ভিয়েনা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলেন যারা পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দেবে ইউনেস্কো ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে বাজেট অনুমোদন ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ BDOAA অলিম্পিয়াডে মাভাবিপ্রবি’র সাফল্য: ভাইস- চ্যান্সেলরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে সৌদি আরবে উপসাগরীয় নেতাদের বৈঠক

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ফুল কপির বাম্পার ফলন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২
  • ৪৩ সময় দেখুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে শীতকালীন বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি ফুলকপি চাষে অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। স্থানীয় বাজারগুলোতে বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। সবজি বিক্রেতারা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ফুলকপি কিনছেন ২০-২৫ টাকায়।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া গ্রামের কৃষক রুবেল মিয়া জানান, তিনি ৫০ শতাংশ জমিতে ৬ হাজার ফুলকপি চারা রোপণ করেন। আবহাওয়া ভালো হওয়ায় প্রতিটি গাছেই ভালো ফলন এসেছে। একেকটি ফুলকপি এক থেকে দেড় কেজি হয়ে থাকে।

তিনি আরও জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে ফুলকপি চাষে তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন তিনি। আশা করছেন অবশিষ্ট ফুলকপি বিক্রি করে আরও এক লাখ টাকা পাবেন।

এছাড়াও তিনি প্রায় ৩ একর জমিতে টমেটো, বেগুন, সীমসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি আবাদ করেছে। এসব ফসলের পরিচর্যায় নিয়মিত ৪-৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন তার ক্ষেতে। এতে করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তিনি।

কৃষি শ্রমিক শোয়েব মিয়া জানান, তিনি দৈনিক ৫ শ’ টাকা মজুরিতে রুবেল মিয়ার সবজি ক্ষেতে কাজ করেন। বীজতলা প্রস্তুতি থেকে শুরু করে চারা রোপন, সেচ দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, বাজারে বিক্রি করা পর্যন্ত তিনি কাজ করেন। এতে করে ভালোভাবেই তিনি তার পরিবারের খরচ বহন করতে পারছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে এ বছর উপজেলায় ৭৭৫  হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি আবাদ হয়েছে,যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ১৫০ হেক্টর বেশী।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী প্রত্যেক ইঞ্চি অনাবাদি পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনার জন্য আমরা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সবজি চাষ বাড়ানোর জন্য সরকারিভাবে বীজ সহায়তা ছাড়াও প্রনোদনা কার্যক্রম চলমান আছে। কৃষি বিভাগ সর্বদা কৃষকের পাশে আছে।

মোতাব্বির হোসেন কাজল/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলেন যারা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ফুল কপির বাম্পার ফলন

আপডেটের সময় ০৩:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে শীতকালীন বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি ফুলকপি চাষে অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। স্থানীয় বাজারগুলোতে বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। সবজি বিক্রেতারা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ফুলকপি কিনছেন ২০-২৫ টাকায়।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া গ্রামের কৃষক রুবেল মিয়া জানান, তিনি ৫০ শতাংশ জমিতে ৬ হাজার ফুলকপি চারা রোপণ করেন। আবহাওয়া ভালো হওয়ায় প্রতিটি গাছেই ভালো ফলন এসেছে। একেকটি ফুলকপি এক থেকে দেড় কেজি হয়ে থাকে।

তিনি আরও জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে ফুলকপি চাষে তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন তিনি। আশা করছেন অবশিষ্ট ফুলকপি বিক্রি করে আরও এক লাখ টাকা পাবেন।

এছাড়াও তিনি প্রায় ৩ একর জমিতে টমেটো, বেগুন, সীমসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি আবাদ করেছে। এসব ফসলের পরিচর্যায় নিয়মিত ৪-৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন তার ক্ষেতে। এতে করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তিনি।

কৃষি শ্রমিক শোয়েব মিয়া জানান, তিনি দৈনিক ৫ শ’ টাকা মজুরিতে রুবেল মিয়ার সবজি ক্ষেতে কাজ করেন। বীজতলা প্রস্তুতি থেকে শুরু করে চারা রোপন, সেচ দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, বাজারে বিক্রি করা পর্যন্ত তিনি কাজ করেন। এতে করে ভালোভাবেই তিনি তার পরিবারের খরচ বহন করতে পারছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে এ বছর উপজেলায় ৭৭৫  হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি আবাদ হয়েছে,যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ১৫০ হেক্টর বেশী।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী প্রত্যেক ইঞ্চি অনাবাদি পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনার জন্য আমরা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সবজি চাষ বাড়ানোর জন্য সরকারিভাবে বীজ সহায়তা ছাড়াও প্রনোদনা কার্যক্রম চলমান আছে। কৃষি বিভাগ সর্বদা কৃষকের পাশে আছে।

মোতাব্বির হোসেন কাজল/ইবিটাইমস