ভিয়েনা ১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভোলায় মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন হরমুজ প্রণালীর কর্তৃত্ব সশস্ত্র বাহিনীকে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের রেকর্ড জয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের টাঙ্গাইলে কুকুরের কামড়ে ৯ শিশুসহ ৫৪ জন আহত লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়ম, কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ লালমোহনে অটোরিকশা-পিকআপ সংঘর্ষে আহত ৬ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হকের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাবার স্মৃতি বিজড়িত শার্শার উলসী খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শালিক পাখি প্রেমি চায়ের দোকানদার নান্নু

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২
  • ৬২ সময় দেখুন
জাহিদ দুলাল, লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি: মো. নান্নু। ভোলার লালমোহন উপজেলার ফুলবাগিচা বাজারে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান করেন তিনি। প্রতিদিন ফজর নামাজ পড়ে ভোরে দোকান খোলেন নান্নু। আর দোকান খুলেই পাখিদের দেন নিজের দোকানের রুটি, বিস্কিট আর মুড়ি। যা গত ৫ বছর ধরে করে আসছেন তিনি। এতে করে প্রথম ৩ বছর নিয়মিত ১৫-২০টি শালিক পাখি খাবার খেতে আসলেও বর্তমানে গত দুই বছর ধরে ওই শালিকের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুইশত। এ যেন মানুষ আর পাখির মধ্যে রীতিমতো  প্রেম জমে ওঠেছে। নান্নুর আতিথিয়তায় তার সাথে এখন দুইশত শালিকের ভাব জমেছে। নান্নুর সঙ্গে শালিকদের এমন সখ্যতা এলাকাবাসীরও মন কেড়েছে। নান্নু লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা এলাকার দরবেশ বাড়ির মৃত মো. হোসেনের ছেলে।
শালিক পাখিদের সঙ্গে এমন সর্ম্পকের ব্যাপারে মো. নান্নু মিয়া জানান, পাঁচ বছর আগে দেখতাম বেশকিছু শালিক ভোরে দোকানের সামনে বসে থাকে। তখন মাঝে মধ্যে শালিকদের খাবার দিতাম। এরপর থেকে ধীরে ধীরে শালিকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরপর শালিকগুলোর প্রতি এক ধরনের মায়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকে নিয়মিত খাবার দিচ্ছি। এখন দুইশত’র মত শালিক প্রতিদিন ভোরে আমার দোকানের সামনে আসে। আর আমি ওইসব শালিকদের খাবার দিচ্ছি। শালিক পাখিগুলোর কিচিরমিচির ডাক সত্যিই ভালো লাগে। এতে মনেও অনেকটা প্রশান্তি মিলে। যার জন্যই এসব শালিকদের এখন নিয়ম করে প্রতিদিন খাবার দিচ্ছি।
ন্যাচার কনজারভেশন কমিটি (এনসিসি) এর ভোলার সমন্বয়কারী মো. জসিম জনি বলেন, পাখির প্রতি মানুষের এ ধরনের ভালোবাসা থাকা উচিত। তাহলে পাখি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাখি বিভিন্ন উপায়ে পরিবেশের অনেক উপকারে আসে। যার জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পাখির প্রতি উদারতা দেখানো।
ভোলা /ইবিটাইমস
জনপ্রিয়

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

শালিক পাখি প্রেমি চায়ের দোকানদার নান্নু

আপডেটের সময় ১২:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২
জাহিদ দুলাল, লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি: মো. নান্নু। ভোলার লালমোহন উপজেলার ফুলবাগিচা বাজারে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান করেন তিনি। প্রতিদিন ফজর নামাজ পড়ে ভোরে দোকান খোলেন নান্নু। আর দোকান খুলেই পাখিদের দেন নিজের দোকানের রুটি, বিস্কিট আর মুড়ি। যা গত ৫ বছর ধরে করে আসছেন তিনি। এতে করে প্রথম ৩ বছর নিয়মিত ১৫-২০টি শালিক পাখি খাবার খেতে আসলেও বর্তমানে গত দুই বছর ধরে ওই শালিকের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুইশত। এ যেন মানুষ আর পাখির মধ্যে রীতিমতো  প্রেম জমে ওঠেছে। নান্নুর আতিথিয়তায় তার সাথে এখন দুইশত শালিকের ভাব জমেছে। নান্নুর সঙ্গে শালিকদের এমন সখ্যতা এলাকাবাসীরও মন কেড়েছে। নান্নু লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা এলাকার দরবেশ বাড়ির মৃত মো. হোসেনের ছেলে।
শালিক পাখিদের সঙ্গে এমন সর্ম্পকের ব্যাপারে মো. নান্নু মিয়া জানান, পাঁচ বছর আগে দেখতাম বেশকিছু শালিক ভোরে দোকানের সামনে বসে থাকে। তখন মাঝে মধ্যে শালিকদের খাবার দিতাম। এরপর থেকে ধীরে ধীরে শালিকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরপর শালিকগুলোর প্রতি এক ধরনের মায়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকে নিয়মিত খাবার দিচ্ছি। এখন দুইশত’র মত শালিক প্রতিদিন ভোরে আমার দোকানের সামনে আসে। আর আমি ওইসব শালিকদের খাবার দিচ্ছি। শালিক পাখিগুলোর কিচিরমিচির ডাক সত্যিই ভালো লাগে। এতে মনেও অনেকটা প্রশান্তি মিলে। যার জন্যই এসব শালিকদের এখন নিয়ম করে প্রতিদিন খাবার দিচ্ছি।
ন্যাচার কনজারভেশন কমিটি (এনসিসি) এর ভোলার সমন্বয়কারী মো. জসিম জনি বলেন, পাখির প্রতি মানুষের এ ধরনের ভালোবাসা থাকা উচিত। তাহলে পাখি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাখি বিভিন্ন উপায়ে পরিবেশের অনেক উপকারে আসে। যার জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পাখির প্রতি উদারতা দেখানো।
ভোলা /ইবিটাইমস