ভিয়েনা ১২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ইসরাইলের ৩টি ট্যাংক ধ্বংসের দাবি হিজবুল্লাহর, লেবাননে নিহত ৩ সরকারের লক্ষ্য নগর ও পৌর এলাকায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা : প্রতিমন্ত্রীর টুকু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো কাতারকে ৬-০ তে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক জয় বসনিয়াকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে সুইজারল্যান্ডের জয় ১-১ গোলে ড্র দক্ষিণ আফ্রিকা-চেক প্রজাতন্ত্র ম্যাচ ভিয়েনার রাজ্য কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান নয়নকে লালমোহনে সংবর্ধনা টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী টুকু, পরিবেশ দেখে ক্ষুব্ধ

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান দেশের জন্য বিপজ্জনক : সিইসি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ৬২ সময় দেখুন

ঢাকা প্রতিনিধি: নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান দেশের জন্য বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, বড় দল নির্বাচনে না এলে ফলাফলে ঝুঁকি তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের আমন্ত্রণে বিদেশি প্রতিনিধিরা আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি।

বিরোধীদলকে নির্বাচনে আনতে সরকারি দলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা হবে। সবদলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমাদের বিভিন্ন দল থেকে বলা হয়েছে, তারাও বিশ্বাস করে যে একটা সমঝোতা হবে। আমরা আশাবাদী যে অবাধ নিরপেক্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে ফলপ্রসূভাবে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।’

কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে স্বীকার করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘একই সাথে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সকল রাজনৈতিক দল, প্রধানতম রাজনৈতিক দলগুলো যেন অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে। কারণ নির্বাচনে যদি ইফেক্টিভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হয় প্রত্যাশিত ভারসাম্য সৃষ্টি হবে না।’

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘এটি দেশের জন্য খুব বিপজ্জনক। যদি নির্বাচন এই অনড় অবস্থানে হয়, বড়দল পার্টিসিপেট না করে, আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বলব, নির্বাচনের মূল ফলাফলের ওপর একটা ঝুঁকি থাকতে পারে। যেমন এটা নিয়ে একটা ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন ক্রিয়েট করা হলো। মানুষ বিপদগ্রস্ত হলো। আমরা চাই না, ওই ধরনের কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হোক। সেই জন্য আমরা বলব, প্রধানতম দল, সরকারে অধিষ্ঠিত দলের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, আপনারও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যান বিরোধীদলগুলোকে সঙ্গে নিতে। তারাও যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে হবে। বর্তমান সংবিধানে যেভাবে আছে আমাদের সেই অনুযায়ী চলতে হবে।’

ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালানাথ খানাল, মালয়েশিয়া থেকে ইউনাইটেড ন্যাশন ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেরিয়েট্টা এরগুইডো রেফরমাডো, জার্মান থেকে জিবিপি ইন্টারন্যাশনাল এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভলকার ইউ. ফ্রেডরিচ ,ভুটান থেকে গ্লোবাল ভিলেজ কানেকশনের চেয়ারম্যান জেকশন দুকপা, ভারত থেকে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বিশেষ প্রতিনিধি মিসেস স্বপ্না সাহা।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস

হবিগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান দেশের জন্য বিপজ্জনক : সিইসি

আপডেটের সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ঢাকা প্রতিনিধি: নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান দেশের জন্য বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, বড় দল নির্বাচনে না এলে ফলাফলে ঝুঁকি তৈরি করবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের আমন্ত্রণে বিদেশি প্রতিনিধিরা আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি।

বিরোধীদলকে নির্বাচনে আনতে সরকারি দলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা হবে। সবদলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমাদের বিভিন্ন দল থেকে বলা হয়েছে, তারাও বিশ্বাস করে যে একটা সমঝোতা হবে। আমরা আশাবাদী যে অবাধ নিরপেক্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে ফলপ্রসূভাবে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।’

কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে স্বীকার করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘একই সাথে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সকল রাজনৈতিক দল, প্রধানতম রাজনৈতিক দলগুলো যেন অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে। কারণ নির্বাচনে যদি ইফেক্টিভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হয় প্রত্যাশিত ভারসাম্য সৃষ্টি হবে না।’

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘এটি দেশের জন্য খুব বিপজ্জনক। যদি নির্বাচন এই অনড় অবস্থানে হয়, বড়দল পার্টিসিপেট না করে, আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বলব, নির্বাচনের মূল ফলাফলের ওপর একটা ঝুঁকি থাকতে পারে। যেমন এটা নিয়ে একটা ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন ক্রিয়েট করা হলো। মানুষ বিপদগ্রস্ত হলো। আমরা চাই না, ওই ধরনের কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হোক। সেই জন্য আমরা বলব, প্রধানতম দল, সরকারে অধিষ্ঠিত দলের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, আপনারও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যান বিরোধীদলগুলোকে সঙ্গে নিতে। তারাও যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে হবে। বর্তমান সংবিধানে যেভাবে আছে আমাদের সেই অনুযায়ী চলতে হবে।’

ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালানাথ খানাল, মালয়েশিয়া থেকে ইউনাইটেড ন্যাশন ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেরিয়েট্টা এরগুইডো রেফরমাডো, জার্মান থেকে জিবিপি ইন্টারন্যাশনাল এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভলকার ইউ. ফ্রেডরিচ ,ভুটান থেকে গ্লোবাল ভিলেজ কানেকশনের চেয়ারম্যান জেকশন দুকপা, ভারত থেকে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বিশেষ প্রতিনিধি মিসেস স্বপ্না সাহা।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস