ইবিটাইমস ডেস্ক: পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলক চলল ট্রেন। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতু হয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল কার্যক্রম উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। পরে ১টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে যায়।
যাত্রা শুরু রাগের রেলমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার স্বপ্ন একটা একটা করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে আজ ট্রায়াল ট্রেন চলছে। তিনি আরও বলেন, আমরাই রেলকে যশোর পদ্ধতির নিয়ে যাব তবে তার জন্য আমাদের ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
তার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার সাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু করতে আমাদের তিন মাস সময় দেরি হয়েছিল। তার পরেও সময় মতো কাজ শেষ করতে পারায় আমরা আনন্দিত। এরইমধ্যে আমাদের এই অংশের কাজের ৯২ ভাগ শেষ হয়েছে। বাকি কাজই প্রকল্প মেয়াদ এর মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ জানান, ‘গ্যাং কার দিয়ে ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৪২ কিলোমিটার রেলপথ পরীক্ষা করে দেখা হবে। এ পথে ১২০ কিলোমিটার গতি থাকলেও টেস্ট-রান করা হবে ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে।
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন জানান, পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাং কার ট্রেনটি ভাঙ্গা থেকে রওনা হয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে মাওয়া আসবে। এটি মূলত নির্মিত রেলপথ ইন্সপেকশনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
আফজাল হোসেন আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে। অন্যদিকে প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুনে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা হয়ে যশোর পর্যন্ত পুরো রেলপথটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সাল নাগাদ রেলপথটির ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে প্রতিদিন ১৩ জোড়া ট্রেন চলবে। একইভাবে ভাঙ্গা-কাশিয়ানী অংশে প্রতিদিন সাত জোড়া এবং কাশিয়ানী-যশোর অংশে প্রতিদিন পাঁচ জোড়া ট্রেন চলবে।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস





















