ভিয়েনা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্তারহাট সাব-সেন্টারের পুকুরে অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:১৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৮ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের কর্তারহাট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধিভুক্ত সাব-সেন্টারের পুকুরে অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে তজুমদ্দিন ও ডাওরী এলাকা থেকে জাল ও লোকজন এনে ওই পুকুরে মাছ ধরা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার জসিম মৃধা ও হিসাবরক্ষক ওমর ফারুকের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি অংশ নেন এবং পুকুর থেকে প্রায় চার মণ মাছ ধরে নিয়ে যান।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন পুকুরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাছ ধরা আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন, সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত স্বার্থে ভোগদখলের এমন কর্মকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিন্দনীয়।

এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মহসীন বলেন, “ এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”

এ ঘটনার ব্যাপারে জসিম মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চরফ্যাশস যাইতে ছিলাম। যাওয়যার সময় দেখি পুকুরে মাছ ধরছে তখন সেখান থেকে আমি দুইটি কাতল মাছ নিয়েছি।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কর্তারহাট সাব-সেন্টারের পুকুরে অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগ

আপডেটের সময় ০৪:১৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহন উপজেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের কর্তারহাট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধিভুক্ত সাব-সেন্টারের পুকুরে অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে তজুমদ্দিন ও ডাওরী এলাকা থেকে জাল ও লোকজন এনে ওই পুকুরে মাছ ধরা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার জসিম মৃধা ও হিসাবরক্ষক ওমর ফারুকের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি অংশ নেন এবং পুকুর থেকে প্রায় চার মণ মাছ ধরে নিয়ে যান।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন পুকুরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাছ ধরা আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন, সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত স্বার্থে ভোগদখলের এমন কর্মকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিন্দনীয়।

এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মহসীন বলেন, “ এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”

এ ঘটনার ব্যাপারে জসিম মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চরফ্যাশস যাইতে ছিলাম। যাওয়যার সময় দেখি পুকুরে মাছ ধরছে তখন সেখান থেকে আমি দুইটি কাতল মাছ নিয়েছি।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস