনা করছিলাম। এমন সময় বিএনপির কর্মী ইলিয়াস হাওলাদার এসে কেন হ্যাঁ ও না ভোট নিয়ে আলোচনা করছি এ বিষয়ে আমার সাথে তর্কাতর্কি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইলিয়াস ও তার ছেলে সিহাব এসে আমাকে মারধর করেন। আমার ডাক চিৎকারে বাজারের লোকজন চলে আসে। একপর্যায়ে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপির কর্মী ইলিয়াসের ছেলে সিহাব বলেন, ভুট্রু আগে আওয়ামীলীগ করেছে। ২০১০ সালের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজের স্টেজ ভেঙে নৃত্য করেছিল। ৫ আগস্টের পর সে জামায়াতে যোগ দিয়ে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আমার বাবা হাজির হাট বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। ভুট্রু বাজারে অস্থিতিশীল তৈরি করে বাজার লুটপাটের পাঁয়তারা করার চেষ্টা করছিল। এই বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে তার তর্কাতর্কি শুরু হয়। ভুট্টোর ছেলে এসে আমার বাবার গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে আমি সেখানে গেলে দুই‘পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাজারের লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলার লোকজন আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ব্যাপারে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা হাজির হাট বাজারের ঘটনা জানতে পারি। এরপর দ্রুত থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কাউকে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর টিম আমাদের সাথে যোগ দেয় এবং লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

বিদ্যুৎ-গ্যাসের মাফিয়া চক্রকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: মঞ্জু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে গণভোটের হ্যাঁ-না’কে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি

আপডেটের সময় ১১:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় গণভোটে হ্যাঁ ও না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ টহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাজিরহাট বাজারের উত্তর মাথায় ব্রিজের সাথে ৬নং ওয়ার্ড সম্ভুপর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের কর্মী মো. ভুট্রু জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখে আলোচনা করছিলাম। এমন সময় বিএনপির কর্মী ইলিয়াস হাওলাদার এসে কেন হ্যাঁ ও না ভোট নিয়ে আলোচনা করছি এ বিষয়ে আমার সাথে তর্কাতর্কি এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে ইলিয়াস ও তার ছেলে সিহাব এসে আমাকে মারধর করেন। আমার ডাক চিৎকারে বাজারের লোকজন চলে আসে। একপর্যায়ে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়ে এখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপির কর্মী ইলিয়াসের ছেলে সিহাব বলেন, ভুট্রু আগে আওয়ামীলীগ করেছে। ২০১০ সালের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজের স্টেজ ভেঙে নৃত্য করেছিল। ৫ আগস্টের পর সে জামায়াতে যোগ দিয়ে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আমার বাবা হাজির হাট বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। ভুট্রু বাজারে অস্থিতিশীল তৈরি করে বাজার লুটপাটের পাঁয়তারা করার চেষ্টা করছিল। এই বিষয় নিয়ে আমার বাবার সাথে তার তর্কাতর্কি শুরু হয়। ভুট্টোর ছেলে এসে আমার বাবার গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে আমি সেখানে গেলে দুই‘পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে বাজারের লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলার লোকজন আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ব্যাপারে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা হাজির হাট বাজারের ঘটনা জানতে পারি। এরপর দ্রুত থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। কাউকে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে নৌবাহিনীর টিম আমাদের সাথে যোগ দেয় এবং লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস