ভিয়েনা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশ চলবে ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী -মেজর হাফিজ দেশে মৃদু ভূমিকম্প গ্রিনল্যান্ডে নিজের সামরিক ঘাঁটির উপর সার্বভৌমত্ব অর্জন করবে যুক্তরাস্ট্র মার্কিন-ইরান উত্তেজনার মুখে ইউরোপীয় বিমান সংস্থাগুলির ফ্লাইট বাতিল শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করলেন লালমোহন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি গণভোট গণবিরোধী হিসেবে বিবেচিত হবে- মোমিন মেহেদী হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে RAB-৯ এর অভিযানে এয়ার গান উদ্ধার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পন্ন লালমোহনে গণভোটের হ্যাঁ-না’কে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি টাঙ্গাইলে ৩শ’ শিক্ষককে সংবর্ধনা

আম চাষে লোকসানের শঙ্কা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:০০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
  • ২৮ সময় দেখুন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি।  বাগানে পানি না থাকায় আমে দেখা দিয়েছে কালো দাগ। এর ফলে চলতি মৌসুমে লোকসানের আশঙ্কা করছেন জেলার বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ঝিনাইদহের ৬টি  উপজেলায় আমবাগানের জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮৮২ হেক্টর। এসব বাগান থেকে আম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৭ হাজার মেট্টিক টন। কিন্তু  উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সদর উপজেলার, চন্ডিপুর, কামতা মির্জাপুর, কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আমবাগানে গিয়ে দেখা যায় বাগানে ঝুলছে আম্রপলি, ল্যাংড়া, খিরসা, হাড়িভাঙ্গা, হিমসাগরসহ নানা জাতের আম। বৃষ্টি না হওয়ায় আমের গুটি ঝরে পড়ছে,  নিয়মিত প্রতিষেধক দিলেও এর সুফল পাচ্ছেন না বাগান মালিকরা।

চন্ডিপুর গ্রামের বাগানের মালিক খয়ের উদ্দিন বলেন, কয়েক মাস ধরে বৃষ্টি নেই। আম গাছের গোড়ায় পানি নেই কিন্তু তারপরও আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম এবার আম ভালো হবে। এভাবে পড়তে থাকলে গাছে আম টিকবে না।

একই গ্রামের ব্যবসায়ী কাদের উদ্দিন বলেন, গত বছর ২ বিঘা আম বাগান কিনেছিলাম। গতবার তো
আম্ফানে সব আম পড়ে গেছে, এবারও ২ বিঘা জমির আমবাগান কিনেছি। কিন্তু বৃষ্টি  না হাওয়ার কারণে সব শেষ, আমরা তো এবার পথে বসে যাব।

আমচাষীদের সার্বিক অবস্থা জানতে চাইলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম বলেন, মৌসুমের শুরুতে আমের মুকুল ভালো ছিল। এখন পর্যন্ত আমে যে গুটি রয়েছে তা ধরে রাখতে পারলে বাগান মালিকরা ভালো ফলন পাবে। কিন্তু এখন আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে।

এর প্রতিকারে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ অবস্থায় আম বাগানে ৭ থেকে ১০ দিন পর পর ঢালাও পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। সেচ দেওয়ার পর আমগাছের গোড়ায় মাঞ্চিং করে দিতে হবে। তাতে কিছুটা রস ধরে থাকলে গুটি পড়া রোধ হবে। একইসঙ্গে বোরন, দস্তা ও জিংক জাতীয় যে ঔষধ পাওয়া যায় তা গাছে প্রয়োগ করলে সমস্যা কিছুটা সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

শেখ ইমন /ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশ চলবে ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী -মেজর হাফিজ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

আম চাষে লোকসানের শঙ্কা

আপডেটের সময় ১০:০০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে অনাবৃষ্টির কারণে ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি।  বাগানে পানি না থাকায় আমে দেখা দিয়েছে কালো দাগ। এর ফলে চলতি মৌসুমে লোকসানের আশঙ্কা করছেন জেলার বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ঝিনাইদহের ৬টি  উপজেলায় আমবাগানের জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮৮২ হেক্টর। এসব বাগান থেকে আম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৭ হাজার মেট্টিক টন। কিন্তু  উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সদর উপজেলার, চন্ডিপুর, কামতা মির্জাপুর, কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আমবাগানে গিয়ে দেখা যায় বাগানে ঝুলছে আম্রপলি, ল্যাংড়া, খিরসা, হাড়িভাঙ্গা, হিমসাগরসহ নানা জাতের আম। বৃষ্টি না হওয়ায় আমের গুটি ঝরে পড়ছে,  নিয়মিত প্রতিষেধক দিলেও এর সুফল পাচ্ছেন না বাগান মালিকরা।

চন্ডিপুর গ্রামের বাগানের মালিক খয়ের উদ্দিন বলেন, কয়েক মাস ধরে বৃষ্টি নেই। আম গাছের গোড়ায় পানি নেই কিন্তু তারপরও আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম এবার আম ভালো হবে। এভাবে পড়তে থাকলে গাছে আম টিকবে না।

একই গ্রামের ব্যবসায়ী কাদের উদ্দিন বলেন, গত বছর ২ বিঘা আম বাগান কিনেছিলাম। গতবার তো
আম্ফানে সব আম পড়ে গেছে, এবারও ২ বিঘা জমির আমবাগান কিনেছি। কিন্তু বৃষ্টি  না হাওয়ার কারণে সব শেষ, আমরা তো এবার পথে বসে যাব।

আমচাষীদের সার্বিক অবস্থা জানতে চাইলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম বলেন, মৌসুমের শুরুতে আমের মুকুল ভালো ছিল। এখন পর্যন্ত আমে যে গুটি রয়েছে তা ধরে রাখতে পারলে বাগান মালিকরা ভালো ফলন পাবে। কিন্তু এখন আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে।

এর প্রতিকারে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ অবস্থায় আম বাগানে ৭ থেকে ১০ দিন পর পর ঢালাও পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। সেচ দেওয়ার পর আমগাছের গোড়ায় মাঞ্চিং করে দিতে হবে। তাতে কিছুটা রস ধরে থাকলে গুটি পড়া রোধ হবে। একইসঙ্গে বোরন, দস্তা ও জিংক জাতীয় যে ঔষধ পাওয়া যায় তা গাছে প্রয়োগ করলে সমস্যা কিছুটা সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

শেখ ইমন /ইবি টাইমস