ভিয়েনা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গাছ কর্তন করতে গিয়ে ১ বনদস্যু কুখ্যাত গাছ চোর আটক প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায় : প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু হবিগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ইসরাইলের ৩টি ট্যাংক ধ্বংসের দাবি হিজবুল্লাহর, লেবাননে নিহত ৩ সরকারের লক্ষ্য নগর ও পৌর এলাকায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা : প্রতিমন্ত্রীর টুকু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো কাতারকে ৬-০ তে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক জয় বসনিয়াকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে সুইজারল্যান্ডের জয়

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার তথা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • ৯৯ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ পশ্চিমা দেশের শীর্ষ পদে বসা প্রথম মুসলিম সরকার প্রধান। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের কোর্ট অফ সেশনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মাধ্যমে প্রথম মুসলিম হিসেবে পশ্চিমা কোনো দেশের শীর্ষ পদে বসলেন তিনি। এর আগে, পাঁচ সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ক্ষমতাসীন দল এসএনপি এর প্রধান নির্বাচিত হন তিনি। এরপরই স্কটিশ পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতাদের ভোটে ফার্স্ট মিনিস্টার হন।

৩৭ বছর বয়সি হামজা ইউসুফ পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত। মাত্র পাচ মাস আগেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। এছাড়া ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও এশীয় বংশোদ্ভূত। বলা যায় গ্রেট ব্রিটেনের ক্ষমতা এখন পাক-ভারত উপমহাদেশের বংশোদ্ভূতদের হাতে চলে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণা করেছেন হামজা ইউসুফ। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শোনা রবিনসন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন মাইকেল ম্যাথিসন। জেনি গিলরুথকে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া নিল গ্রে, মাইরি ম্যাকঅ্যালান, মাইরি গোগেন, অ্যাঞ্জেলা কনস্ট্যান্স, অ্যাঙ্গাস রবার্টসন ও শার্লি-অ্যান সোমারভিলকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ। পড়ালেখা করেছেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর পড়ার বিষয় ছিল রাজনীতি। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য (এমএসপি) নির্বাচিত হন তিনি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন। এর আগে তিনি একজন এমএসপির সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের একটি দেশের ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে একজন মুসলিম প্রার্থীর বিজয় এটিই ইঙ্গিত করে, স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দলটি এখনও তার প্রগতিশীল নীতিতেই চলছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গাছ কর্তন করতে গিয়ে ১ বনদস্যু কুখ্যাত গাছ চোর আটক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার তথা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ

আপডেটের সময় ০৪:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

ইবিটাইমস ডেস্ক: পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ পশ্চিমা দেশের শীর্ষ পদে বসা প্রথম মুসলিম সরকার প্রধান। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের কোর্ট অফ সেশনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মাধ্যমে প্রথম মুসলিম হিসেবে পশ্চিমা কোনো দেশের শীর্ষ পদে বসলেন তিনি। এর আগে, পাঁচ সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ক্ষমতাসীন দল এসএনপি এর প্রধান নির্বাচিত হন তিনি। এরপরই স্কটিশ পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতাদের ভোটে ফার্স্ট মিনিস্টার হন।

৩৭ বছর বয়সি হামজা ইউসুফ পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত। মাত্র পাচ মাস আগেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। এছাড়া ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও এশীয় বংশোদ্ভূত। বলা যায় গ্রেট ব্রিটেনের ক্ষমতা এখন পাক-ভারত উপমহাদেশের বংশোদ্ভূতদের হাতে চলে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণা করেছেন হামজা ইউসুফ। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শোনা রবিনসন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন মাইকেল ম্যাথিসন। জেনি গিলরুথকে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া নিল গ্রে, মাইরি ম্যাকঅ্যালান, মাইরি গোগেন, অ্যাঞ্জেলা কনস্ট্যান্স, অ্যাঙ্গাস রবার্টসন ও শার্লি-অ্যান সোমারভিলকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ। পড়ালেখা করেছেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর পড়ার বিষয় ছিল রাজনীতি। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য (এমএসপি) নির্বাচিত হন তিনি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন। এর আগে তিনি একজন এমএসপির সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের একটি দেশের ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে একজন মুসলিম প্রার্থীর বিজয় এটিই ইঙ্গিত করে, স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দলটি এখনও তার প্রগতিশীল নীতিতেই চলছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস