ভিয়েনা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী বরুন হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন ঝিনাইদহে নিখোঁজ ট্রাক হেলপারের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণা করবেন ট্রাম্প! খালেদা জিয়ার জন্মদিন আজ চিকিৎসক ও রোগীর আস্থা, সহানুভূতির বন্ধনই চিকিৎসাসেবার মূল ভিত্তি : প্রধানমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০, চলছে উদ্ধারকাজ

ঝালকাঠিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাল্টা চাষ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪
  • ১২৩ সময় দেখুন

ঝালকাঠ‌ি প্রতি‌নি‌ধিঃ লাভ জনক হওয়ায় ঝালকাঠিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাল্টা চাষ। অক্টোবর মাস থেকে মাল্টার কৃষকরা উত্তোলন করে বাজারজাত করেন। এখানকার মাঠ ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় ব্যাপক ফলনের পাশাপাশি চাহিদা এবং বাজারমূল্য ভাল হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তা মাল্টা চাষে এগিয়ে আসছেন। এই ফসল কৃষি অর্থর্নীতি সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখাসহ কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি করছে। মাল্টা চাষ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

২০১৫ সালে ঝালকাঠি জেলায় মাল্টা চাষ ছিটেফোটা আকারে শুরু হয় এবং ২০১৭ সাল থেকে বানিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ সম্প্রসারণ হতে শুরু করে। ২০১৮ সালের পর থেকে মাল্টা জেলার ৪টি উপজেলার উচু জায়গায় ব্যাপক হারে সম্প্রসারিত হয়েছে। একবার বাগান করার পরে ৫ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত পূর্ণমাত্রায় ফলন পাওয়া যায় এবং পরবতীতে এই গাছগুলিতে ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটে ও ফল ছোট হয়। কৃষকরা এই গাছ তুলে ফেলে সেখানে ধারবাহিকতা বজায় রেখে নতুন করে গাছের চারা রোপন করে। রাসায়নিক সারের ব্যাবহার এবং কিটনাশক ছিটাতে হয় পরিমিত মাত্রায় যে কারনে উৎপাদনের খরচও কম ।

অন্যদিকে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজারজাতে ঝামেলা কম এবং দামও ভাল। অল্প পুজিতে অধিক লাভজনক হওয়ায় মাল্টা চাষে ঝুকছে এলাকার যুবসমাজ। বর্তমানে জেলার চার উপজেলায় জেলায় বর্তর্মানে ১০৭ হেক্টর জমিতে ছোট বড় ১২’শ মাল্টা বাগান রয়েছে। জেলায় মাল্টার উৎপাদন ৬৫০ মেট্রিক টন এবং উৎপাদন গড় হেক্টর প্রতি ৬ মেট্রিক টন। ঝালকাঠি জেলায় প্রধানত বারি মাল্টা-১ জাতের চাষ হয়। বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টার চাষে ভাগ্য বদলেছে জেলার অনেক কৃষকের। বর্তমানে বাগান থেকে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

কোন কোন কৃষক ফলন পরিপুষ্ট না হওয়ার পূর্বেই প্রথম দিকে বাজার ধরার জন্য কাচা মাল্টা উত্তোলন করে বিক্রি করে যেকারনে সেই মাল্টার স্বাধ টক হয় এবং পুরিপুষ্ট হওয়া এই জাতের মাল্টা অত্যান্ত সুস্বাধু ও মিষ্টি হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার উৎপাদিত পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। মাল্টা বাগানকে ঘিরে কর্মসংস্থান হয়েছে কয়েক’শ মানুষের। কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা নিয়মিত বাগান পরিদর্শন এবং নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় বর্তর্মানে ১০৭ হেক্টর জমিতে মাল্টা আবাদ হচ্ছে। তারা উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনিয়ে প্রশিক্ষন ও পরামর্শ দিচ্ছেন। এ থেকে মোট ৬’শ ৫০ মেট্রিক টন মাল্টার উৎপাদনের লক্ষমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।  তবে এই চাষ এখন আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বাধন রায়/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাল্টা চাষ

আপডেটের সময় ০৯:৫৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

ঝালকাঠ‌ি প্রতি‌নি‌ধিঃ লাভ জনক হওয়ায় ঝালকাঠিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাল্টা চাষ। অক্টোবর মাস থেকে মাল্টার কৃষকরা উত্তোলন করে বাজারজাত করেন। এখানকার মাঠ ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় ব্যাপক ফলনের পাশাপাশি চাহিদা এবং বাজারমূল্য ভাল হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তা মাল্টা চাষে এগিয়ে আসছেন। এই ফসল কৃষি অর্থর্নীতি সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখাসহ কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি করছে। মাল্টা চাষ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

২০১৫ সালে ঝালকাঠি জেলায় মাল্টা চাষ ছিটেফোটা আকারে শুরু হয় এবং ২০১৭ সাল থেকে বানিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ সম্প্রসারণ হতে শুরু করে। ২০১৮ সালের পর থেকে মাল্টা জেলার ৪টি উপজেলার উচু জায়গায় ব্যাপক হারে সম্প্রসারিত হয়েছে। একবার বাগান করার পরে ৫ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত পূর্ণমাত্রায় ফলন পাওয়া যায় এবং পরবতীতে এই গাছগুলিতে ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটে ও ফল ছোট হয়। কৃষকরা এই গাছ তুলে ফেলে সেখানে ধারবাহিকতা বজায় রেখে নতুন করে গাছের চারা রোপন করে। রাসায়নিক সারের ব্যাবহার এবং কিটনাশক ছিটাতে হয় পরিমিত মাত্রায় যে কারনে উৎপাদনের খরচও কম ।

অন্যদিকে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজারজাতে ঝামেলা কম এবং দামও ভাল। অল্প পুজিতে অধিক লাভজনক হওয়ায় মাল্টা চাষে ঝুকছে এলাকার যুবসমাজ। বর্তমানে জেলার চার উপজেলায় জেলায় বর্তর্মানে ১০৭ হেক্টর জমিতে ছোট বড় ১২’শ মাল্টা বাগান রয়েছে। জেলায় মাল্টার উৎপাদন ৬৫০ মেট্রিক টন এবং উৎপাদন গড় হেক্টর প্রতি ৬ মেট্রিক টন। ঝালকাঠি জেলায় প্রধানত বারি মাল্টা-১ জাতের চাষ হয়। বাণিজ্যিক ভাবে মাল্টার চাষে ভাগ্য বদলেছে জেলার অনেক কৃষকের। বর্তমানে বাগান থেকে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

কোন কোন কৃষক ফলন পরিপুষ্ট না হওয়ার পূর্বেই প্রথম দিকে বাজার ধরার জন্য কাচা মাল্টা উত্তোলন করে বিক্রি করে যেকারনে সেই মাল্টার স্বাধ টক হয় এবং পুরিপুষ্ট হওয়া এই জাতের মাল্টা অত্যান্ত সুস্বাধু ও মিষ্টি হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার উৎপাদিত পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। মাল্টা বাগানকে ঘিরে কর্মসংস্থান হয়েছে কয়েক’শ মানুষের। কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা নিয়মিত বাগান পরিদর্শন এবং নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় বর্তর্মানে ১০৭ হেক্টর জমিতে মাল্টা আবাদ হচ্ছে। তারা উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনিয়ে প্রশিক্ষন ও পরামর্শ দিচ্ছেন। এ থেকে মোট ৬’শ ৫০ মেট্রিক টন মাল্টার উৎপাদনের লক্ষমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।  তবে এই চাষ এখন আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বাধন রায়/ইবিটাইমস