কিশোরগঞ্জ জেলার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেল রেকর্ড সংখ্যক ৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা
বাংলাদেশ ডেস্কঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানায়, কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে এবার পাওয়া গেছে ১৯ বস্তা টাকা। দিনব্যাপী গণনা শেষে সেই টাকার অংক দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা। একইসঙ্গে মিলেছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।
শনিবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৯টায় পাগলা মসজিদের সিন্দুক খোলা উপ-কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বছর (২০২২) কিশোরগঞ্জের এই ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স পাওয়া গিয়েছিল ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা।
পাগলা মসজিদ বা পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ যা কিশোরগঞ্জ সদরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদটিতে একটি সুউচ্চ মিনার রয়েছে। মসজিদ কমপ্লেক্সটি ৩ একর ৮৮ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ্ স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে।
পাগলা মসজিদটি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হারুয়া নামক স্থানে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।জনশ্রুতি অনুসারে, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক হয়বত নগর জমিদার বাড়ির ঈসা খানের বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিল কদর পাগলা সাহেব নামক একজন আধ্যাতিক ব্যক্তি নরসুন্দা নদীর তীরে বসে নামাজ পড়তেন। পরবর্তীতে স্থানটিতে মসজিদটি নির্মত হয়। জিল কদর পাগলার নামানুসারে মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ হিসেবে পরিচিতি পায়।। অপর জনশ্রুতি অনুসারে, তৎকালীন কিশোরগঞ্জের হয়বত নগর জমিদার পরিবারের ‘পাগলা বিবি’র নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।
এই মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসায় এর অর্থ ব্যয় করা হয় বলে জানা গেছে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর