ভিয়েনা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব চরফ্যাশনে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে কৃষকদলের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমোহনে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ৩৮ দেশের কূটনীতিকের অংশগ্রহণ করেছেন হবিগঞ্জে তরমুজের নিচে লুকিয়ে পাচারকালে ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ শিবির-জামায়াত নিষিদ্ধের দাবিতে কুশপুতুল দাহ ও জুতা মিছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা শুরু সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন: আনোয়ারুল ইসলাম লালমোহন-তজুমুদ্দিনে কাউকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে দেয়া হবে না : হাফিজ

বিদ্যালয়ের দেয়াল যেন আদর্শলিপি বই !

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৪০ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: দেয়ালজুড়ে আঁকা বাংলা-ইংরেজি বিভিন্ন বর্ণমালা। আঁকা রয়েছে অঙ্কের সংখ্যাও। হঠাৎ কেউ দেখলে মুহুর্তের জন্য মনে হবে বিদ্যালয়ের দেয়ালই যেন আদর্শলিপির একটি বই। যেখান থেকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিশুরা শিখছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহনে ২১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০টি বিদ্যালয়ে এমন করে আঁকা হয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এতে করে ওইসব বিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত হয়েছে আলাদা সৌন্দর্যও।

সরজমিনে দেয়ালে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা আঁকা ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলাজুড়ে সুন্দর করে আঁকা রয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির কক্ষে আঁকা হয়েছে পশু-পাখির ছবি। যাতে করে ওই বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা ছবির মাধ্যমে শিখতে পারছে পাঠ্য বইয়ের বর্ণমালা। বিদ্যালয়ের দেয়ালে এমন চিত্রাংকন দেখে নজর কাড়বে যে কারও।

ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা. রোকেয়া বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকারিভাবে বছরে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেখানের কিছু অর্থ দিয়ে দেয়ালে এসব আঁকা হয়েছে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাহিরেও হাঁটতে-চলতে শিখতে পারছে বিভিন্ন বর্ণ। এসবের জন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করছি।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান মিলন জানান, এসবের জন্য বিদ্যালয়গুলোতে আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। তবুও উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় তাদের বার্ষিক বরাদ্দের থেকে এ কাজ করেছে। সত্যিই এটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চমৎকার একটি উদ্যোগ। আশা করছি এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এছাড়া বৃদ্ধি পাবে উপজেলায় শিক্ষার মান।

ভোলা/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিদ্যালয়ের দেয়াল যেন আদর্শলিপি বই !

আপডেটের সময় ১২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: দেয়ালজুড়ে আঁকা বাংলা-ইংরেজি বিভিন্ন বর্ণমালা। আঁকা রয়েছে অঙ্কের সংখ্যাও। হঠাৎ কেউ দেখলে মুহুর্তের জন্য মনে হবে বিদ্যালয়ের দেয়ালই যেন আদর্শলিপির একটি বই। যেখান থেকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিশুরা শিখছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহনে ২১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০টি বিদ্যালয়ে এমন করে আঁকা হয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এতে করে ওইসব বিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত হয়েছে আলাদা সৌন্দর্যও।

সরজমিনে দেয়ালে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা আঁকা ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলাজুড়ে সুন্দর করে আঁকা রয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির কক্ষে আঁকা হয়েছে পশু-পাখির ছবি। যাতে করে ওই বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা ছবির মাধ্যমে শিখতে পারছে পাঠ্য বইয়ের বর্ণমালা। বিদ্যালয়ের দেয়ালে এমন চিত্রাংকন দেখে নজর কাড়বে যে কারও।

ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা. রোকেয়া বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকারিভাবে বছরে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেখানের কিছু অর্থ দিয়ে দেয়ালে এসব আঁকা হয়েছে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাহিরেও হাঁটতে-চলতে শিখতে পারছে বিভিন্ন বর্ণ। এসবের জন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করছি।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান মিলন জানান, এসবের জন্য বিদ্যালয়গুলোতে আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। তবুও উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় তাদের বার্ষিক বরাদ্দের থেকে এ কাজ করেছে। সত্যিই এটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চমৎকার একটি উদ্যোগ। আশা করছি এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এছাড়া বৃদ্ধি পাবে উপজেলায় শিক্ষার মান।

ভোলা/ইবিটাইমস