ভিয়েনা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শৈলকুপায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে দিনব্যাপী কারাতে সেমিনার ও বেল্ট পরীক্ষা ঝিনাইদহে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীকে লিগ্যাল নোটিশ ময়মনসিংহে ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোবাইল প্রযুক্তিতে স্বপ্ন গড়ছেন ভোলার মহিমা লালমোহনে ফুটবল খেলা অবস্থায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ! হবিগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্ত বিজয় গ্রেপ্তার, ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ ঝিনাইদহে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির ওপর ডিম নিক্ষেপ-হামলা, স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

থানায় আটক গরু ফিরে পেতে মালিকের আকুতি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
  • ৬৩ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: থানায় চার মাস ধরে বন্দি একটি গরু। রোজ সেই গরুকে খাওয়াতে আসেন মালিক। পরম যত্ন ও পরিচর্যাও করেন। নিয়ম করে পরিচর্যা আর খাওয়াতে পারলেও গরুটিকে নিতে পারছেন না বাড়িতে। এতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে থানা থেকে প্রতিদিন ফিরে যাচ্ছেন ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী নামে এক ব্যক্তি।

তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ তার লাল রঙের একটি গরু চুরি হয়। ঘটনাটি তিনি ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানান। এর কয়েক মাস পরে লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের মাহাবুব আলমের ছেলে রুবেলের কাছ থেকে দুইটি গরু চোরাই সন্দেহে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের থানায় এসে নিজের গরুটি শনাক্ত করেন মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী। আরেকটি গরু সিরাজ নামে একজনের। সিরাজ মামলা করেন চোর রুবেলের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় স্বাক্ষী হন মোশারেফ হোসেন। এরপর পুলিশ রুবেলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

মোশারেফ হোসেন আরো জানান, সিরাজের শনাক্ত করা গরুটি ফিরিয়ে দেওয়া হলেও আমারটি ফেরৎ পাইনি। কারণ রুবেল চরফ্যাশনের মোতালেব হাওলাদারের হাট থেকে গরুটি কিনেছেন বলে একটি ভুয়া ক্রয় রশিদ দাখিল করেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকায় আদালত থেকে ঘটনার তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে। এরপর তিনি তদন্তের মাধ্যমে গরুটির মূল মালিক আমাকে শনাক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
ওই প্রতিবেদনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়াধর মুমু উল্লেখ করেন, রুবেল মামুন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গরু কিনেছেন বলে রশিদ দেখালেও সেই মামুনকে উপস্থিত করতে পারেননি। প্রকৃত পক্ষে মামুনের কোনো অস্তিত্ব নেই। তা কেবল সাজানো। একই সঙ্গে তিনি গরুটির প্রকৃত মালিক মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

গরুর মালিক মোশারেফ পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গরুটি থানায় বন্দি থাকায় রোগাক্রান্ত হচ্ছে। এ জন্য আমি গরুটি ফেরৎ চাই। একই সঙ্গে চোরের শাস্তি কামনা করছি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম জানান, মালিক নির্ধারণ করে  আদালতের নির্দেশনা পেলে গরুটি আমরা ফেরৎ দিয়ে দিবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

শৈলকুপায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

থানায় আটক গরু ফিরে পেতে মালিকের আকুতি

আপডেটের সময় ০৭:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: থানায় চার মাস ধরে বন্দি একটি গরু। রোজ সেই গরুকে খাওয়াতে আসেন মালিক। পরম যত্ন ও পরিচর্যাও করেন। নিয়ম করে পরিচর্যা আর খাওয়াতে পারলেও গরুটিকে নিতে পারছেন না বাড়িতে। এতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে থানা থেকে প্রতিদিন ফিরে যাচ্ছেন ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী নামে এক ব্যক্তি।

তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ তার লাল রঙের একটি গরু চুরি হয়। ঘটনাটি তিনি ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানান। এর কয়েক মাস পরে লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের মাহাবুব আলমের ছেলে রুবেলের কাছ থেকে দুইটি গরু চোরাই সন্দেহে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের থানায় এসে নিজের গরুটি শনাক্ত করেন মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী। আরেকটি গরু সিরাজ নামে একজনের। সিরাজ মামলা করেন চোর রুবেলের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় স্বাক্ষী হন মোশারেফ হোসেন। এরপর পুলিশ রুবেলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

মোশারেফ হোসেন আরো জানান, সিরাজের শনাক্ত করা গরুটি ফিরিয়ে দেওয়া হলেও আমারটি ফেরৎ পাইনি। কারণ রুবেল চরফ্যাশনের মোতালেব হাওলাদারের হাট থেকে গরুটি কিনেছেন বলে একটি ভুয়া ক্রয় রশিদ দাখিল করেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকায় আদালত থেকে ঘটনার তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে। এরপর তিনি তদন্তের মাধ্যমে গরুটির মূল মালিক আমাকে শনাক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
ওই প্রতিবেদনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়াধর মুমু উল্লেখ করেন, রুবেল মামুন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গরু কিনেছেন বলে রশিদ দেখালেও সেই মামুনকে উপস্থিত করতে পারেননি। প্রকৃত পক্ষে মামুনের কোনো অস্তিত্ব নেই। তা কেবল সাজানো। একই সঙ্গে তিনি গরুটির প্রকৃত মালিক মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

গরুর মালিক মোশারেফ পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গরুটি থানায় বন্দি থাকায় রোগাক্রান্ত হচ্ছে। এ জন্য আমি গরুটি ফেরৎ চাই। একই সঙ্গে চোরের শাস্তি কামনা করছি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম জানান, মালিক নির্ধারণ করে  আদালতের নির্দেশনা পেলে গরুটি আমরা ফেরৎ দিয়ে দিবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস