ভিয়েনা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেদারল্যান্ডসের সিনেট কঠোর আশ্রয় আইন বাতিল করে দুই-স্ট্যাটাস ব্যবস্থার অনুমোদন দিয়েছে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প: ইরানকে আলোচনার জন্য সময় দেওয়ার ঘোষণা ভেনেজুয়েলার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৫ সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৩,৩৭২ জন হজযাত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু আজ কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশের সঙ্গে বহুমুখী জ্বালানি সহযোগিতায় আগ্রহী বাংলাদেশ অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ডান হাত হারিয়ে বাঁ হাতে পরীক্ষা দিচ্ছে রেজভী সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ৫৩ জন বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার : অর্থমন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:১৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৯৬ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি আজ সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মিলন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমান সরকারও আবার এই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যেই নির্দেশনা পেয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সচেতনতা জোরদারের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।’

তবে তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের সনদ স্বীকৃতি নিয়ে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী কিরাত (কোরআন তেলাওয়াত) বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলেও মূলধারার মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায়, তাদের সনদ স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যোগ্য প্রার্থীদের ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এসব সনদ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা শুধু ইসলাম ধর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

এর আগে মো. মনিরুল হক চৌধুরী গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

যদিও এই সময়ে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

নেদারল্যান্ডসের সিনেট কঠোর আশ্রয় আইন বাতিল করে দুই-স্ট্যাটাস ব্যবস্থার অনুমোদন দিয়েছে

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটের সময় ১০:১৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি আজ সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মিলন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমান সরকারও আবার এই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যেই নির্দেশনা পেয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সচেতনতা জোরদারের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।’

তবে তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের সনদ স্বীকৃতি নিয়ে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী কিরাত (কোরআন তেলাওয়াত) বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলেও মূলধারার মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায়, তাদের সনদ স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যোগ্য প্রার্থীদের ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এসব সনদ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা শুধু ইসলাম ধর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

এর আগে মো. মনিরুল হক চৌধুরী গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

যদিও এই সময়ে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ঢাকা/এসএস