জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জমি বিরোধের জেরে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ওই প্রধান শিক্ষকের নাম মোঃ জহির উদ্দিন বাবর, তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জেবল হক মাষ্টারের ছেলে এবং উত্তর ধলীগৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ধলীগৌরনগর মৌজার জেএল -৪২, বিআরএস খতিয়ান নম্বর ৫৮৬,৬৭৮ ও৭৭৫, দাগ নম্বর ২৫৬৮ এবং এসএ খতিয়ান নম্বর ৪৯৮ এবং দাগ নম্বর ১৫৯৮ উক্ত খতিয়ানও দাগের মধ্যে ৬ শতাংশ ( বাগান – ভিটা) জমি নিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে একই বাড়ীর মোঃ মোজাম্মেল হক (৫০) গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধে নিষ্পত্তির সার্থে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিসি ফয়সালায় বসে, নিষ্পত্তি না হওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসার একপর্যায়ে রবিবার (১০ মে) সকালে মো. মোজাম্মেল হক গংরা উক্ত বিরোধীয় জমি দখলে নিতে গেলে মো. জেবল হক মাষ্টার গংরা বাঁধা দেয় এবং লালমোহন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে উভয় পক্ষকে সোমবার ১১ মে বিকালে কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সোমবার ফজরের নামাজ আদায় করে বাসায় ফেরার পথে ওঁৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষ মোঃ মোজাম্মেল হক (৫০), ঝিকু (২১), মোঃ রাসেল (৩৫), মোঃ মাসুদ (৩৪), মোঃ কাঞ্চন মিয়া প্রমূখ স্কুল প্রধান শিক্ষক মোঃ জহির উদ্দিন বাবরের উপর হামলা করে তার পায়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তার ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও বাড়ির অন্যান্যরা তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। এঘটনায় আহত শিক্ষকের সহকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত মো. মোজাম্মেল হক ও মো. কাঞ্চন মিয়া বলেন, ওরা আমাদের চাচাতো ভাই উক্ত জমি নিয়ে আমাদের সাথে ফয়সালার তারিখ হলে ওরা শালিসে বসে না। আর আমরা তাকে মারপিট করিনি। সবই মিথ্যা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা বা আহত হওয়ার কোন সংবাদ পাইনি। অভিযোগ পাইলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস




















