ভিয়েনা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউরোপকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় নিজেদের ‘পদক্ষেপ’ নিতে হবে – ইইউ শীর্ষ কূটনীতিক যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিরা দারিদ্রতার শীর্ষে সৌদি আরব নিজের ভূখণ্ড থেকে ইরানে হামলা চালাতে অনুমতি দিবে না তারেক রহমানের মধ্যেই মানুষ নতুন আশার আলো দেখছে – ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল মা-বোনদের মূল্য নির্ধারণ করতে চায় একটি দল :নয়ন জিয়াউর রহমান ছিলেন সৎ রাষ্ট্রনায়ক : হাফিজ ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন তারেক রহমান চরফ্যাসনে জামায়াতের বিরুদ্ধে হাতপাখার নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ নির্বাচিত সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে : মেজর হাফিজ আস্থা লাইফের বীমার আওতায় সুইট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী

নাজিরপুরে সরকারী খালে বাঁধ দেয়ায় কৃষকদের প্রতিবাদ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১
  • ১০৩ সময় দেখুন

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুরে স্কুল শিক্ষক কর্তৃক সরকারী খালে বাঁধ দিয়ে আটকে দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।

উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের লড়া গ্রামে বুধবার (১৪জুলাই) দুপুরে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা বাঁধটি খুলে দিতে দাবী জানান।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই গ্রামের মজুমদার বাড়ি ও পাইক বাড়ির মধ্যবর্তী একটি সরকারী খালে বাঁধ দিয়ে তাতে নৌকা চলচালসহ পানি প্রবাহ আটকে দিয়েছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মধ্য লড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ পাইক ও তার ভাই নিতিশ পাইক। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ওই খাল দখলের উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ওই খালের উপর থাকা একটি লোহার পুল সংলগ্ন উত্তর পাশ থেকে বাঁশের পাইল ও মাটি দিয়ে ভরাট করে খাল আটকে দেয়ার কাজ চলছে। তবে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক ওই খালের জায়গা তাদের ২ ভাইয়ের ক্রয়কৃত জমি বলে দাবী করেন।

স্থানীয় কৃষকরা ইউরোবাংলা টাইমসকে জানান, সরকারি রেকর্ডভুক্ত ওই খালে বাঁধ দেয়ার ফলে গ্রামের প্রায় একহাজার একর কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মৌসুমের আমন ধান চাষ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক শ্যামল লাল মজুমদার জানান, এই খাল থেকে পাওয়া পানি দিয়ে বোরো মৌসুমে ধান চাষসহ সকল কৃষি কাজ করা হয়। কিন্তু ওই খালটি স্থায়ীভাবে বাঁধ দিয়ে আটকে দেয়ায় খালের সংলগ্ন জমিতে ইতিমধ্যে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আর বোরো মৌসুমে দেখা দিবে পানি সংকট।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. সাখাওয়াত জামিল সৈকত জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়ে সেখানে ভুমি অফিসের লোকজন পাঠানো হয়েছে। ব্যক্তিস্বার্থে খাল আটকানোর কোন সুযোগ নাই। এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ /ইবিটাইমস/আরএন

জনপ্রিয়

ইউরোপকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় নিজেদের ‘পদক্ষেপ’ নিতে হবে – ইইউ শীর্ষ কূটনীতিক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নাজিরপুরে সরকারী খালে বাঁধ দেয়ায় কৃষকদের প্রতিবাদ

আপডেটের সময় ১১:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুরে স্কুল শিক্ষক কর্তৃক সরকারী খালে বাঁধ দিয়ে আটকে দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।

উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের লড়া গ্রামে বুধবার (১৪জুলাই) দুপুরে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা বাঁধটি খুলে দিতে দাবী জানান।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই গ্রামের মজুমদার বাড়ি ও পাইক বাড়ির মধ্যবর্তী একটি সরকারী খালে বাঁধ দিয়ে তাতে নৌকা চলচালসহ পানি প্রবাহ আটকে দিয়েছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মধ্য লড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ পাইক ও তার ভাই নিতিশ পাইক। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ওই খাল দখলের উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ওই খালের উপর থাকা একটি লোহার পুল সংলগ্ন উত্তর পাশ থেকে বাঁশের পাইল ও মাটি দিয়ে ভরাট করে খাল আটকে দেয়ার কাজ চলছে। তবে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক ওই খালের জায়গা তাদের ২ ভাইয়ের ক্রয়কৃত জমি বলে দাবী করেন।

স্থানীয় কৃষকরা ইউরোবাংলা টাইমসকে জানান, সরকারি রেকর্ডভুক্ত ওই খালে বাঁধ দেয়ার ফলে গ্রামের প্রায় একহাজার একর কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মৌসুমের আমন ধান চাষ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক শ্যামল লাল মজুমদার জানান, এই খাল থেকে পাওয়া পানি দিয়ে বোরো মৌসুমে ধান চাষসহ সকল কৃষি কাজ করা হয়। কিন্তু ওই খালটি স্থায়ীভাবে বাঁধ দিয়ে আটকে দেয়ায় খালের সংলগ্ন জমিতে ইতিমধ্যে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আর বোরো মৌসুমে দেখা দিবে পানি সংকট।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. সাখাওয়াত জামিল সৈকত জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়ে সেখানে ভুমি অফিসের লোকজন পাঠানো হয়েছে। ব্যক্তিস্বার্থে খাল আটকানোর কোন সুযোগ নাই। এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ /ইবিটাইমস/আরএন