ভিয়েনা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ২ লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়ালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা লালমোহনবাসী ডিপিপি অনুযায়ী কার্পেটিংসহ মূল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চায় ভিটামিন ‘এ‘ ক্যাপসুল পাচ্ছে লালমোহনের ৪৭৯১৭ শিশু লালমোহনে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ২ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইরানের দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী লালমোহনে বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার নবম বর্ষপূর্তি পালিত

লালমোহনে সঞ্জিত সুতার পান চাষ করে ভাগ্য বদলেছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৫৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩
  • ৫৪ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনে পান চাষ করে ভাগ্য বদলেছে সঞ্জিত সুতার নামে এক যুবকের। গত বছর ৬০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করে ভালো ফলন ও লাভবান হওয়ায় এ বছর বাড়িয়েছেন জমির পরিমাণ। উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নমগ্রাম এলাকায় চলতি বছর ১২০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেছেন যুবক সঞ্জিত সুতার। তিনি ওই এলাকার সুতার বাড়ির মনোরঞ্জনের ছেলে।

পান চাষি সঞ্জিত সুতার জানান, ২০১৩ সালে প্রথম ৪০ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করি। প্রথম কয়েক বছর ফলন ও লাভ একটু কম হয়। তবে গত কয়েক বছর ধরে পানের চাহিদা বেড়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে জমি বাড়িয়ে পানের বরজ বড় করি। এ বছর ১২০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেছি। যেখানে রয়েছে- হাইব্রিড, এলসি, মহানলি ও বাংলা জাতের পান।

তিনি জানান, চাষ করা এসব পান জেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে বিক্রি করি। বিক্রি করার সময় তিন ভাগে ভাগ করা হয় পান। যার মধ্যে থাকে ছোট, মাঝারি ও বড় সাইজের পান। সে অনুযায়ী এক বিরা পান ১০ টাকা, ১০০ টাকা এবং দুইশত টাকায় বিক্রি করি। এতে করে প্রতি মাসে প্রায় এক লাখ টাকার পান বিক্রি করতে পারি। সেখান থেকে শ্রমিক এবং ওষুধসহ অন্যান্য খরচ বাদে আয় হয় অন্তত ৩০ হাজার টাকা। শীতের সময় বাজারে পানের বেশি চাহিদা থাকে। তখন বিক্রিও বাড়ে, আয়ও বাড়ে।

সঞ্জিত সুতার আরো জানান, পান বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার চালাই। তবে সরকারি-বেসরকারি অনুদান পেলে পান চাষ বৃদ্ধি করা যেতো। এ অনুদান পেলে আমার মতো অনেকে পান চাষে আগ্রহী হতেন। স্থানীয় অনেকের আগ্রহ থাকলেও অর্থের অভাবে পান চাষ করতে পারছেন না। আমি মনে করি; এ পান চাষ বৃদ্ধি করা হলে এখানের অর্জিত অর্থের মাধ্যমে লালমোহন উপজেলার অর্থনৈতিক অবস্থা আরো উন্নত হবে।
লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের নমগ্রাম এলাকায় পান চাষি বেশি। কৃষি অফিস থেকে তাদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। পান চাষিরাও কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে কাজ করছেন। যার ফলে তারা পানের ভালো ফলন পাচ্ছেন। এতে করে অধিক লাভবানও হচ্ছেন পান চাষিরা। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য কৃষকদের প্রয়োজনেও কৃষি অফিস সর্বদা পাশে রয়েছে।

অন্যদিকে কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহন উপজেলায় এ বছর ৬৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। ইউনিয়নের দিক থেকে সর্বোচ্চ পান চাষ হয়েছে লর্ডহার্ডিঞ্জ ও চরভূতা ইউনিয়নে। এ বছর লালমোহনে অন্তত এক হাজার কৃষক পান চাষ করেছেন।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস 

শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে সঞ্জিত সুতার পান চাষ করে ভাগ্য বদলেছে

আপডেটের সময় ০৫:৫৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনে পান চাষ করে ভাগ্য বদলেছে সঞ্জিত সুতার নামে এক যুবকের। গত বছর ৬০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করে ভালো ফলন ও লাভবান হওয়ায় এ বছর বাড়িয়েছেন জমির পরিমাণ। উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নমগ্রাম এলাকায় চলতি বছর ১২০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেছেন যুবক সঞ্জিত সুতার। তিনি ওই এলাকার সুতার বাড়ির মনোরঞ্জনের ছেলে।

পান চাষি সঞ্জিত সুতার জানান, ২০১৩ সালে প্রথম ৪০ শতাংশ জমিতে পানের বরজ করি। প্রথম কয়েক বছর ফলন ও লাভ একটু কম হয়। তবে গত কয়েক বছর ধরে পানের চাহিদা বেড়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে জমি বাড়িয়ে পানের বরজ বড় করি। এ বছর ১২০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেছি। যেখানে রয়েছে- হাইব্রিড, এলসি, মহানলি ও বাংলা জাতের পান।

তিনি জানান, চাষ করা এসব পান জেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে বিক্রি করি। বিক্রি করার সময় তিন ভাগে ভাগ করা হয় পান। যার মধ্যে থাকে ছোট, মাঝারি ও বড় সাইজের পান। সে অনুযায়ী এক বিরা পান ১০ টাকা, ১০০ টাকা এবং দুইশত টাকায় বিক্রি করি। এতে করে প্রতি মাসে প্রায় এক লাখ টাকার পান বিক্রি করতে পারি। সেখান থেকে শ্রমিক এবং ওষুধসহ অন্যান্য খরচ বাদে আয় হয় অন্তত ৩০ হাজার টাকা। শীতের সময় বাজারে পানের বেশি চাহিদা থাকে। তখন বিক্রিও বাড়ে, আয়ও বাড়ে।

সঞ্জিত সুতার আরো জানান, পান বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার চালাই। তবে সরকারি-বেসরকারি অনুদান পেলে পান চাষ বৃদ্ধি করা যেতো। এ অনুদান পেলে আমার মতো অনেকে পান চাষে আগ্রহী হতেন। স্থানীয় অনেকের আগ্রহ থাকলেও অর্থের অভাবে পান চাষ করতে পারছেন না। আমি মনে করি; এ পান চাষ বৃদ্ধি করা হলে এখানের অর্জিত অর্থের মাধ্যমে লালমোহন উপজেলার অর্থনৈতিক অবস্থা আরো উন্নত হবে।
লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের নমগ্রাম এলাকায় পান চাষি বেশি। কৃষি অফিস থেকে তাদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। পান চাষিরাও কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে কাজ করছেন। যার ফলে তারা পানের ভালো ফলন পাচ্ছেন। এতে করে অধিক লাভবানও হচ্ছেন পান চাষিরা। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য কৃষকদের প্রয়োজনেও কৃষি অফিস সর্বদা পাশে রয়েছে।

অন্যদিকে কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহন উপজেলায় এ বছর ৬৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। ইউনিয়নের দিক থেকে সর্বোচ্চ পান চাষ হয়েছে লর্ডহার্ডিঞ্জ ও চরভূতা ইউনিয়নে। এ বছর লালমোহনে অন্তত এক হাজার কৃষক পান চাষ করেছেন।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস