ভিয়েনা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের ইট-বালিতে ঝুঁকিতে ৪০ লাখ টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে ব্যয় সংকোচনে সাধনে এসি ব্যবহার করি না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবদল কর্মী নিহত লালমোহনে জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কলেজ ছাত্র রিজওয়ান রশীদের বানানো ‘রেসিং কার’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা রাজধানীর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকার মানুষের আশার প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ‘বাল্লা লোকাল’ ট্রেন এখন শুধুই স্মৃতি

লালমোহনের ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা হোসেনের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৫৫ সময় দেখুন
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার মোহাম্মদ হোসেন নামে এক যুবক।
তিনি উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূব চরউমেদ এলাকার বাসিন্দা। গত চার বছর ধরে নিজ বাড়ির আঙিনায় বরই চাষ করছেন যুবক মোহাম্মদ হোসেন। এরমধ্যে এ মৌসুমে তার বাগানে সর্বোচ্চ বরইয়ের ফলন হয়েছে। বাড়ির আঙিনার ১৫০ শতাংশ জায়গা জুড়ে যুবক মোহাম্মদ হোসেনের বরইয়ের বাগান। তার বাগানে রয়েছে তিন জাতের বরই। বাগানের গাছগুলোতে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে বরই।
বরই চাষি যুবক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, শের-ই বাংলা কৃষি ইউনিভার্সিটির নার্সারি থেকে বল সুন্দরী, ভারত সুন্দরী ও অষ্ট্রেলিয়ান আপেল কুল জাতের বরইয়ের চারা এনে রোপণ করি। বর্তমানে আমার বাগানের ১৫০ শতাংশ জমিতে সাড়ে তিনশত বরই গাছ রয়েছে। এ বছর বিগত বছরগুলোর তুলনায় ফলন অনেক ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করেছি। প্রতি কেজি বরই পাইকারি একশত টাকা এবং খুচরা একশত ত্রিশ টাকা করে বিক্রি করি। গাছগুলোতে যে পরিমাণ ফলন রয়েছে তাতে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
এই বরই চাষি আরো বলেন, আমার বরই বাগানে চারজন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন। তাদেরকে দৈনিক সাতশত টাকা করে মজুরী দিচ্ছি। তাদের মজুরী, বাগানের কীটনাশক, সার এবং সেচ খরচসহ সব মিলিয়ে পাঁচ লাখ টাকার মতো এই বরই বাগানের পেছনে ব্যয় হয়েছে। তবে মৌসুম শেষে ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারলে লাভ হবে অন্তত পাঁচ লাখ টাকা। সামনে এই বরই বাগানের জমির পরিমাণ আরো বাড়াবো।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, হোসেন নামের ওই ব্যক্তি খুবই পরিশ্রমী। তিনি তার কাজের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। গত কয়েক বছর ধরেই বরই চাষ করছেন যুবক হোসেন। এ বছর তার বাগানে সর্বোচ্চ ভালো ফলন হয়েছে। আমরা নিয়মিত তার বাগান পরিদর্শনসহ খোঁজ-খবর নিচ্ছি। একই সঙ্গে বরই চাষি হোসেনের কোনো সমস্যা হলে প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে তা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এছাড়া নতুন করেও কেউ যদি আগ্রহী হয়, উপজেলা কৃষি অফিস সব সময় তার পাশে থাকবে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের ইট-বালিতে ঝুঁকিতে ৪০ লাখ টাকার প্রকল্প

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনের ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা হোসেনের

আপডেটের সময় ০৫:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার মোহাম্মদ হোসেন নামে এক যুবক।
তিনি উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূব চরউমেদ এলাকার বাসিন্দা। গত চার বছর ধরে নিজ বাড়ির আঙিনায় বরই চাষ করছেন যুবক মোহাম্মদ হোসেন। এরমধ্যে এ মৌসুমে তার বাগানে সর্বোচ্চ বরইয়ের ফলন হয়েছে। বাড়ির আঙিনার ১৫০ শতাংশ জায়গা জুড়ে যুবক মোহাম্মদ হোসেনের বরইয়ের বাগান। তার বাগানে রয়েছে তিন জাতের বরই। বাগানের গাছগুলোতে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে বরই।
বরই চাষি যুবক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, শের-ই বাংলা কৃষি ইউনিভার্সিটির নার্সারি থেকে বল সুন্দরী, ভারত সুন্দরী ও অষ্ট্রেলিয়ান আপেল কুল জাতের বরইয়ের চারা এনে রোপণ করি। বর্তমানে আমার বাগানের ১৫০ শতাংশ জমিতে সাড়ে তিনশত বরই গাছ রয়েছে। এ বছর বিগত বছরগুলোর তুলনায় ফলন অনেক ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করেছি। প্রতি কেজি বরই পাইকারি একশত টাকা এবং খুচরা একশত ত্রিশ টাকা করে বিক্রি করি। গাছগুলোতে যে পরিমাণ ফলন রয়েছে তাতে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
এই বরই চাষি আরো বলেন, আমার বরই বাগানে চারজন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন। তাদেরকে দৈনিক সাতশত টাকা করে মজুরী দিচ্ছি। তাদের মজুরী, বাগানের কীটনাশক, সার এবং সেচ খরচসহ সব মিলিয়ে পাঁচ লাখ টাকার মতো এই বরই বাগানের পেছনে ব্যয় হয়েছে। তবে মৌসুম শেষে ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারলে লাভ হবে অন্তত পাঁচ লাখ টাকা। সামনে এই বরই বাগানের জমির পরিমাণ আরো বাড়াবো।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, হোসেন নামের ওই ব্যক্তি খুবই পরিশ্রমী। তিনি তার কাজের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। গত কয়েক বছর ধরেই বরই চাষ করছেন যুবক হোসেন। এ বছর তার বাগানে সর্বোচ্চ ভালো ফলন হয়েছে। আমরা নিয়মিত তার বাগান পরিদর্শনসহ খোঁজ-খবর নিচ্ছি। একই সঙ্গে বরই চাষি হোসেনের কোনো সমস্যা হলে প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে তা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এছাড়া নতুন করেও কেউ যদি আগ্রহী হয়, উপজেলা কৃষি অফিস সব সময় তার পাশে থাকবে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস