ভিয়েনা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১৮ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক টাঙ্গাইলে হামে আক্রান্ত ৮ মাসের শিশুর মৃত্যু টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গ্রীষ্মকালীন কৃষি প্রণোদনা বিতরণ রাস্তা বন্ধ করায় লালমোহনের ৪ পরিবার অবরুদ্ধ দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ড্রোন ও রকেট হামলার দাবি হিজবুল্লাহর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ৫০ বছরের পুরনো রাস্তা বন্ধ করে লালমোহনে ৪ পরিবারের ৩০ সদস্য অবরুদ্ধ মেহেরপুর সীমান্তে গোপন ভাণ্ডার থেকে ৫০০০ লিটার তেল জব্দ কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে আগুন

ফায়ার স্টেশনের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স চলছে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায়

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৪৪ সময় দেখুন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় লক্কর ঝক্কর এ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ারের গাড়ি দিয়ে চলছে ফায়ার সার্ভিসের সেবা। শৈলকুপা উপজেলা ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

খোজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম শুরু হয়।দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ সেই পুরাতন গাড়ী দিয়েই চলছে সেবা কার্যক্রম।আজ পর্যন্ত কোন নতুন ফায়ারের গাড়ি সংযোজন হয়নি উপজেলাতে।

উপজেলাটি জনবহুল হওয়া স্বত্তেও পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও একটি মাত্র জরাজীর্ণ এ্যাম্বুলেন্সে চলছে নামমাত্র সেবা। পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ছুটছে ফায়ার কর্মীরা উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত । বিশেষ করে প্রতিনিয়ত মূমূর্ষ রোগীদের এই পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সে জেলা শহরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাঝে মধ্যেই রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। মানুষের জান-মালের ঝুকি নিয়ে চলছে ফায়ার স্টেশনের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্সের সেবা। একাধিক কোন দূর্ঘটনা ঘটলে পুরাতন গাড়ি ও একটি মাত্র এ্যাস্বুলেন্সে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না সেইসাথে চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া ফায়ার কর্মীদের আর করার কিছুই থাকে না। মাঝে মধ্যে জনসাধারণের সাথে ভুল বুঝাবুঝি ও নানা প্রশ্নের জন্ম নেয়।

২০০৮ সালে একটি পুরাতন এ্যাম্বুলেন্স নড়াইল ফায়ার সার্ভিস থেকে আনা হয় শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে। গাড়ীগুলো অতি পুরাতন হওয়ায় প্রায়ই নষ্ট হয়ে থাকে।

শৈলকুপার সমাজসেবক ওয়াহিদুজ্জামান ইকু শিকদার বলেন, পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে চলছে শৈলকুপার ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম যা রীতিমত সাধারণ মানুষের জন্য জীবনের ঝুকি। তাই সরকারের কাছে শৈলকুপাবাসির জন্য আমাদের দাবী নতুন ফায়ারের গাড়ি ও একটি নতুন এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হোক।

শৈলকুপা ফায়ার সার্র্ভিসের স্টেশন মাষ্টার আক্কাস আলী বলেন,শৈলকুপা উপজেলা জনবহুল ও আয়তনে বড় হওয়ায় একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মানুষের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।এ্যাম্বুলেন্সটি পুরাতন হওয়ায় ঠিকমত সেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। একটি নতুন এ্যাম্বুলেন্স পেলে সেবার মান বৃদ্ধি পেত। এছাড়াও ফায়ারের গাড়ী অতি পুরাতন হওয়ায় প্রায়ই রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে থাকে। এর পরেও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি শৈলকুপাবাসির সেবা দেওয়ার জন্য।

শৈলকুপা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা লিজা বলেন, ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স দুটোই জনজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করে। আমরা অবশ্যই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এদিকে নজর দিব সেই সাথে উধর্¦তন মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করবো যাতে শৈলকুপার সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস/এম আর

জনপ্রিয়

১৮ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ফায়ার স্টেশনের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স চলছে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায়

আপডেটের সময় ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় লক্কর ঝক্কর এ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ারের গাড়ি দিয়ে চলছে ফায়ার সার্ভিসের সেবা। শৈলকুপা উপজেলা ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

খোজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম শুরু হয়।দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ সেই পুরাতন গাড়ী দিয়েই চলছে সেবা কার্যক্রম।আজ পর্যন্ত কোন নতুন ফায়ারের গাড়ি সংযোজন হয়নি উপজেলাতে।

উপজেলাটি জনবহুল হওয়া স্বত্তেও পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও একটি মাত্র জরাজীর্ণ এ্যাম্বুলেন্সে চলছে নামমাত্র সেবা। পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ছুটছে ফায়ার কর্মীরা উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত । বিশেষ করে প্রতিনিয়ত মূমূর্ষ রোগীদের এই পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সে জেলা শহরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাঝে মধ্যেই রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। মানুষের জান-মালের ঝুকি নিয়ে চলছে ফায়ার স্টেশনের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্সের সেবা। একাধিক কোন দূর্ঘটনা ঘটলে পুরাতন গাড়ি ও একটি মাত্র এ্যাস্বুলেন্সে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না সেইসাথে চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া ফায়ার কর্মীদের আর করার কিছুই থাকে না। মাঝে মধ্যে জনসাধারণের সাথে ভুল বুঝাবুঝি ও নানা প্রশ্নের জন্ম নেয়।

২০০৮ সালে একটি পুরাতন এ্যাম্বুলেন্স নড়াইল ফায়ার সার্ভিস থেকে আনা হয় শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে। গাড়ীগুলো অতি পুরাতন হওয়ায় প্রায়ই নষ্ট হয়ে থাকে।

শৈলকুপার সমাজসেবক ওয়াহিদুজ্জামান ইকু শিকদার বলেন, পুরাতন ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে চলছে শৈলকুপার ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম যা রীতিমত সাধারণ মানুষের জন্য জীবনের ঝুকি। তাই সরকারের কাছে শৈলকুপাবাসির জন্য আমাদের দাবী নতুন ফায়ারের গাড়ি ও একটি নতুন এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হোক।

শৈলকুপা ফায়ার সার্র্ভিসের স্টেশন মাষ্টার আক্কাস আলী বলেন,শৈলকুপা উপজেলা জনবহুল ও আয়তনে বড় হওয়ায় একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মানুষের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।এ্যাম্বুলেন্সটি পুরাতন হওয়ায় ঠিকমত সেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। একটি নতুন এ্যাম্বুলেন্স পেলে সেবার মান বৃদ্ধি পেত। এছাড়াও ফায়ারের গাড়ী অতি পুরাতন হওয়ায় প্রায়ই রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে থাকে। এর পরেও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি শৈলকুপাবাসির সেবা দেওয়ার জন্য।

শৈলকুপা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা লিজা বলেন, ফায়ারের গাড়ি ও এ্যাম্বুলেন্স দুটোই জনজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করে। আমরা অবশ্যই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এদিকে নজর দিব সেই সাথে উধর্¦তন মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করবো যাতে শৈলকুপার সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস/এম আর