ভিয়েনা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ২ লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়ালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা লালমোহনবাসী ডিপিপি অনুযায়ী কার্পেটিংসহ মূল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চায় ভিটামিন ‘এ‘ ক্যাপসুল পাচ্ছে লালমোহনের ৪৭৯১৭ শিশু লালমোহনে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ২ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইরানের দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী লালমোহনে বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার নবম বর্ষপূর্তি পালিত

রোজার উত্তাপ এখনই ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১
  • ১১৮ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধি: কয়েকদিন পরই রোজা, শুরু হতে এখনো প্রায় ২০/২৫ বাকি। এখনই রোজার উত্তাপ বাড়তে শুরু করছে ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে । একদিকে করোনায় কর্ম সংকোচন, অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে দাম বাড়াচ্ছে। তাই আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সক্রিয় কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী,রোজা সামনে রেখে তারা এখন থেকেই রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। সব মিলিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।

বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয় ৭০ টাকা। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয় ৭৫ টাকা। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ টাকা, যা দুমাস আগেও ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি মুগডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা।

এছাড়া হলুদের দামও বেড়েছে। এ ছাড়া গুঁড়া দুধের মধ্যে ফ্রেশ বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৫৫০ টাকা। মাসখানেক ধরে ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম। বিশেষ করে রোজায় যে সমস্ত পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।

এদিকে, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, ‘রমজানের সময় পণ্যের দাম নিয়ে যাতে সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রস্তুতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এবার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস

Tag :

শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রোজার উত্তাপ এখনই ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে

আপডেটের সময় ০৬:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১

ভোলা প্রতিনিধি: কয়েকদিন পরই রোজা, শুরু হতে এখনো প্রায় ২০/২৫ বাকি। এখনই রোজার উত্তাপ বাড়তে শুরু করছে ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে । একদিকে করোনায় কর্ম সংকোচন, অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে দাম বাড়াচ্ছে। তাই আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সক্রিয় কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী,রোজা সামনে রেখে তারা এখন থেকেই রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। সব মিলিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।

বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয় ৭০ টাকা। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয় ৭৫ টাকা। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ টাকা, যা দুমাস আগেও ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি মুগডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা।

এছাড়া হলুদের দামও বেড়েছে। এ ছাড়া গুঁড়া দুধের মধ্যে ফ্রেশ বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৫৫০ টাকা। মাসখানেক ধরে ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম। বিশেষ করে রোজায় যে সমস্ত পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।

এদিকে, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, ‘রমজানের সময় পণ্যের দাম নিয়ে যাতে সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রস্তুতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এবার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস