ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মানাধীন শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ রোডে কাজ শেষে অবশিষ্ট থাকা সাব বেজের নির্মাণ সামগ্রী (খোয়া-বালির মিশ্রণ) অন্যস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুুতিকালে একটি স্থানীয় চাঁদাবাজ চক্র বাঁধা দেয়।
চিকিৎসাধীন হারুন অর রশিদ জানান,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির কাজ শেষে তাদের অবশিষ্ট মালামাল অন্যত্র নিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তুু স্থানীয় সংজ্ঞবদ্ধ গ্রুপটি তাদের চাহিত টাকা না দেওয়ায় এবং বিএনপির নেতাদের অবগত করানোর কারনেই তারা হামলার শিকার হয়েছেন। .
এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ম্যানেজার আঃ খালেক মুঠোফোনে জানান, স্থানীয়দের অনৈতিক দাবি পূরন না করায় এবং তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের প্রস্তুুতি নেয়ায় নেক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা সাদাত হোসেনকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাবে তাঁর পিতা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন বলেন,এধরনের ঘটনা তিনি জানার পর পার্টি অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা ছিল,এখন পর্যন্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আবেদন পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, স্থানীয় পাঠানপাড়ার কিছু ছেলে হামলার সাথে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই দলীয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হামলার ঘটনায় তাঁর ছেলে জড়িত নয়, বিষ্ণুদিয়া গ্রামের এক ব্যক্তি মারা যাওয়ায় ঘটনার সময় সাদাত হোসেন সেই জানাযায় ছিলেন। তার রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করতেই হয়তো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারে। তিনি কঠোরভাবে এর ঘটনার ন্যায় বিচার করবেন বলেও নিশ্চিত করেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন বাবর ফিরোজ বলেন, বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লিখিত অভিযোগ করলে সূষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুম খান বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ এধরনের অভিযোগ নিয়ে আসেনি তবে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।