এই নীতি ইউরোপীয় আশ্রয় ব্যবস্থার সংস্কার, যা কমন ইউরোপিয়ান অ্যাসাইলাম সিস্টেম (সিইএএস) নামে পরিচিত এবং যা বহু বছর ধরে ইইউ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।
ইউরোপ ডেস্কঃ শুক্রবার (১২ জুন) থেকে এই নতুন নীতি ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে (ইইউ) কার্যকর শুরু হয়েছে।
অভিবাসন নীতি কঠোর করার লক্ষ্য হলো ইউরোপের বাইরের সীমান্তে আরও কার্যকর পদ্ধতি ব্যবহার করে আশ্রয়প্রার্থীদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চলাচল, যেমন গ্রিস বা ইতালি থেকে জার্মানিতে যাওয়া, প্রতিরোধ করা ইত্যাদি।
বিশেষভাবে, সীমান্ত পদ্ধতির উদ্দেশ্য হলো দ্রুত আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আরও সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নির্বাসন নিশ্চিত করা। বিশেষ করে যাদের আশ্রয়ের আবেদন ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের এই ধরনের একটি ত্বরান্বিত পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যার সর্বোচ্চ সময়কাল ১২ সপ্তাহ।
এই সময়ে, তাদের প্রধানত ইইউ দেশগুলোর দ্বারা বাইরের সীমান্তে স্থাপিত বিশেষ অভ্যর্থনা কেন্দ্রে থাকতে হতে পারে।
এই পদক্ষেপটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের অভিবাসন রোধ করা, যার মাধ্যমে আশ্রয়প্রার্থীরা কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো নিবন্ধিত হওয়ার পর স্বাধীনভাবে অন্য কোনো ইইউ দেশে চলে যায়।
একই সাথে, ইইউ-এর বহিঃসীমান্তে অবস্থিত রাষ্ট্রগুলোকে বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর আগমন সামাল দেওয়ার জন্য একা ছেড়ে দেওয়া হবে না। সংহতি ব্যবস্থা নামে পরিচিত একটি পদ্ধতির উদ্দেশ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এই বোঝা ভাগ করে দেওয়া। এটি আর্থিক অনুদান, বস্তুগত সহায়তা অথবা আশ্রয়প্রার্থীদের হস্তান্তরের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করে।
চলতি বছরের জন্য জার্মানিকে পূর্ব-আলোচিত সংহতি তহবিলে কোনো অর্থ প্রদান করতে হবে না, কারণ জার্মানি যে বিপুল সংখ্যক আশ্রয়প্রার্থীকে গ্রহণ করেছে, যাদের দায়িত্ব মূলত অন্য দেশগুলোর ওপর বর্তাতো, তাদের বিষয়টি জার্মানির দায়বদ্ধতার মধ্যেই গণনা করা হচ্ছে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর




















