আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ হাইকমিশন, ক্যানবেরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব এর ৯১তম জন্মবার্ষিকী যথাযথভাবে পালন করা হয়েছে। আলোচনায় বঙ্গমাতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তারা বলেন, বঙ্গমাতা ছিলেন বাঙালির অহংকার ও নারী সমাজের প্রেরণার উৎস।
দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জাতির পিতা হয়ে উঠার প্রেরণাদানকারী বঙ্গমাতার স্মৃতির উপর আলোচনায় স্বাধীনতার সংগ্রামের কঠিন দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে বঙ্গমাতা কিভাবে দৃঢ়তার সাথে পরিস্থিতির মোকাবেলা করেছিলেন তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর অবদানকে স্মরণ করা হয়।

হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্টে শহীদ সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, প্রথাগত শিক্ষার বাইরে বঙ্গমাতা জ্ঞান ও সূক্ষবোধের অধিকারী হয়ে ওঠেন। সরাসরি রাজনীতি না করলেও রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় রেখেছেন। তিনি বলেন, নিজ স্বার্থ ও প্রচার বিমুখ সাধারণ জীবন যাপনে আগ্রহী এ মহীয়সী নারীর সবচেয়ে বড় আত্মত্যাগ হল দেশ ও জাতির মুক্তির লক্ষ্যে শেখ মুজিবকে ছেড়ে দিয়েছেন। যা তাঁর বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠা ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের বিশিষ্ট নিয়ামক ছিল।
বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব এর স্মৃতিচারণ মূলক ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএন















