বিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট তুলতে পারেনি মিশর। ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ এবং ২০২৬—এই চারটি বিশ্বকাপে আটটি ম্যাচ খেলেছে আফ্রিকান জায়ান্টরা। জয়ের মুখ দেখেনি একটিতেও। বেলজিয়ামের কাছেও হারিয়েছে সেই শাপমোচনের সুযোগ।
সোমবার (১৫ জুন) রাতে সিয়াটল স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয় বেলজিয়াম ও মিশর। শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। বল দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে বেলজিয়ামকে বারবার চাপে ফেলে মিশর।
১৯ মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নিখুঁত শটে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়ার কোনো সুযোগই রাখেননি ইমান আশুর। মোহাম্মদ সালাহর সহায়তায় পাওয়া এই গোলে এগিয়ে যায় মিশর। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল আশুরের প্রথম গোল।
গোলের পর আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে মিশর। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে তারা। সংগঠিত রক্ষণ ও কার্যকর পরিকল্পনায় বেলজিয়ামের আক্রমণগুলো সামাল দিতে সক্ষম হয় দলটি। অন্যদিকে, গোল হজমের পর ছন্দ হারিয়ে ফেলে ইউরোপীয় পরাশক্তি বেলজিয়াম। মাঝমাঠে কেভিন ডি ব্রুইনারা নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও মিশরের শৃঙ্খল ডিফেন্স তা সহজ হতে দেয়নি।
তবে বিরতির পর ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। ৫৩ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে এলে ভাগ্য সহায় হয়নি তাদের। এরপর ৬৬ মিনিটে আসে সমতা ফেরানোর মুহূর্ত। রোমেলু লুকাকুকে আটকাতে গিয়ে চাপের মুখে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। এই আত্মঘাতী গোলেই ১-১ সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
শেষ দিকে দু’দলই জয়সূচক গোলের চেষ্টা চালায়। তবে কোনো পক্ষই আর নেট খুঁজে পায়নি। ফলে ১ পয়েন্ট করে নিয়ে মাঠ ছাড়ে বেলজিয়াম ও মিশর।
ইবিটাইমস/এনএল




















