ভিয়েনা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইল সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ৭ যারা সন্ত্রাসের উপর নির্ভর করে তারা সফল হবে না – সিরিয়া ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট এরদোগান রাশিয়া বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর উত্তপ্ত করতে চাচ্ছে না আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে- মেজর হাফিজ লালমোহনে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে টাঙ্গাইল সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে পিআইবির নির্বাচনকালীন দুইদিনের কর্মশালা পণ্ড তেহরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প প্রায় দুই লক্ষ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে সুইট এগ্রোভেট লিঃ এর বার্ষিক সেলস্ কনফারেন্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত

ভোলার লালমোহনে মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০ বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৩৬ সময় দেখুন
জাহিদুল ইসলাম দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনে মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যালয় ২০ বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি। এতে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ওই প্রতিষ্ঠানের ১৩ জন শিক্ষক কর্মচারীরা।
স্কুলটি গত ১০ বছর ধরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস  করে আসছে। সুনামের সাথে পুরো এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু অজানা কারনে এমপিওভুক্ত হয়নি স্কুলটি। এতে চরম ক্ষোভ আর অসন্তোষ বিরাজ করছে শিক্ষক -কর্মচারীদের মাঝ্যে।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সাথে  গ্রামের কোমলমতী শিক্ষার্থীদের পাঠাদান করাচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষকরা বঞ্চিত সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে। এতে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
স্কুল সুত্র জানিয়েছে, ২০০১ সালের দিকে লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের কাশমির (বর্তমানে মোতাহার নগর) গ্রামে ৫০ শতাং জমির উপর বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। ওই সময় স্থানীয় সমাজ সেবক ও  শিক্ষানুরাগি নুরুজ্জামান হাওলাদার স্কুলটির জমি দান করেন।
তৎকালীন সময়ে সাবেক এমপি মরহুম মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার উদ্দিন মাস্টারের নামে স্কুলটির নামকরন করা হয়।
স্কুলটির বর্তমান নাম ‘শহীদ মোতাহার উদ্দিন মেমোরিয়াল নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়’।  এরপর থেকে স্কুলটি সুনামের সাথে পাঠাদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ২০১০ সালের পর থেকে গত ১০ বছর ধরে স্কুলটিতে জেএসসিতে ছাত্র-ছাত্রীরা শতভাগ পাসের রেজাল্ট অর্জন করে। ২০১০ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধূরীর শাওনের প্রচেষ্ঠায় বিদ্যালয়টি এক তলা পাকা ভবন পায়। কিন্তু এমপিওভুক্তির জন্য দুইদফা আবেদন করেও সুফল পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আয়শা খাতুন ও মোবারক হোসেন বলেন, আমাদের সকল শিক্ষক দক্ষতার সাথে পাঠদান করে আসলেও বিদ্যালয়টি  গত ২০ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আমরা কোন বেতন-ভাতা পাচ্ছি না।  এতে আমাদের অনেক কষ্ট করে চলতে হচ্ছে। সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি দ্রুত যেন স্কুলটি এমপিওভুক্ত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি এলাকায় বেশ সুনামের সাথে  শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে কিন্তু তবুও এটি এমপিওভুক্ত হয়নি, এটি খুবই দুঃখজনক।আমরা দুই দফা আবেদন করেছি কিন্তু তারপরেও এমপিও হয়নি। এতে শিক্ষকরা অনেক কষ্টে আছেন।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি অনেক পুরনো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি এমপিওভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।এতে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবীপূরন হবে। তাদের স্বপ্নপূরন হবে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলটি এমপিওভুক্ত হলে এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে এটি আরও ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
ভোলা/ইবিটাইমস/এম আর
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইল সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ৭

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলার লালমোহনে মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০ বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি

আপডেটের সময় ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১
জাহিদুল ইসলাম দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনে মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যালয় ২০ বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি। এতে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ওই প্রতিষ্ঠানের ১৩ জন শিক্ষক কর্মচারীরা।
স্কুলটি গত ১০ বছর ধরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস  করে আসছে। সুনামের সাথে পুরো এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু অজানা কারনে এমপিওভুক্ত হয়নি স্কুলটি। এতে চরম ক্ষোভ আর অসন্তোষ বিরাজ করছে শিক্ষক -কর্মচারীদের মাঝ্যে।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সাথে  গ্রামের কোমলমতী শিক্ষার্থীদের পাঠাদান করাচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষকরা বঞ্চিত সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে। এতে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
স্কুল সুত্র জানিয়েছে, ২০০১ সালের দিকে লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের কাশমির (বর্তমানে মোতাহার নগর) গ্রামে ৫০ শতাং জমির উপর বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। ওই সময় স্থানীয় সমাজ সেবক ও  শিক্ষানুরাগি নুরুজ্জামান হাওলাদার স্কুলটির জমি দান করেন।
তৎকালীন সময়ে সাবেক এমপি মরহুম মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার উদ্দিন মাস্টারের নামে স্কুলটির নামকরন করা হয়।
স্কুলটির বর্তমান নাম ‘শহীদ মোতাহার উদ্দিন মেমোরিয়াল নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়’।  এরপর থেকে স্কুলটি সুনামের সাথে পাঠাদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ২০১০ সালের পর থেকে গত ১০ বছর ধরে স্কুলটিতে জেএসসিতে ছাত্র-ছাত্রীরা শতভাগ পাসের রেজাল্ট অর্জন করে। ২০১০ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধূরীর শাওনের প্রচেষ্ঠায় বিদ্যালয়টি এক তলা পাকা ভবন পায়। কিন্তু এমপিওভুক্তির জন্য দুইদফা আবেদন করেও সুফল পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আয়শা খাতুন ও মোবারক হোসেন বলেন, আমাদের সকল শিক্ষক দক্ষতার সাথে পাঠদান করে আসলেও বিদ্যালয়টি  গত ২০ বছর ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আমরা কোন বেতন-ভাতা পাচ্ছি না।  এতে আমাদের অনেক কষ্ট করে চলতে হচ্ছে। সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি দ্রুত যেন স্কুলটি এমপিওভুক্ত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি এলাকায় বেশ সুনামের সাথে  শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে কিন্তু তবুও এটি এমপিওভুক্ত হয়নি, এটি খুবই দুঃখজনক।আমরা দুই দফা আবেদন করেছি কিন্তু তারপরেও এমপিও হয়নি। এতে শিক্ষকরা অনেক কষ্টে আছেন।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি অনেক পুরনো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি এমপিওভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।এতে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবীপূরন হবে। তাদের স্বপ্নপূরন হবে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলটি এমপিওভুক্ত হলে এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে এটি আরও ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
ভোলা/ইবিটাইমস/এম আর