ভিয়েনা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পিকারের এপিএস সবুজকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৭ সময় দেখুন

স্পিকারের এপিএস সবুজকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে নিয়ে দুটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার বলেন, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে আসছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। যাচাই ছাড়া এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা সমীচীন নয়, যা একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনি এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচারের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তাঁর কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

সবুজ বলেন, সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা। সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তার কাছে এবং তার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল—এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে তিনি তেমন গুরুত্ব দেননি বলে জানান।

আকবর হোসেন সবুজ বলেন, সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে কখনো কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসব অপপ্রচার নিয়ে তার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। তিনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে চান।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

স্পিকারের এপিএস সবুজকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

আপডেটের সময় ০২:১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে নিয়ে দুটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার বলেন, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে আসছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। যাচাই ছাড়া এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা সমীচীন নয়, যা একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনি এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচারের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তাঁর কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

সবুজ বলেন, সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা। সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তার কাছে এবং তার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল—এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে তিনি তেমন গুরুত্ব দেননি বলে জানান।

আকবর হোসেন সবুজ বলেন, সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে কখনো কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসব অপপ্রচার নিয়ে তার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। তিনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে চান।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস