ভিয়েনা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ২ লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়ালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা লালমোহনবাসী ডিপিপি অনুযায়ী কার্পেটিংসহ মূল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চায় ভিটামিন ‘এ‘ ক্যাপসুল পাচ্ছে লালমোহনের ৪৭৯১৭ শিশু লালমোহনে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ২ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইরানের দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী লালমোহনে বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার নবম বর্ষপূর্তি পালিত

টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ; যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩
  • ৬৫ সময় দেখুন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণীর মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শহীদুল ইসলাম খোকন নামের যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন (২৩) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ শিমুল গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ বলেন, ওই ছাত্রী ঘাটাইল উপজেলার স্থানীয় একটি মাদরাসার ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। দণ্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন ছাত্রীর প্রতিবেশি চাচাতো ভাই। সেই সুযোগে খোকন ছাত্রীর বাড়িতে ও মাদরাসায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিয়ের আশ^াস দিয়ে খোকন নিজের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এরপর সুযোগ পেলেই খোকন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারলে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিসের ব্যবস্থা করা হয়। তখন খোকন তাকে বিয়ে করবে এবং ওই অনাগত সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে খোকন মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।

পরে ওই ছাত্রীর মামা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০ মে ঘাটাইল থানায় শহীদুল ইসলাম খোকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি খোকন ওই শিশুর জৈবিক পিতা বলে প্রমানিত হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদনপত্র জমা দেন। এই মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় শহীদুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন দেয় বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ। এ মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইলিয়াস খান পারভেজ।

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস  

শিক্ষা বাজেটের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ; যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেটের সময় ০৬:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণীর মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শহীদুল ইসলাম খোকন নামের যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন (২৩) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ শিমুল গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ বলেন, ওই ছাত্রী ঘাটাইল উপজেলার স্থানীয় একটি মাদরাসার ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। দণ্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন ছাত্রীর প্রতিবেশি চাচাতো ভাই। সেই সুযোগে খোকন ছাত্রীর বাড়িতে ও মাদরাসায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিয়ের আশ^াস দিয়ে খোকন নিজের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এরপর সুযোগ পেলেই খোকন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারলে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিসের ব্যবস্থা করা হয়। তখন খোকন তাকে বিয়ে করবে এবং ওই অনাগত সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে খোকন মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।

পরে ওই ছাত্রীর মামা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০ মে ঘাটাইল থানায় শহীদুল ইসলাম খোকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি খোকন ওই শিশুর জৈবিক পিতা বলে প্রমানিত হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদনপত্র জমা দেন। এই মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় শহীদুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন দেয় বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ। এ মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইলিয়াস খান পারভেজ।

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস