ভিয়েনা ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশু সেঁজুতির লাশ উদ্ধার পাঁচ দশকেও হয়নি সেতু, কাঠের সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের লালমোহনে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল! অফিসে হয়রানির অভিযোগ আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে একান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেফতার ১ লালমোহনে সেতুর সংযোগ সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষক অবমুক্ত

টর্চের আলোই ভরসা লোডশেডিংয়ে 

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
  • ১০০ সময় দেখুন

হাসপাতাল কথন,পর্ব-৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ গোটা হাসপাতাল অন্ধকারাচ্ছন্ন। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এটা কোন হরর মুভির দৃশ্য। কিন্তু না, একটি সরকারী হাসপাতালের চিত্র এটি। পাশের টেবিলে কী রাখা আছে তাও ঠিকমত দেখা যাচ্ছে না। ফ্লোর ও বেডে আছে অসংখ্য রোগী। নেই জেনারেটরের ব্যবস্থাও। কিন্তু লোডশেডিংয়ের এর জন্য তো আর চিকিৎসা সেবা বন্ধ করা যাবে না। তাই এই পরিস্থিতিতেই টর্চের আলোই চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন নার্সরা। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা সরকারী হাসপাতালের এমন করুন দশায় ত্যক্ত-বিরক্ত। এদিকে হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলছে, পুরাতন বিল্ডিং থাকাকালিন সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নতুন বিল্ডিংয়ে জেনারেটর বা সৌর বিদ্যুতের কোন ব্যবস্থা নেই। অতিদ্রæতই সমস্যার সমাধান করা হবে। 

তবে অভিযোগ রয়েছে অব্যাহত লোডশেডিং থাকলেও জেনারেটরের ব্যবস্থা করতে আগ্রহী নয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

এমন করুন দশা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। বুধবার সন্ধায় গিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এমন ভৌতিক দৃশ্য দেখা যায়। নেই বিদ্যুৎ,রোগীর স্বজনরা হাতে থাকা মোবাইলে টর্চ জ্বালিয়ে বসে আছেন রোগীর পাশে। আর গরমে ছটফট করছেন। অন্যদিকে টর্চ জ্বালিয়ে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন নার্সরা। বিরক্তির ছাপ চোখে-মুখে। 

নার্সদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, এমনিতেই প্রচন্ড গরম। তারপর আবার বিদ্যুৎ নেই। টর্চের আলো জ¦ালিয়ে রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর। এই সমস্যার দ্রত সমাধান চান তারা।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী শাওন বলেন, সরকারী হাসপাতালের অবস্থা যদি এমন হয় তাহলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নেওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যাবে। অন্ধকারে ঔষধও খাওয়ার অবস্থা নেই। 

আরেক রোগী মিরাজ বলেন, বিদ্যুতের আলোর কাজ কি আর টর্চের আলোয় হয় ? অন্ধকারে হাটা-চলা করতে গিয়ে ফ্লোরে থাকা রোগীদের সাথে ধাক্কা লাগে মাঝে মাঝেই। এই সমস্যার দ্রত সমাধান করা জরুরী।

এবিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সুজায়েত হোসেন বলেন, পুরাতন বিল্ডিং থাকাকালিন সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নতুন বিল্ডিংয়ে জেনারেটর বা সৌর বিদ্যুতের কোন ব্যবস্থা নেই। যার ফলে বিদ্যুৎ গেলেই হাসপাতাল অন্ধকার হয়ে যায়। অতিদ্রæতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস

Tag :

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টর্চের আলোই ভরসা লোডশেডিংয়ে 

আপডেটের সময় ০৫:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

হাসপাতাল কথন,পর্ব-৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ গোটা হাসপাতাল অন্ধকারাচ্ছন্ন। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এটা কোন হরর মুভির দৃশ্য। কিন্তু না, একটি সরকারী হাসপাতালের চিত্র এটি। পাশের টেবিলে কী রাখা আছে তাও ঠিকমত দেখা যাচ্ছে না। ফ্লোর ও বেডে আছে অসংখ্য রোগী। নেই জেনারেটরের ব্যবস্থাও। কিন্তু লোডশেডিংয়ের এর জন্য তো আর চিকিৎসা সেবা বন্ধ করা যাবে না। তাই এই পরিস্থিতিতেই টর্চের আলোই চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন নার্সরা। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা সরকারী হাসপাতালের এমন করুন দশায় ত্যক্ত-বিরক্ত। এদিকে হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলছে, পুরাতন বিল্ডিং থাকাকালিন সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নতুন বিল্ডিংয়ে জেনারেটর বা সৌর বিদ্যুতের কোন ব্যবস্থা নেই। অতিদ্রæতই সমস্যার সমাধান করা হবে। 

তবে অভিযোগ রয়েছে অব্যাহত লোডশেডিং থাকলেও জেনারেটরের ব্যবস্থা করতে আগ্রহী নয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

এমন করুন দশা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। বুধবার সন্ধায় গিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এমন ভৌতিক দৃশ্য দেখা যায়। নেই বিদ্যুৎ,রোগীর স্বজনরা হাতে থাকা মোবাইলে টর্চ জ্বালিয়ে বসে আছেন রোগীর পাশে। আর গরমে ছটফট করছেন। অন্যদিকে টর্চ জ্বালিয়ে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন নার্সরা। বিরক্তির ছাপ চোখে-মুখে। 

নার্সদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, এমনিতেই প্রচন্ড গরম। তারপর আবার বিদ্যুৎ নেই। টর্চের আলো জ¦ালিয়ে রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর। এই সমস্যার দ্রত সমাধান চান তারা।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী শাওন বলেন, সরকারী হাসপাতালের অবস্থা যদি এমন হয় তাহলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নেওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যাবে। অন্ধকারে ঔষধও খাওয়ার অবস্থা নেই। 

আরেক রোগী মিরাজ বলেন, বিদ্যুতের আলোর কাজ কি আর টর্চের আলোয় হয় ? অন্ধকারে হাটা-চলা করতে গিয়ে ফ্লোরে থাকা রোগীদের সাথে ধাক্কা লাগে মাঝে মাঝেই। এই সমস্যার দ্রত সমাধান করা জরুরী।

এবিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সুজায়েত হোসেন বলেন, পুরাতন বিল্ডিং থাকাকালিন সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নতুন বিল্ডিংয়ে জেনারেটর বা সৌর বিদ্যুতের কোন ব্যবস্থা নেই। যার ফলে বিদ্যুৎ গেলেই হাসপাতাল অন্ধকার হয়ে যায়। অতিদ্রæতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস