ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ধান ও চালের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝালকাঠিতে এবছর কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অধিক জমিতে বোরো আবাধ হবে। কৃষকরা বীজতলা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বীজতলা করেছে। কৃষকরা মাঠ চাষ দিয়ে বীজ রোপনের প্রস্তুতি করছে। ইতোমধ্যেই বোরো আবাদের সিংহভাগ জমিতে বীজ রোপন করছে এবং এখনও চাষাবাদের ধারা অব্যাহত রয়েছে। পূর্বে যে সকল জমিতে বোরো আবাধ করা হয়নি সেই সকল জমিতে এবছর বোরো আবাদে কৃষকরা কোমর বেধে নেমেছেন।
ঝালকাঠি জেলার চারটি উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা বোরো প্রধান এলাকা হিসেবে চাষাবাদ হয়ে আসছে। অন্য দুটি উপজেলা রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় বোরো আবাদ ছিটে ফোটা হচ্ছে। এ দুটি উপজেলায় কৃষকরা আমন ধান কর্তনের পরে মাঠে তিল, মরিচ, সরিষা ইত্যাদি রবি ফসলের চাষাবাদে নেমে যায়।
ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবছর বোরো চাষাবাদের জন্য ১২ হাজার ৫শ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮শ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ও ১০ হাজার ৭শ হেক্টরের উচ্চ ফলনশীল জাতের আবাদ লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত রয়েছে। জেলায় এপর্যন্ত জেলায় ১৬শ ৮ হেক্টরে হাইব্রিড ও ৯হাজার ৫৯২ হেক্টরে বোরো আবাদ করা হয়েছে। জেলায় ৭৩ হেক্টরে হাইব্রিড ও ৫৭৩ হেক্টরে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজতলা তৈরী করা লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। কিন্তু কৃষকরা ৯২ হেক্টরে হাইব্রিড ও ৫শ ৯৪ হেক্টরে বীজতলা ইতোমধ্যে করে ফেলেছে।
ঝালকাঠির জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান ধান ও চালের দাম উদ্ধমূখী থাকায় কৃষকরা এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১ হাজার হেক্টরে আবাদ সম্প্রসারণ হবে মর্মে ধারণা প্রকাশ করেছেন।
বাধন রায় /ইবিটাইমস/এম আর