ভিয়েনা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ উদ্বোধন হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, নতুন রোগী ১ হাজার ২১৭ নিখোঁজের ২৪ দিন পর শালবনে মিলল কিশোরের দেহাবশেষ, গ্রেপ্তার ৪ লালমোহনে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৪ জেলের ৭ দিনের কারাদণ্ড অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবির অভিযান, আটক ৮৪ শেখ হাসিনা ও তাঁর এমপিরা ব্যাপক লুটপাট করেছেন: স্পিকার হাফিজ সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুপারভাইজারসহ নিহত ২ লালমোহনে শুরু হচ্ছে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ চেয়ারম্যান নয়, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই: নিজাম উদ্দিন

লালমোহনে বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পাড়ার অভিযোগ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৪৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮১ সময় দেখুন

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে বিরোধপূর্ণ একটি বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগর চৌমুহনীর দক্ষিণ পাশে নোয়াব আলী হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত মো. ইদ্রিস হাওলাদারের ভাতিজা মো. গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার, মেয়ে কুসুম বেগম ও পুত্রবধূ রুনা বেগম দাবি করেন, ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া এবং ফুফুদের কাছ থেকে ক্রয় করা তাঁদের সম্পত্তি প্রায় ৩৩ বছর ধরে চাচাতো ভাই শাহে আলম গং জোরপূর্বক ভোগদখল করে আসছিলেন।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৫ সালে স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাঁদের দাবি, ওই বৈঠকে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর জমিটি তাঁদের বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় এবং সালিশকারীরা জমিটি তাঁদের বুঝিয়ে দেন। এরপর থেকে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, রোববার সকালে মৃত আলী মিয়া হাওলাদারের ছেলে শাহে আলম, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ ও তৈয়ব উদ্দিন তাঁদের বাগানে প্রবেশ করে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান। এ সময় তাঁরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা মামলা ও মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার চেয়ে লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিরোধপূর্ণ জমিটি ওয়ারিশসূত্রে রেজাউল করিম মিলন গংদের মালিকানাধীন বলে তাঁরা জানেন। জমি নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকও হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, সালিশে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে জমিটি মিলন গংদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁরা প্রায় এক বছর ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন ওই বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শাহে আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয়

লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ উদ্বোধন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পাড়ার অভিযোগ

আপডেটের সময় ১২:৪৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে বিরোধপূর্ণ একটি বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগর চৌমুহনীর দক্ষিণ পাশে নোয়াব আলী হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত মো. ইদ্রিস হাওলাদারের ভাতিজা মো. গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার, মেয়ে কুসুম বেগম ও পুত্রবধূ রুনা বেগম দাবি করেন, ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া এবং ফুফুদের কাছ থেকে ক্রয় করা তাঁদের সম্পত্তি প্রায় ৩৩ বছর ধরে চাচাতো ভাই শাহে আলম গং জোরপূর্বক ভোগদখল করে আসছিলেন।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৫ সালে স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাঁদের দাবি, ওই বৈঠকে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর জমিটি তাঁদের বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় এবং সালিশকারীরা জমিটি তাঁদের বুঝিয়ে দেন। এরপর থেকে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, রোববার সকালে মৃত আলী মিয়া হাওলাদারের ছেলে শাহে আলম, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ ও তৈয়ব উদ্দিন তাঁদের বাগানে প্রবেশ করে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান। এ সময় তাঁরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা মামলা ও মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার চেয়ে লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিরোধপূর্ণ জমিটি ওয়ারিশসূত্রে রেজাউল করিম মিলন গংদের মালিকানাধীন বলে তাঁরা জানেন। জমি নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকও হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, সালিশে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে জমিটি মিলন গংদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁরা প্রায় এক বছর ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন ওই বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শাহে আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।