ভিয়েনা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নেত্রকোণায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৫৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : নেত্রকোণা জেলা শহরের প্রসাধনী ব্যবসায়ী বাবুল মিয়াকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার দায়ে মো.রতন মিয়া (৫৬) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ মোছা.মরিয়ম-মুন-মঞ্জুরী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রতন মিয়া নেত্রকোণা পৌর শহরের পশ্চিম চকপাড়া (রেললাইনের উত্তর পার্শ্বে) এলাকার মৃত ডা. আব্দুর রহমানের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, নিহত বাবুল মিয়া নেত্রকোণা শহরের সাতপাই রেলক্রসিং এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। আসামি রতন মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে বাবুল মিয়ার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহে রতন মিয়া তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে রতন মিয়া কৌশলে বাবুল মিয়াকে কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের কাকুরিয়া মাছিম দাসপাড়া মরাগাঙের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবুল মিয়ার ঘাড়ে ও মাথায় উপুর্যপুরি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে মরদেহ কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখেন।

ঘটনার পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. শামীম মিয়া বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে রতন মিয়াকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আদালত সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করেছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক এ রায় প্রদান করেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এ রায় কার্যকর করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান।
ঢাকা/এসএস

লালমোহনে মসজিদ কমিটির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে নেত্রকোণায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময় ১০:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : নেত্রকোণা জেলা শহরের প্রসাধনী ব্যবসায়ী বাবুল মিয়াকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার দায়ে মো.রতন মিয়া (৫৬) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ মোছা.মরিয়ম-মুন-মঞ্জুরী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রতন মিয়া নেত্রকোণা পৌর শহরের পশ্চিম চকপাড়া (রেললাইনের উত্তর পার্শ্বে) এলাকার মৃত ডা. আব্দুর রহমানের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, নিহত বাবুল মিয়া নেত্রকোণা শহরের সাতপাই রেলক্রসিং এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। আসামি রতন মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে বাবুল মিয়ার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহে রতন মিয়া তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে রতন মিয়া কৌশলে বাবুল মিয়াকে কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের কাকুরিয়া মাছিম দাসপাড়া মরাগাঙের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবুল মিয়ার ঘাড়ে ও মাথায় উপুর্যপুরি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে মরদেহ কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখেন।

ঘটনার পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. শামীম মিয়া বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে রতন মিয়াকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আদালত সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করেছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক এ রায় প্রদান করেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এ রায় কার্যকর করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান।
ঢাকা/এসএস