ভিয়েনা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পলাশ হত্যা মামলায় রায় : ২ জনের যাবজ্জীবন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেছে ইরান ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ : প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল মহাসড়কে পিকআপের চাপায় স্কুলছাত্রী নিহত টাঙ্গাইলে ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন এ ক্যাপসুল লালমোহনে মা-ছেলে ক্যান্সারে আক্রান্ত ! ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি

শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৬ সময় দেখুন

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক হাফিজুর রহমান সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এই রায় দেন।
দন্ডিত ওই মায়ের নাম আয়না বেগম (২৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।
রায়ে দন্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিগত ২০২০ সালের (১৫ ডিসেম্বর) অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Tag :

শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেটের সময় ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে টাঙ্গাইলে মা’কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক হাফিজুর রহমান সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে এই রায় দেন।
দন্ডিত ওই মায়ের নাম আয়না বেগম (২৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।
রায়ে দন্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিগত ২০২০ সালের (১৫ ডিসেম্বর) অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস