ভিয়েনা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনবাসী ডিপিপি অনুযায়ী কার্পেটিংসহ মূল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চায় ভিটামিন ‘এ‘ ক্যাপসুল পাচ্ছে লালমোহনের ৪৭৯১৭ শিশু লালমোহনে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ২ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইরানের দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী লালমোহনে বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার নবম বর্ষপূর্তি পালিত প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, উদ্ধার অভিযান জোরদার চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত

চরফ্যাসনে স্কুলের ওয়াস ব্লক বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১
  • ১০৯ সময় দেখুন

চরফ্যাসন (ভোলা) : শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মিত, ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার উত্তর আসলামপুর ৭২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র ওয়াসব্লকটি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এর যোগসাজসে ভেঙ্গে বিক্রি করে দিয়েছে ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সরকারী সম্পদ আত্মসাতে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক বিদ্যালয়ের পুরোনো একটি স্কুল ভবনকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে টেন্ডার করেন এবং ভবনের সঙ্গে প্রায় ৫লাখ টাকা মুল্যের একটি ওয়াসব্লক গোপনে বিক্রি করে দেন।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক কহিনুর বেগম বলেন, ওয়াস ব্লকটির সাথে ২টি পানির ট্যাংক, বেসিন, অজুখানা ও টাইলস করা টয়লেট ভেঙ্গে নিয়ে যায়।

কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিক বলেন, ডিউ লেটারের মাধ্যমে বিপ্লব কমলসহ আমরা দুইজনে ভবনটি টেন্ডার নেই। ভবনটির সঙ্গে একটি টয়লেট ছিলো যা এ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রী করি।

স্থানীয় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন যোগদানের পর থেকেই টিফিন ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে অনিয়ম করছেন। এছাড়া গোপনে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্ধ নিয়েও কাজ করছেন তিনি।

স্থানীয় নিহাদ বলেন, ওয়াসব্লকটির দুইটি ট্যাংকি সাহেব আলী নামের এক ভ্যানওয়ালাকে দিয়ে নিজ বাড়ি নিয়ে যায় শিক্ষক আনোয়ার। সাহেব আলী আড়াইশত টাকা ভ্যান ভাড়ায় দুইটি ট্যাংক প্রধান শিক্ষকের বাড়ি নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার বলেন, ভবন টেন্ডার সংক্রান্ত ডিও লেটার দেখে ভবনটির সঙ্গে একটি টয়লেট উল্লেখ করে রেজুলেশন করা হয়েছে। তবে আমি দু্ই হাজার টাকায় ট্যাঙ্কটি কিনে নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী জানান, ভোলা থেকে ডিপিওসহ একটি তদন্ত দল পরিদর্শনে যাবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চ প্র/ ইবি টাইমস

লালমোহনবাসী ডিপিপি অনুযায়ী কার্পেটিংসহ মূল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চায়

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চরফ্যাসনে স্কুলের ওয়াস ব্লক বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে

আপডেটের সময় ০৪:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

চরফ্যাসন (ভোলা) : শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মিত, ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার উত্তর আসলামপুর ৭২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র ওয়াসব্লকটি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এর যোগসাজসে ভেঙ্গে বিক্রি করে দিয়েছে ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সরকারী সম্পদ আত্মসাতে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক বিদ্যালয়ের পুরোনো একটি স্কুল ভবনকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে টেন্ডার করেন এবং ভবনের সঙ্গে প্রায় ৫লাখ টাকা মুল্যের একটি ওয়াসব্লক গোপনে বিক্রি করে দেন।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক কহিনুর বেগম বলেন, ওয়াস ব্লকটির সাথে ২টি পানির ট্যাংক, বেসিন, অজুখানা ও টাইলস করা টয়লেট ভেঙ্গে নিয়ে যায়।

কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিক বলেন, ডিউ লেটারের মাধ্যমে বিপ্লব কমলসহ আমরা দুইজনে ভবনটি টেন্ডার নেই। ভবনটির সঙ্গে একটি টয়লেট ছিলো যা এ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রী করি।

স্থানীয় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন যোগদানের পর থেকেই টিফিন ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে অনিয়ম করছেন। এছাড়া গোপনে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্ধ নিয়েও কাজ করছেন তিনি।

স্থানীয় নিহাদ বলেন, ওয়াসব্লকটির দুইটি ট্যাংকি সাহেব আলী নামের এক ভ্যানওয়ালাকে দিয়ে নিজ বাড়ি নিয়ে যায় শিক্ষক আনোয়ার। সাহেব আলী আড়াইশত টাকা ভ্যান ভাড়ায় দুইটি ট্যাংক প্রধান শিক্ষকের বাড়ি নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার বলেন, ভবন টেন্ডার সংক্রান্ত ডিও লেটার দেখে ভবনটির সঙ্গে একটি টয়লেট উল্লেখ করে রেজুলেশন করা হয়েছে। তবে আমি দু্ই হাজার টাকায় ট্যাঙ্কটি কিনে নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী জানান, ভোলা থেকে ডিপিওসহ একটি তদন্ত দল পরিদর্শনে যাবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চ প্র/ ইবি টাইমস