ভিয়েনা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে পাকা সড়কের দাবিতে মানববন্ধন রোমানিয়ার আবাসিক ভবনে রুশ ড্রোন হামলা, আহত ২ ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আরও ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি আগামীকাল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অস্ট্রিয়ায় যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্বপ্ন আজও বাস্তবায়িত হয়নি : স্পিকার জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ঈদুল আজহা দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার তথা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • ৯২ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ পশ্চিমা দেশের শীর্ষ পদে বসা প্রথম মুসলিম সরকার প্রধান। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের কোর্ট অফ সেশনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মাধ্যমে প্রথম মুসলিম হিসেবে পশ্চিমা কোনো দেশের শীর্ষ পদে বসলেন তিনি। এর আগে, পাঁচ সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ক্ষমতাসীন দল এসএনপি এর প্রধান নির্বাচিত হন তিনি। এরপরই স্কটিশ পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতাদের ভোটে ফার্স্ট মিনিস্টার হন।

৩৭ বছর বয়সি হামজা ইউসুফ পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত। মাত্র পাচ মাস আগেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। এছাড়া ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও এশীয় বংশোদ্ভূত। বলা যায় গ্রেট ব্রিটেনের ক্ষমতা এখন পাক-ভারত উপমহাদেশের বংশোদ্ভূতদের হাতে চলে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণা করেছেন হামজা ইউসুফ। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শোনা রবিনসন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন মাইকেল ম্যাথিসন। জেনি গিলরুথকে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া নিল গ্রে, মাইরি ম্যাকঅ্যালান, মাইরি গোগেন, অ্যাঞ্জেলা কনস্ট্যান্স, অ্যাঙ্গাস রবার্টসন ও শার্লি-অ্যান সোমারভিলকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ। পড়ালেখা করেছেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর পড়ার বিষয় ছিল রাজনীতি। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য (এমএসপি) নির্বাচিত হন তিনি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন। এর আগে তিনি একজন এমএসপির সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের একটি দেশের ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে একজন মুসলিম প্রার্থীর বিজয় এটিই ইঙ্গিত করে, স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দলটি এখনও তার প্রগতিশীল নীতিতেই চলছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস

জনপ্রিয়

লালমোহনে পাকা সড়কের দাবিতে মানববন্ধন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার তথা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হামজা ইউসুফ

আপডেটের সময় ০৪:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

ইবিটাইমস ডেস্ক: পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ পশ্চিমা দেশের শীর্ষ পদে বসা প্রথম মুসলিম সরকার প্রধান। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের কোর্ট অফ সেশনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মাধ্যমে প্রথম মুসলিম হিসেবে পশ্চিমা কোনো দেশের শীর্ষ পদে বসলেন তিনি। এর আগে, পাঁচ সপ্তাহের লড়াইয়ের পর ক্ষমতাসীন দল এসএনপি এর প্রধান নির্বাচিত হন তিনি। এরপরই স্কটিশ পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতাদের ভোটে ফার্স্ট মিনিস্টার হন।

৩৭ বছর বয়সি হামজা ইউসুফ পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত। মাত্র পাচ মাস আগেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। এছাড়া ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও এশীয় বংশোদ্ভূত। বলা যায় গ্রেট ব্রিটেনের ক্ষমতা এখন পাক-ভারত উপমহাদেশের বংশোদ্ভূতদের হাতে চলে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণা করেছেন হামজা ইউসুফ। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শোনা রবিনসন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন মাইকেল ম্যাথিসন। জেনি গিলরুথকে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া নিল গ্রে, মাইরি ম্যাকঅ্যালান, মাইরি গোগেন, অ্যাঞ্জেলা কনস্ট্যান্স, অ্যাঙ্গাস রবার্টসন ও শার্লি-অ্যান সোমারভিলকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জন্ম নেন হামজা ইউসুফ। পড়ালেখা করেছেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর পড়ার বিষয় ছিল রাজনীতি। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড পার্লামেন্টের সদস্য (এমএসপি) নির্বাচিত হন তিনি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ইংরেজি ও উর্দুতে শপথ নেন। এর আগে তিনি একজন এমএসপির সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের একটি দেশের ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে একজন মুসলিম প্রার্থীর বিজয় এটিই ইঙ্গিত করে, স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দলটি এখনও তার প্রগতিশীল নীতিতেই চলছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস