ভিয়েনা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোবাইল প্রযুক্তিতে স্বপ্ন গড়ছেন ভোলার মহিমা লালমোহনে ফুটবল খেলা অবস্থায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ! হবিগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্ত বিজয় গ্রেপ্তার, ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ ঝিনাইদহে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির ওপর ডিম নিক্ষেপ-হামলা, স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী কাল ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী

কখন ও কতক্ষণ হাঁটলে সুস্থ থাকা যাবে?

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২
  • ১১১ সময় দেখুন

ডেস্ক: ব্যস্তার জীবনে নিয়মিত ভারী শরীরচর্চা করার সময়-সুযোগ আজকাল অনেকেরই থাকে না। তবে ভালো থাকার জন্য নিয়মিত না হলেও একটু শারীরিক পরিশ্রম জরুরি।

চিকিৎসকরা বলে থাকেন, হাঁটা এমন একটা উপায়, যার মাধ্যমে কষ্টসাধ্য পরিশ্রম ছাড়াও সহজেই সুস্থ থাকা যায়। কখন ও কতক্ষণ হাঁটতে হবে, হাঁটার উপকারিতা কী, এসব বিষয় জানা থাকলে বিষয়টি আরো সহজ হবে।

কখন হাঁটবেন?

হাঁটতে গেলে প্রথমেই যে ভাবনাটা আসে, সেটা হলো কখন হাঁটবেন? চিকিৎসকেরা আজকাল বলছেন, যেকোনো সময়েই হাঁটতে পারেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনি হাঁটার জন্য যখন সময় বের করতে পারবেন, তখনই হাঁটবেন। তবে হাঁটার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় বিকেলবেলা। যাঁরা সকালে হাঁটতে যান, তাঁদের জন্য পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

কতক্ষণ হাঁটবেন?

প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে আপনি চাইলে সপ্তাহে প্রতিদিন নাও হাঁটতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন। অর্থাৎ একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা উচিত।

শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে আরো বেশি সময় ধরে আপনি হাঁটতে পারেন। তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না। একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট করে নিতে পারেন।

হাঁটার আট উপকারিতা

১. ভালো ঘুমে সাহায্য করে

২. হাড় ও পেশি মজবুত করে

৩. ১৫ মিনিট হাঁটলে ৫৬ ক্যালরি শক্তি খরচ হয়, ওজন কমে

৪. সৃজনশীল চিন্তা করতে সাহায্য করে

৫. মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও টেনশন দূর করে শরীর-মন প্রাণবন্ত রাখে

৬. রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে

৭. ধমনির চাপ কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিহত করে

৮. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএন

জনপ্রিয়

মোবাইল প্রযুক্তিতে স্বপ্ন গড়ছেন ভোলার মহিমা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কখন ও কতক্ষণ হাঁটলে সুস্থ থাকা যাবে?

আপডেটের সময় ০৬:০৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

ডেস্ক: ব্যস্তার জীবনে নিয়মিত ভারী শরীরচর্চা করার সময়-সুযোগ আজকাল অনেকেরই থাকে না। তবে ভালো থাকার জন্য নিয়মিত না হলেও একটু শারীরিক পরিশ্রম জরুরি।

চিকিৎসকরা বলে থাকেন, হাঁটা এমন একটা উপায়, যার মাধ্যমে কষ্টসাধ্য পরিশ্রম ছাড়াও সহজেই সুস্থ থাকা যায়। কখন ও কতক্ষণ হাঁটতে হবে, হাঁটার উপকারিতা কী, এসব বিষয় জানা থাকলে বিষয়টি আরো সহজ হবে।

কখন হাঁটবেন?

হাঁটতে গেলে প্রথমেই যে ভাবনাটা আসে, সেটা হলো কখন হাঁটবেন? চিকিৎসকেরা আজকাল বলছেন, যেকোনো সময়েই হাঁটতে পারেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনি হাঁটার জন্য যখন সময় বের করতে পারবেন, তখনই হাঁটবেন। তবে হাঁটার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় বিকেলবেলা। যাঁরা সকালে হাঁটতে যান, তাঁদের জন্য পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

কতক্ষণ হাঁটবেন?

প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে আপনি চাইলে সপ্তাহে প্রতিদিন নাও হাঁটতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন। অর্থাৎ একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা উচিত।

শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে আরো বেশি সময় ধরে আপনি হাঁটতে পারেন। তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না। একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট করে নিতে পারেন।

হাঁটার আট উপকারিতা

১. ভালো ঘুমে সাহায্য করে

২. হাড় ও পেশি মজবুত করে

৩. ১৫ মিনিট হাঁটলে ৫৬ ক্যালরি শক্তি খরচ হয়, ওজন কমে

৪. সৃজনশীল চিন্তা করতে সাহায্য করে

৫. মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও টেনশন দূর করে শরীর-মন প্রাণবন্ত রাখে

৬. রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে

৭. ধমনির চাপ কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিহত করে

৮. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএন